গ্যালারি

রেসিপিঃ পুরানো ঢাকার লাচ্ছি (সংগ্রহ)


প্রথমেই আপনাদের শুভেচ্ছা জানাই যে, কিছুদিন আগে এই ব্লগের ৪০ লক্ষ ভিউ হয়ে গেল! আমি নিজে সেটা সময়মত দেখতে পারি নাই কারন আপনারা যারা টেকনিক্যালি আছেন, তারা জানেন যে, বাংলাদেশ থেকে (কিছু জায়গা থেকে নাকি দেখা যায়) এখন আর ওয়ার্ডপ্রেস সাইট গুলোতে প্রবেশ করা যায় না, সরকার কি বন্ধ করতে কি করেছে, কে জানে? এবং এর প্রতিকারের জন্য কার কাছে যেতে হবে সেটাও আমাদের অজানা।  আমরা যারা ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দিয়ে আমাদের নিজস্ব ফ্রী সাইট চালাই, তারা বিষয়টা বুঝতে পারছেন হয়ত! সে যাই হোক, আমার বলা আমি বলে গেলেম।  হয়ত সরকারের কোন বিভাগ, এই বিষয়ে উদ্যোগ নিবে এবং ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের ব্লক করা খুলে দিলে আম্রাও আবার দেখতে প লিখতে পারবো। (এই পোষ্ট ভিপিএন) ব্যবহার করে লিখছি!


(আমার অনুপস্থিতিতে ভিজিট চার্ট প্রমান করে এখনো আপনারা আমাকে কত ভালবাসেন, বিশেষ দিনে তো সার্চ আরো বেড়ে যায়।)

যাই হোক, এই তো হচ্ছে এই দেশে! সততা, সত্য, কোন জিনিষটা সাধারন মানুষের, কি করলে সাধারন মানুষ খুশি হবে, আনন্দে থাকবে, এই সব নিয়ে কারো চিন্তা নেই! চলছে, চলুক।  কাম বাড়ি দাও, টাকা কামাও, লজ্জাহীন একটা অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সাধারন মানুষ।  ব্যাপার না, চলুন আজ আপনাদের আমাদের পুরানো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একটা রেসিপি দেখিয়ে দেই।  মুলত আপনি চাইলে নিজের ঘরেও এমন লাচ্ছি বানাতে পারেন।  মেহমান আসলে তাদের পরিবেশন করতে পারেন।  গরমে এমন লাচ্ছি বেশ আনন্দ এনে দেয় মনে, দেহে! চলুন, কথা না বাড়িয়ে রেসিপি দেখি।  বলে রাখি, এটা এখনো আমি নিজেও চেষ্টা করি নাই, তবে মনে হচ্ছে, খুব মজাদার করে আমিও বানাতে পারবো!

উপকরণঃ (পরিমান আপনি নিজেও অনুমান করে নিতে পারেন)
১। খাঁটি দই
২। বরফ কুচি
৩। পানি
৪। চিনির সিরা বা চিনি
৫। মশলা – বিট লবন

প্রনালীঃ

ছবি ১ঃ খুব খাঁটি এমনি দই লাগবে।


ছবি ২ঃ একটা মগে দই (৪/৫ টেবিল চামচ), বরফ কুচি (হাফ কাপ), চিনির শিরা (পরিমান মত, মিষ্টি কম চাইলে কম দিতে হবে বা চিনি), সামান্য বিট লবন দিয়ে ভাল করে ঘুটান (এটা পুরানো ঢাকার পুরানো স্টাইল) (ব্লেন্ডারেও করতে পারেন)।


ছবি ৩ঃ সামান্য ঘুটানোর পর, পরিমান মত পানি দিন এবং আরো ঘুটান।  ফেনা তুলে ফেলুন।


ছবি ৪ঃ ব্যস, পরিবেশন করুন।


ছবি ৫ঃ গরমে আরাম।  দিল খুশ!

আপনাদের আবারো শুভেচ্ছা জানাই।  মাঝে মাঝেই চিন্তা করি, যদি একদিন আপনাদের দাওয়াত দিয়ে একবার খাওয়াতে পারতাম, মনে শান্তি পেতাম।  দুনিয়াতে রান্নার (খাবারের) চেয়ে কি আপন আছে! কিছু খেয়ে মনে যে শান্তি পাওয়া যায় তা কি আর কিছুতে হয়!

ছবিঃ পুরানো ঢাকার একটা দোকান থেকে, উনাদের নাম ঠিকানা প্রকাশের অনুমতি ছিল না।

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s