গ্যালারি

ভ্রমনঃ মাওয়া ফেরিঘাট (অনায়েশে ঘুরে ফিরে খেয়ে দেয়ে একদিন কাটিয়ে আসতে পারেন, ছবি ব্লগ)


মাওয়া ফেরী ঘাটে অনায়েসে একদিন ঘুরে ফিরে কাটিয়ে আসতে পারেন! পদ্মা নদীর ধারে আপনার এই সময় কাটানো আনন্দের হবে, বলাই বাহুল্য। ঢাকা থেকে যাতায়ত ভাল, বাসে উঠে বসলেই হল! এছাড়া এই মাওয়া ঘাট হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ব্রীজ, পদ্মা সেতুর এই পার, পদ্মা সেতু হয়ে গেলেই এই পার দিয়েই দক্ষিণবঙ্গের যাতায়তের নুতন দিগন্ত খুলে যাবে! পদ্মার ভাঙ্গনে এই ঘাট বহু বছরে বহু স্থান পরিবর্তন করে এখন নুতন স্থানে, এখন কিছুটা স্থায়ী! এখনো পুরানো ঘাটের চিনহ আছে তবে সেদিকটা আর ব্যবহার হয় না! নুতন ঘাটের জায়গা বেশ বড়, বিরাট বাস স্ট্যান্ড, অনেক অনেক খাবার হোটেল আর লঞ্চ ও স্পীড বোটের জন্য রয়েছে অনেক জায়গা! নুতন চর উঠে আরো আরো জায়গা বেড়েছে!

খুব একটা মন খারাপ হলে একাই কিংবা পরিবার পরিজন নিয়ে সকালে রাওয়া হলে সকালের নাস্তা সেখানেই করতে পারেন, বাসে ঘন্টা দুই লাগতে পারে, রাস্তা ভাল! নদীর ধারে, হোটেল গুলোতে, কিংবা নদী ভ্রমনে, স্পীড বোট বা লঞ্চে ঘুরে ঘুরে ঘুরে কখন সময় কেটে যাবে আপনি নিজেও টের পাবেন না! মনে করুন আপনার মন টিকছে না, স্ত্রীর সাথে ভীষন কাজ্জা করে একাই বের হয়ে নদীর পরিপূর্ন বাতাস খেয়ে আবার ঢাকা ফিরে আসতে মাত্র একটা দিন লাগতে পারে! এবং আমি নিশ্চিত এই দিন আপনার জীবনে স্মরণীয় হয়েই থাকবে! অন্যদিকে আপনি যদি ভাম্যমান প্রেমিক হয়ে থাকেন এবং নিরিবিলিতে কিছু সময় কাটাতে চান, খোলা আকাশ নদী সাক্ষী রেখে তার সাথে কথা বলতে চান, তবে আপনাকে ডাকছে, মাওয়া ফেরীঘাট, সুন্দর জায়গায় সাক্ষী রেখে আপনি আপনার আনাগত আগামী নিয়ে কথা বলতেই পারেন! বিবাহের পর সে কি আপনার সাথে এমনি পরিপূর্ন ব্যবহার করবে কি না! অন্যদিকে প্রেমিকেরা আপনাদের প্রেমিকের মন কেমন, কি খেতে পছন্দ করে, কেমন করে অচেনা মানুষের সাথে কথা বলে, হাঁটে কেমন, নিরাপত্তায় কেমন সাহসী ইত্যাদি পরীক্ষা করতেও তাকে নিয়ে যেতে পারেন!

স্থানীয় বাজারে প্রায় সব কিছুই পাওয়া যায়, বাসার জন্য বাজার করেও নিতে পারেন। একটা মাছ বাজারের কথা শুনেছি, সকাল এবং সন্ধ্যায় মাছের বাজার বসে কিন্তু আমার সেদিকে যেতে পারি নাই! মাওয়া এলাকার মানুষ গুলো ভাল, ব্যবহার ভাল। আদি বিক্রমপুর বলে কথা! স্থানীয় মানুষ গুলো অন্য মানুষদের সাহায্য করে। মার্ক উইন্স এর ভাষায় ইংরেজীতে বললে বলতে হয়, দে আর সো মাচ ফেন্ডলী এন্ড হেল্পফুল!

যাই হোক, আমি কথা কম কাজে বিশ্বাসী বেশি। কাজে কাজেই আসুন, কিছু ছবি দেখি এবং সেই ছবি গুলোর ক্যাপশনেই কিছ আলোচনা করি।

20180629_150148
ছবি – এটা রাস্তা বা করিডোর নয় মার্কেটের প্রবেশ পথ।

20180629_150422
ছবি – হোটেল গুলোর নাম বেশ! কয়েকটা পড়েই বুঝেছি।

20180629_150322
ছবি – প্রায় হোটেলেই এমনি ইলিশ দেখায়!

20180629_150920
ছবি – আলু ভাঁজি

20180629_150923
ছবি – বুটের ডাল রান্না, তবে মাছের মাথা ভেঙ্গে মনে হল

20180629_150927
ছবি – পুই শাক

20180629_150929
ছবি – ভেন্ডি ভাঁজি

20180629_150932
ছবি – আলু করল্লা ভাঁজি

20180629_150936
ছবি – সম্ভবত বোয়াল মাছ

20180629_150939
ছবি – ইলিশ মাছ পটল, আলু ঝোলে রান্না

20180629_150942
ছবি – ছোট বাইল্যা মাছ

20180629_150947
ছবি – ফার্মের মুরগী, আলু ঝোলে

20180629_150950
ছবি – চিংড়ি ভুনা

20180629_150957
ছবি – অনেক পদের ভর্তা

20180629_151141
ছবি – রসগোল্লা

20180629_151146
ছবি – প্রতিটা হোটেলেই এমন খোলামেলা জায়গা, আপনি চাইলে অনেক সময় ধরে বসে থাকতে পারেন, বসে বসে মানুষ দেখতে পারেন।

20180629_151201
ছবি – আহ, ভাত!

20180629_151754
ছবি – ইলিশ মাছ ভাঁজা, আপনি চাইলে পুরো ইলিশ কিনে নিজে দেখে ভেঁজে নিতে পারেন।

20180629_151748
ছবি – বেগুণ ভাঁজা

20180629_152201
ছবি – ইলিশ মাছের লেজের মাংশ দিয়ে ভর্তা

20180629_151907
ছবি – এমন বসে খাবারের মজাই আলাদা।

20180629_154253
ছবি – মলাই চা!

20180629_154600
ছবি – বিল! চার জনের, আমরা মাত্র চার আইটেমেই খাবার শেষ করেছি। ইলিশ ভাঁজা, ইলিশ মাছের লেজের মাংশের ভর্তা, বেগুণ ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা!

সবাইকে শুভেচ্ছা। আসছি আরো আরো গল্প ও রান্না নিয়ে। সাথে থাকুন।

One response to “ভ্রমনঃ মাওয়া ফেরিঘাট (অনায়েশে ঘুরে ফিরে খেয়ে দেয়ে একদিন কাটিয়ে আসতে পারেন, ছবি ব্লগ)

  1. ফেইসবুক প্রথম আলোচনাঃ https://bit.ly/2tFfNKn
    ফেইসবুক ২য় আলোচনাঃ https://bit.ly/2KzqkwR

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s