গ্যালারি

আড্ডাঃ দি ম্যানহার্টন ফিস মার্কেট, বনানী (The Manhattan Fish Market, Bonani)


বাংলাদেশ সত্যই এগিয়েছে বটে! আপনি যদি সন্ধ্যার পর বনানী গুলশান এলাকাতে যান তবে বুঝতে পারবেন! মানুষের হাটা চলা পোষাক পরিচ্ছেদ ইত্যাদিতে এই দুই এলাকা বেশ এগিয়ে গেছে! বনানী গুলশান এলাকাতে এখন সন্ধ্যার পর আলোর ঝলকানি এতই বেশি যে, আপনার মনে হতেই পারে আপনি বাংলাদেশ নয় কোন বিদেশের শহরে আছেন! তবে এর কিছুটা কৃতিত্ব আমি মেয়র আনিসুল হককে দিতে চাই। তিনি মেয়র হবার পরে এই দু এলাকার অনেক পরিবর্তন আমাদের সাধারণ মানুষের চোখে পড়েছে! তার মত কার্য্যকর মানুষ এই দেশে খুব দরকার ছিলো অথচ তিনি বাঁচতে পারলেন না! রাস্তাঘাট, ম্যানহোল, পরিস্কার পরিছন্নতা ইত্যাদিতে তিনি কোন ছাড় দেন নাই ফলে খুব কম সময়েও এই দুই এলাকার চেহারা বিরাটভাবে পরিবর্তন হয়েছে! অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রায় সব ধনী বা টাকাওয়ালা মানুষ গুলো এখন এই দুই এলাকাতেই থাকেন ফলে তারা নিজেরাও নিজদের বাচার স্বার্থে এলাকা ভাল রাখার চেষ্টা করেন! যাই হোক, আমি আদা ব্যাপারি, জাহাজের খবর নিয়ে কি হবে!

আমার বড় ছেলে এই বছরের শুরুতে বলছিলো সামুদ্রিক মাছ খাবে! আমি ওকেই দ্বায়িত্ব দিয়েছিলাম, খাবারের রেস্টুরেন্ট বের করতে! আজকালের পোলাপাইন সব জানে, সেই জানালো, বনানীতে এমন একটা রেস্টুরেন্ট আছে, যাতে সামুদ্রিক মাছ সহ শামুক ঝিনুক ইত্যাদি পাওয়া যায়! যাই হোক, একদিন সন্ধ্যায় আমরা বের হয়ে পড়লাম! আমার দৌড় মতিঝিল, আমার পোলার দেখি গুলশান বনানী! এই সব দোকান পাটের খবরা খবরো রাখে! চলুন পোষ্ট দেখি! অনেক দিন পর ছবি গুলো পেয়ে লিখতে বসলাম!

20171216_213157
ছবি ১, লোগো! আমেরিকার চেইন এখন বাংলাদেশেও!

20171216_213835
ছবি ২, খাবার সিলেকশন মুহুর্ত।

20171216_214207
ছবি ৩, চলে ফেইসবুক!

20171216_215245
ছবি ৪, এখন আর কম্বাইন্ড ডিস দুটোর নাম মনে নেই। তবে এখানে তিন পদের মাছ ছিলো।

20171216_215340
ছবি ৫, ঝিনুক! রান্না নাকি ফ্রান্স স্টাইলে!

20171216_215512
ছবি ৬, ২য় ডিস, নাম এখন মনে করতে পারছি না! এই ডিস টার প্রায় সব আইটেম ভাল লেগেছিলো।

20171216_215711
ছবি ৭, বড় ছেলের এই সব খাবারে অরুচি নেই! পারে অনেক!

20171216_220426
ছবি ৮, ডিঙ্কস!

20171216_222024
ছবি ৯, ছোট ছেলে এই সব খাবার তেমন পছন্দ করে না, সে খেলাধুলা নিয়েই ব্যস্ত থাকে!

20171216_223616
ছবি ১০, আবার একবার যেতে হবে। এই বার গেলে, আরো ভাল করে সব খেয়াল করে আসবো।  ছবি তুলতে দুই ছেলেরই অনীহা। হেসে আমি মাঝে মাঝে বলি, এই সব ছবি তুলে আমি প্রমান করে যেতে চাই, তোদের আমি যা খেতে চেয়েছিল তাই খাওয়াতে চেষ্টা করেছি! আমি বৃদ্ধ হয়ে গেলে আমাকে এমনি মাঝে মাঝে হোটেলে খাইয়ে দিস, যদিও জানি এই চিন্তা ওরা বড় হয়ে হয়ত করবে না কিংবা করবে! আমি যেমন আমার বৃদ্ধ মায়ের কথা সারা দিন ভেবেই যাই কিন্তু বাস্তবে উনার জন্য কিবা করতে পারছি! হাত পা বেঁধে যে সাগরে আমি সাঁতরে যাচ্ছি, সেই সংসার সাগর কি আমাকে বাঁচতে দিবে!

সবাইকে শুভেচ্ছা।

4 responses to “আড্ডাঃ দি ম্যানহার্টন ফিস মার্কেট, বনানী (The Manhattan Fish Market, Bonani)

  1. ভালো লাগলো।

    Liked by 1 person

  2. Apner likha gulute apner ma er proti vhalo laga ta amr khub bhalo lage vhaia.amr ma 2 yrs holo akebare bed e thake.khub kharp lage jokhon cinta kori ai manushta 8 ta sontan koto kost kore manush korlo, koto hard work korechen…r akhn…..Vhaia—pray kori Allah apner Ma k shushtho rakhuk,bhalo rakhuk.

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ আপনাকে। চোখে জল এনে দিলেন। জীবন আসলে বড় কষ্টের, আমরা ভান করে চলার চেষ্টা করি মাত্র! কেনই বা আমরা এমন করি তারো কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাই না! মাঝে মাঝে ভাবি, আমরা মানুষ কি! মানুষ হলে আমাদের আচরণ কি এমন হত! ইত্যাদি ইত্যাদি! আমি আমার মায়ের সুসন্তান হয়েই বাঁচতে চাই এবং মায়ের জন্য যা কিছু করার দরকার আমি তাই করবো, এটাই আমার নীতি, বিবেক এবং বিচার! স্ত্রী, সন্তানের যা দরকার তাও করি/করবো বটে। তবে আমি মনে করি, মানুষের বিচার বুদ্ধি প্রখর না হলে, যে যতই সার্টিফিকেট ধারী হউক, শেষ তার লাভ নেই! মানুষের সব সময়েই একটা কথা মনে রাখা উচিত, সে অমর নয়, তাকেও এই দুনিয়ার দব কিছু ছেড়ে খালি হাতে চলে যেতে হবে! শুভেচ্ছা নিন।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s