গ্যালারি

রেসিপিঃ মুশরী ডালের একটা সাধারন রান্না (ঝাল যাদের পছন্দ)


বাংলাদেশে যে খুব(!) পাতলা ডাল (ডাইল শব্দটা এখন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার হয়ে থাকে) রান্না হয়, তাতে সাধারণত মুশরীর ডাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যদিও অন্যান্য ডাল দিয়েও এমন পাতলা ডাল রান্না করা যায়! মুশরী ডাল রান্না করা তেমন একটা ব্যাপার নয়, পাতলা ডাল আমাদের প্রায় প্রত্যেক পরিবারে রান্না হয়ে থাকে, আমি পূর্বে আপনাদের এমন পাতলা ডাল রান্না দেখিয়েছি! আজ আপনাদের মুশরী ডালের একটা ঘন রান্না দেখাবো (অনেকে ভর্তাও বলতে পারেন), আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।  এমন রান্না অনেক অভিজ্ঞরা করে থাকেন, মানে তুড়ি মেরেই এমন রান্না হয়ে থাকে! যথারীতি বিগেনার্সদের জন্য এই রান্না! এমন রান্না করেই হাত পাকাতে হবে, এই সকল রান্না করে হাত পাক্লে, চোখও পেকে যাবে!

আগেই বলে নেই, আমি এই রান্নার ঝাল বা শুকনা মরিচ একটু বেশি দিয়েছি (যারা ঝাল খেতে পারেন না তারা এড়িয়ে যাবেন, মানে রান্নায় শুকনা মরিচ কম দিবেন) কারন অনেক সময় মুখে কোন রুচি না থাকলে ঝাল কাজ দেয়! ঝাল বেশি হলে একটু বেশী খাওয়া যায়! এদিকে কে বেশি খেতে না চায়! চলুন দেখি ফেলি, খুব সাধারন এবং সহজ রান্না।  ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন।

উপকরণ ও পরিমানঃ (এক বাটি)
– মুসরী ডাল; দুই মুষ্টি
– পেঁয়াজ কুচি; এক মুষ্টি
– শুকনা গোটা মরিচ; ৮/১০ টা, এতেই অনেক ঝাল হবে
– পানি; এক কাপ বা তার সামান্য কম বেশি, তবে একে বারে বেশি দিলে ডাল গলে যাবে, শুকনা করা কঠিন হয়ে পড়বে
– লবন; পরিমান স্বাদ মত
– তেল; কয়েক টেবিল চামচ

প্রনালীঃ ছবি কথা বলে।

ছবি ১ঃ ডাল ধুয়ে, কড়াইতে এভাবে পানিতে নিন, বিসমিল্লাহ্‌ বলে চুলায় আগুন দিন, মাঝারি আঁচে আগুন থাকবে।


ছবি ২ঃ এবার পেঁয়াজ কুচি দিন, মরিচ দিন।  আগুন চলুক।


ছবি ৩ঃ সামান্য লবন দিতে ভুলবেন না।  লবন পরে আবার দিয়ে ঠিক করা যাবে।


ছবি ৪ঃ এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন, আগুন মাঝারি থাকুক।


ছবি ৫ঃ পানি ডাল ফুটে উঠলে চামচ দিয়ে তেল দিন।  আর ঢাকনার দরকার নেই।


ছবি ৬ঃ আগুন বাড়িয়ে দিন, চুলা ছেড়ে যাবেন না।


ছবি ৭ঃ খুন্তি দিয়ে নারিয়ে দিন, কিন্তু মরিচ গুলো যেন ভেঙ্গে না যায়, এই পর্যায়ে ফাইন্যাল লবন দেখুন, সঠিক মাত্রায় লবন খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।


ছবি ৮ঃ ঠিক এই রকম হয়ে উঠতে কয়েক মিনিট লাগবে।  ব্যস, আগুন বন্ধ করুন।


ছবি ৯ঃ পরিবেশনা, গরম ভাতের সাথে।  বলে রাখি যারা বেশি ঝাল চাইবেন, তারা শুকনা মরিচ গুলো ডলে নিতে পারেন!

এটা আসলেই সাধারন এবং চমতকার রান্না, অনেক পরিবারেই এমনি  করে মুশরী ডালের ভর্তা বানিয়ে থাকেন, আমিও আগে দেখিয়েছি।  বিশ্বাস করুন, আমি এমনি রান্না পেলে, আর কিছু না নিয়েই পুরো একবেলা চালিয়ে দিতে পারি।


বেশি ঝাল খাবার পর নানান ধরনের ফলফলাদি খেতে পারেন, এতে মুখে ঝাল কমে যাবে।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

2 responses to “রেসিপিঃ মুশরী ডালের একটা সাধারন রান্না (ঝাল যাদের পছন্দ)

  1. Thank you for bhai.. 🙂 always loved your recipes.

    Like

  2. দারুন স্বাদের রান্না।

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

w

Connecting to %s