গ্যালারি

আড্ডাঃ ক্যাফে চেরী ড্রপস (Cafe Cherry Drops), খিলগাঁও


খিলগাঁও এলাকা এখন খাবারের দোকানের সর্গরাজ্য! আপনি এখানে এমন কোন ধরনের দোকান পাবেন না যে, যা সারা ঢাকার অন্য কোথায় নেই, প্রায় সবাই এখন এই এলাকাতে শাখা খুলতে ব্যস্ত।! আজ আপনাদের তেমনি একটা পিজ্জা দোকানের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব।  অবশ্য বেশ কিছুদিন আগে পরিবারের সবাই মিলে এই ক্যাফেতে গিয়েছিলাম এবং এর পর বেশ কয়েকবার এই ক্যাফের খাবার বাসায় এনে খেয়েছি! আমার পিজ্জা খাবার অনেক অভিজ্ঞতা আছে দেশে বা বিদেশে! শুরুতেই বলে দেই এরা মন্দ বানায় না! চেরী ড্রপস মুলত পিজ্জা বানিয়ে থাকে, পাশাপাশি এদের আরো অনেক আইটেম আছে তবে পিজ্জাকে এরা এত হাইলাইট করেছে যে, এখন এই এলাকাতে যে কয়েকটা পিজ্জা ক্যাফে আছে তাতে এদের নাম উপরের দিকেই আছে!

তবে যা দেখেছি এরা মুলত সারা বছর একটা নিলে আর একটা ফ্রী ক্যাম্পেইন চালায় ফলে আড্ডাবাজ তরুন তরুনীদের ভিড় দেখা যায়।  অন্যদিকে এই ক্যাফের ভিতরের ডিজাইন একটা আলাদা ধরনের, নিন্মে ছবি দেখুন।

IMG_20170428_220451
ছবি ১; রাতের আঁধারে এদের লাইটিং ভাল লাগে।


ছবি ২; আইটেম সিলেকশনে গবেষনা!


ছবি ৩; সিলভারের পাতিলের ঢাকনা দিয়ে ওয়াল ডিজাইন! ব্যাপারটা কে কেমন দৃষ্টিতে দেখবে তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে, আমি আশা করি এটা দৃষ্টিনন্দন কি না, এই বিষয়ে একটা বিতর্ক হতেই পারে।


ছবি ৪; সাইড ওয়ালে বড় পেরেকের ব্যবহার বেশ!


ছবি ৫; উপরের সিলিং দড়ি দিয়ে, এটাতেও ডিজাইনারের মাথার কেরামতি প্রমানিত হয়!


ছবি ৬; যাই হোক খাবার আসছে।


ছবি ৭; আমরা একটা ‘ফোর সিজন’ দিয়েছিলাম, সাথে আর একটা ফ্রী ‘শেফ স্পেশাল’ ছিল।


ছবি ৮; আলো আধারিতে পেটে ক্ষুধা থাকলে এমনি একটা পিজ্জা ব্যাপার না!


ছবি ৯; আমাদের দেশে এখনো পিজ্জা ততটা জনপ্রিয় হয়ে উঠে নাই! তবে মানুষ যত বাড়ছে, তাতে যে কোন ধরনের খাবারের উপযোগিতা বেড়েই যাবে।


ছবি ১০; আহ।


ছবি ১১; শিশুদের জন্য খেলার তেমন জায়গা নেই তবে ভিতরে এমনি একটা জায়গা দেখলাম, পায়ের উপর পা তুলে টিভি দেখছিল আমাদের ছোট মিয়া ব্যালট!

মাঝে মাঝে এভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে নানান ক্যাফেতে খেতেই পারেন, খাবারের স্বাদে একটু আলাদা আনন্দের পাশাপাশি নিরিবিলি সময় কাটানো মন্দ নয়! তুলনা মুলক দাম মাঝারি (ফ্রী টা নিয়ে!), যদিও আরো কম দামে এমন একটা পিজ্জা বিক্রি করা যায়! আমাদের দেশে বর্তমানে ব্যবসা একটাই, খাবারের দোকানের ব্যবসা! কম সময়ে লাভের মুখ দেখাতে এখন জনশক্তি রাপ্তানীর পরে লোকালী এই একটা ব্যবসাই আছে বলে আমার মনে হয়! দেশে আনাচে কানাচে যে হারে হোটেল/ক্যাফে/রেষ্টুরেন্ট খোলা হচ্ছে তাতে আমি মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই! অনুমানিক ১০টাকার খাবারের দাম প্রায় ১০০টাকা, এমন লাভের ব্যবসা আর কি হতে পারে! খাবারের স্বাদ, মান ও পরিমান নিয়েও কোন কথা নেই, বেশির ভাগই যাইচ্ছেতাই! কিচেনের নোংরা অবস্থা দেখলে বমি নিশ্চিত! অন্যদিকে প্রতিটা ক্যাফে/হোটেল/রেষ্টুরেন্ট সরকারের জন্য ভ্যাট নিচ্ছে কাষ্টমারের পকেট কেটে/থেকে কিন্তু তা কি সরকারের কোঠায় যাচ্ছে! আমার মনে হয় না, মুলত এটা ক্যাফে/হোটেল/রেষ্টুরেন্ট এর মালিকের পকেটেই যাচ্ছে এবং তারা লাভের উপর লাভ করে নিজদের পকেট ভারী করেই চলছে! ফলাফল বছর ঘুরতেই তারা আরো একটা শাখা খুলে ফেলছে!

সবাইকে শুভেচ্ছা।

Advertisements

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

w

Connecting to %s