গ্যালারি

রেসিপিঃ দুন্দুল ভাঁজি (মজাদার ভাঁজি)


আপনাদের গ্রামীন ভাষায় এই সব্জিকে কি বলে জানি না, আমাদের গ্রামে এই সব্জিকে দুন্দুল বলে থাকে। আমি ছোট বেলায় দুন্দুলের নাম শুনলেই চিৎকার করতাম! হা হা হা, মানে বাসায় এই দুন্দুল রান্না হয়েছে এটা শুনলেই আর খাবারের টেবিলে বসার ইচ্ছা থাকত না! অথচ আজ সময় পাল্টেছে, এখন আমার কাছে এই সবজি একটা প্রিয় সবজি! কচি এই সবজি যে কোন ভাবে রান্না করলেই ভাল লাগে, মাছের সাথে ঝোল ঝোল করে রান্না করলেও চলে, তবে এখন বেশি পছন্দ হয় ভাঁজি। সকালের নাস্তায় রুটির সাথে এই রান্না বেশ আনন্দদায়ক মনে হয়।
dd
ছবি ১, ছবিটা নেট থেকে নেয়া, দেখুন তো চিনতে পারছেন কি না! বাজারে কিনতে গেলে কচি দেখে কিনবেন। শক্ত হলে স্বাদ ভাল হয় না।

চলুন রান্না দেখি, দেখুন কত সহজ। যে কোন এই ধরনের গা গা ভাঁজি কম তেলেই রান্না শুরু করা উচিত। এই সব সাধারণ সবজি থেকে পানি বের হয়, কাজেই চুলার ধারে দাঁড়িয়ে খুন্তি নিয়ে নাড়ালেই একটা চমৎকার রান্না হয়ে উঠে। এই সকল ভাঁজি অনেকে এমনিতেই করে ফেলেন, সেটাও মজাদার হয়ে উঠে আমি ডিমের ব্যবহার করেছি, আরো স্বাদ এবং পুষ্টি বাড়ানোর জন্য। চলুন দেখি ফেলি!

প্রণালীঃ
20180923_001958
ছবি ২, কড়াইতে তেল গরম করুন, সামান্য হলুদ গুড়া এবং দুই চিমটি লবন দিন।

20180923_223024
ছবি ৩, এবার চামড়া ছিলে কেটে ধুয়ে রাখা দুন্দুল দিয়ে দিন। ভাঁজুন। আগুন মাঝারি।

20180923_223231
ছবি ৪, এবার পেঁয়াজ কুঁচি ও কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিন। ভাঁজুন।

20180923_223616
ছবি ৫, এবার ডিম ভেঙ্গে দিন, দুন্দুলের পরিমান দেখে আপনি ডিম দিন।

20180923_223621
ছবি ৬, এভাবে ডিম ফাটিয়ে নিন।

20180923_223704
ছবি ৭, মিক্স করে ভাঁজুন।

20180923_223823
ছবি ৮, সবজি থেকে পানি বের হবে, আগুন বাড়িয়ে দিন, মাঝ বরাবর ফাঁকা করে দিন, পানি উড়ে যাবে। এই সময়ে লবন স্বাদ দেখে নিন।

20180923_223917
ছবি ৯, ধনিয়া পাতার কুঁচি দিন। ভাল করে নাড়িয়ে নামিয়ে নিন।

20180923_224054
ছবি ১০, ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

20180923_224108
ছবি ১১, দেখেই শান্তি।

20180923_224113
ছবি ১২, রুটি, গরম ভাতের সাথে একবার খেয়ে দেখতে পারেন, আশা করি আমার নাম আপনার মনে থাকবে!

সবাইকে শুভেচ্ছা। আসছি আরো আরো রেসিপি নিয়ে। সাথে থাকুন।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

6 responses to “রেসিপিঃ দুন্দুল ভাঁজি (মজাদার ভাঁজি)

  1. দারুণ লাগলো। ধুন্দল/মুলাম/তরই এসব নাম আছে এই সব্জির। এটি বড় হলে ভিতরে শরীর ডলার জন্য জালি পাওয়া যায় ভিতর হতে। আপনার রান্না বেশ চমৎকার মনে হচ্ছে। এই সব্জি আমারও খুব পছন্দের। একটু মিষ্টি মিষ্ট ভাব আছে।

    Liked by 1 person

  2. ami kakrol khetam na.Apner recipe dekhar por akhn pri-e kini.vhaji kori.akta somoi kakroler bichi dekle mejaj kharap hoto…akhn mochmoche lage.apner ranna dekhe ami onk kichoi shikhechi..thnks vhaia.

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ বোন। আমাদের জীবন আসলে এমনি! আমার ছেলেরা এখন এটা খায় না, সেটা খায় না। আমি ওদের দেখি আর হাসি! মনে মনে বলি – খাবি, একদিন নিজেই কিনে নিজেই রান্না করে খাবি! ছোট বেলার অপ্রিয় খাদ্য গুলো এখন প্রিয়! আমার বেলাতেও এমনি। শুভেচ্ছা।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s