ফুড কালার


আমাদের খাবারে রং ব্যবহার নুতন কোন ঘটনা নয়। বহুকাল আগে থেকেই এটা মানুষ ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি কি রং ব্যবহার করেন? হা, বাজারে বড় দোকান কিংবা আজকাল গড়ে উঠা বড় বড় গ্রোসারী গুলোতে খাবারের রং পাওয়া যায় তা কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এটা স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকারক নয় বলে শুনেছি।

কিন্তু আমি বলি, কি দরকার এই সব রং ব্যবহার করে খাবার তৈরী করার। খাবারের রং দেখতে গুরুত্বপূর্ন হলেও এটার কি আসলে দরকার আছে! ধরা যাক, আমাকে কাঁচা আম দিয়ে এক গ্লাস শরবত বানিয়ে দেয়া হল, যার রং কিছুটা সাদা। এতে সামান্য ফুড কালার মিশিয়ে কাঁচা আমের মত রং করে ফেলা হল! এখন কথা হচ্ছে, এটার কি দরকার!


রং মিশানো হয় নাই।


সামান্য ফুড কালার ব্যবহার করা হয়েছিল।

সাদা বা সবুজ তাতে কি আসে যায়! আমি মনে করি, খাদ্য হতে হবে নির্ভেজাল, সুস্বাদু এবং শরীরের জন্য উপকারী। বাড়তি কিছুর দরকার নেই।

সুতারাং ফুড কালার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই! ফুড কালার এড়িয়ে চলুন। রঙ্গিন খাবার দাবার এড়িয়ে চলুন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিরাপদ থাকুন।

(নকল কিংবা বাজে ফুড কালারে শরীরে ক্যান্সার জাতীয় রোগ হতে পারে বলে চিকিৎসকরা বলে থাকেন। কথা সত্য।)

2 responses to “ফুড কালার

  1. খাবারে রং চলেই না। আপনার মতামতের সাথে একমত।

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s