গ্যালারি

আড্ডাঃ বাসায় কিছু খাবারের ছবি (চিত্রালী পত্রিকা থেকে পাওয়া বন্ধুরা)


স্কুল, কলেজ বা সেই সময়ের বন্ধুদের সাথে এখনো এই বয়সে এসে দেখা হওয়া, আড্ডা দেয়া অনেক আনন্দের ব্যাপার। যখন ইন্টারমেডিয়েট পড়ি, তখন প্রচুর বই, পত্র পত্রিকা পড়ার অভ্যাস ছিল, এই পত্রিকা পড়া থেকে বেশ কিছু বন্ধুর সাথে যোগাযোগ হয়ে পড়ে। আজকে যেমন আমরা ফেইসবুকে যোগাযোগ করে বন্ধুত্ব বাড়াচ্ছি, সেই সময় চিত্রালী, পুর্বানী, বিচিত্রা ইত্যাদি সিনে ম্যাগাজিনে বা সপ্তাহিকে একটা পাতা থাকাত, আপনাদের চিঠি পেলাম! চিত্রালীর এই পাতা এতই জনপ্রিয় ছিল যে, এই পাতার সুত্রে অনেকের সাথে বন্ধুত্ব হয় এবং আজও তাদের সাথে বন্ধুত্ব অম্লান। এই পাতায় আমরা সবাই চিঠি লিখতাম এবং এঁকে অপরের সাথে যোগাযোগ বা বন্ধত্ব গড়ে উঠেছিল। আমি নিয়মিত চিত্রালীর এই পাতায় লিখতাম ৯ম/১০ম শ্রেনী থেকে, নানান নামে, পরে নিজ নামে পরিচিতি পেয়েছিলাম! চিত্রালীর এই আপনাদের চিঠি পেলাম পাতাটা পরিচালনা করতেন হাইদা, যনি উত্তরদা নামে পরিচিত, শেষ সময়ে তিনি ‘প্রথম আলো’র উপ-সম্পাদক ছিলেন। এই দাদার কারনে আমরা সবাই একত্রিত হতাম, উনাকে অবিস্কার করতে আমাকে অনেক সময় লেগেছিল, তিনি কখনো কারো কাছে নিজের পরিচয় দিতেন না, যাই হোক সে আর এক গল্প, সময় পেলে লিখবো, তবে এই কথা অনিস্বীকার্য যে, এই ভদ্রলোকের জন্য আজকে অনেকে সাহিত্যিক কবি! তার মিষ্টি উত্তরে কে না কবি হতে চাইতো! আমি নিজেও বেনামে বহু ছোট গল্প লিখে ফেলেছিলাম সেই সময়ে এবং সেই সময়ে অনেক পত্র পত্রিকায় আমার লেখা ছাপা হয়েছিল, যদিও ভাগ্য আর সেই দিকে নেয় নাই! টাকার পিছনে ছুটতে গিয়ে, প্রবাসী হয়ে সব কিছু ভুলে গিয়েছিলাম! এই গল্পো আর একদিন করবো বেঁচে থাকলে।

আপনার যারা এখনো পত্রপত্রিকা পড়েন, আজকেও ‘চিপাচস’ নামের একটা সংগঠনের কথা জেনে থাকবেন! এটি মুলত শুরু হয়েছিল বেশ কিছু বড় ভাইদের দ্বারা, যারা চিত্রালী পড়তে ভালবাসতেন। চিত্রালী কেমন জনপ্রিয় পত্রিকা ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না হয়ত! এটি মূলত শুক্রবার বের হয়, যেদিন বাংলা সিনেমা মুক্তি পেত! আমরা এই চিত্রালীর জন্য অপেক্ষা করতাম বৃহস্প্রতিবার রাতেই! সিনেমার নায়ক নায়িকাদের বড় বড় ছবি আর নানান কেচ্ছা কাহিনীর জন্য বিখ্যাত এই পত্রিকার সাথে আমার অবশ্য একটা আলাদা একটা যোগ সুত্র ছিল, সেই কাহিনীও পরে।

যাই হোক, এই বন্ধুদের কয়েকজনকে গত কয়েকদিন আগে আমাদের বাসায় দাওয়াত দিয়েছিলাম পরিবার সহ। মেজবাহ, ঈশান, লিটন, শামিম, সজীব এরা আমার সেই চিত্রালীর বন্ধু, বলা চলে প্রায় ৩৫/৪০ বছর পার হয়েও এরা এখনো বন্ধু! হ্যাঁ, খাদ ছাড়া বন্ধুত্ব আমাদের! এদের সবাইকে বাসায় দাওয়াত দিয়ে পেরে আমি আনন্দিত। আমি ও আমার স্ত্রী তাদের জন্য বেশ কিছু আইটেম রান্না করেছিলাম। এবং সেই গল্প ও রান্না নিয়ে আজকের এই ব্লগ! চলুন খাবারের ছবি দেখি এবং কিছু কথা চলুক।

ছবি কথা বলে!
ছবি ১,

ছবি ২,

ছবি ৩,

ছবি ৪,

ছবি ৫,

ছবি ৬,

ছবি ৭,

ছবি ৮,

ছবি ৯,

ছবি ১০,

ছবি ১১,

ছবি ১২,

ছবি ১৩,

ছবি ১৪,

ছবি ১৫,

ছবি ১৬,

ছবি ১৭,

ছবি ১৮,

ছবি ১৯,

ছবি ২০,

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s