আপনার কম্পিউটারের সি ড্রাইভের স্পেস কি করে বাড়িয়ে ফেলবেন!


বিষয়টা আপনাদের অনেকের কাছে পুরানো হতে পারে, হয়ত এই সমস্যায় পড়ে নানাভাবে উৎরে গেছেন হয়ত। তবে আমি নিজে এমন অনেকেই নেটে/অনলাইনে হেল্প চাইতে দেখেছি এবং আমি নিজেও এই সমস্যায় পড়ে অনলাইনে হেল্প চেয়ে ব্যাপারটা শিখে ফেলেছি। খুব সাধারন এবং সহজ একটা ব্যাপার, জানা থাকলে অসুবিধা নেই, লাভ আছে। আপনাদের জন্য তাই এই সাধারন বিষয়টা পেশ করলাম। আশা করি কোন দিন কাজে লেগে যেতে পারে।

মুল বিষয়ে আসি, আপনি যখন আপনার কম্পিউটার হার্ড ডিক্স পারটিশন করে বাসায় নিয়ে আসছেন তখন দেখলেন বা কিছু দিন পর নজর পড়লো সি ড্রাইভে জায়গা কম, আপনি গেইম বা এটা সেটা ইন্সটল করার পর একদিন নজর পড়লো, সি ড্রাইভ লাল দেখাচ্ছে, মানে সি ড্রাইভে স্পেস বা জায়গা কমে গেছে! এখন আপনি সে সেটাপে আছেন বা আপনি যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করেন, সে গুলোর কোন কিছু চেঞ্জ বা আবার হার্ড ডিক্স ফরমেট না করে বা কোন আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার না করেই আপনি চাইলে আপনার সি ড্রাইভের স্পেস বাড়িয়ে নিতে পারেন।


ঠিক আমার হার্ড ডিক্সে সি ড্রাইভের অবস্থা দেখুন, আমি যখন একজন ব্রাদারকে দিয়ে উইন ৮. ১ ইন্সটল করি তখন হার্ড ডিক্স পারটিশন খেয়াল করি নাই। এখন বেশী স্পেস না থাকার জন্য মাঝে মাঝেই লাল হয়ে যাচ্ছিলো ফলে আমি অনেক গেইম আনইন্সটল করে দিতে বাধ্য হই।

সব কিছু ঠিক রেখে মানে আপনার সব সফটওয়ার ঠিক রেখে সমাধানঃ
Desktop > Right Click on This PC > Manage > Left Panel – Go to Storage > Disk Management > Check if C & D r side by side. If it is then > Right Click on D drive > Delete Volume… >Right Click on C Drive > Extend Volume …
ব্যস আপনি যদি এই ধাপ গুলো বুঝতে পারেন তবেই হয়ে গেল।

আমি কাজটা শেষ করে ফেলার পর মনে হয়েছে কিছু স্ক্রিন শট রেখে দেয়া উচিত ছিল। যাই হোক পরে এই স্ক্রিন শট গুলো নিয়েছি আপনাদের আরো সহজ করে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। আশা করি দেখেই বুঝে যাবেন।

চিত্র ১

চিত্র ২

চিত্র ৩
আশা করি উপরের চিত্র গুলো দেখেই বুঝতে পারছেন, কাজটা কত সহজ। তবে একটা কথা side by side ব্যাপারটা বুঝতে হবে, আপনার সি ড্রাইভের পাশে যে ড্রাইভটা থাকবে সেটাই আপনি কাজে লাগাতে পারবেন। চিত্র ৩ তে খেয়াল করে দেখুন!

আর একটা সতর্কতা মনে রাখবেন, Delete Volume করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন সেই ড্রাইভে আপনার কোন গরুত্ব পূর্ন মালামাল না থাকে, যদি থাকে তবে তা অন্য ড্রাইভে কপি করে সরিয়ে নিবেন।  Extend Volume কাজটা করতে আপনি আপনার পছন্দ মত স্পেস নিয়ে নিতে পারেন, ইচ্ছা হলে বাকী স্পেসকে আবার অন্য নাম দিয়ে রেখে দিতে পারেন।


আমার ফাইন্যাল স্পেস চিত্র দেখুন। কাজ সেরে ফেলার পর!:D

এর পরেও না বুঝতে পারলে, আমরা আছি। মেইল, মেসেজ বা মোবাইলে!
https://www.facebook.com/udraji

কৃতজ্ঞতাঃ অভিজিৎ রায় কাব্য (যিনি সমস্যা দেখে এই সমাধান বলে দেন নিমিশেই, মেধাবী এই ভাইটির সাফল্য কামনা করি)

লেখাটা প্রথম সামুতে প্রকাশিত হয়েছে। http://www.somewhereinblog.net/blog/udraji/29991031

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s