Gallery

রেসিপিঃ বাসমতি চাউলের ভাত রান্না (সহজ রান্না)


রান্নায় ভাত রান্না হচ্ছে সব চেয়ে সহজ কাজ! তবে ভাত রান্না করতে গিয়ে কোন অবস্থাতেই রান্নাঘর ছেড়ে যাওয়া যাবে না, ভাত ভাল এবং ঝরঝরে রাখতে হলে ভাত রান্না চুলায় দিয়ে ধারে কাছেও থাকা দরকার! সামান্য বেখেয়ালে ভাত নরম হয়ে পুরা খাবার পান্সে হয়ে যেতে পারে! আবার ভাত শক্ত থাকলে শিশু এবং বৃদ্ধরা খেতে কষ্ট পায়! কাজেই ভাত রান্না আমরা প্রতি বেলায় করলেও রান্নার সময়ে অধিক মনোযোগ দিতে হয়!

যাই হোক, আজ আপনাদের আমাদের মধ্যবিত্ত ঘরে যেভাবে ভাত রান্না হয়ে থাকে তা দেখিয়ে দেব, যদিও আগে আমাদের ঘরে ভাত রান্নার রেসিপি দিয়েছি, আপনাদের চোখে পড়েছে হয়ত! আজ চাউল একটু ভিন্ন, বাসমতি! এই চাউল আবার আমাদের দেশে উতপাদন হয় না, আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়ায় এই চাউল বেশি হয় এবং সারা বিশ্বে সেখান থেকে এই চাউল রাপ্তানী হয়ে থাকে! বিদেশ বিভূয়ে থাকা আমাদের বাঙ্গালী ভাই বোনেরা এই চাউলের ভাত খেয়ে থাকেন। অবশ্য উনারা রাইস কুকারে নিমিশেই এই চাউল রান্না করে ফেলেন (রাইস কুকারে ভাত রান্না আরো সহজ, আর একদিন দেখিয়ে দেব)!

বাসমতি চাউল দিয়ে আগে আমি পোলাউ, বিরিয়ানী ইত্যাদি দেখিয়েছি, তবে বাসমতি চাউলের এই সকল রান্না তেমন জমে না আমাদের বাঙ্গালীদের জন্য! বাসমতি দিয়ে সাধারন ভাত রান্নাই একটু মজাদার! ভর্তা বা সাধারন যে কোন তরকারী দিয়ে বাসমতি চাউলের ভাত মোটামুটি জমে উঠে! চলুন আর কথা না বাড়িয়ে রান্না বা রেসিপি দেখে ফেলি! যারা নুতন ভাত রান্নায় আগ্রহী তাদের জন্যই আজকের এই রান্না!

উপকরনঃ
– বাসমতি চাউল (হাফ কেজিতে চার জন, তবে খানেওয়ালা হলে হাফ কেজিতে একজন!)
– পানি, পরিমান মত
– এক চিমটি লবন (ইচ্ছা হলে)

প্রনালীঃ ছবি কথা বলে

ছবি ১, আজকাল আমাদের দেশি নানান কোম্পানী ইন্ডিয়া থেকে এভাবে প্যাকেট করে নিয়ে এসে সাধারন বাজারে এই বাসমতি চাউল বিক্রি করে টাকা কামিয়ে নিচ্ছে! এই বাসমতি চাল সাধারনত খোলা চালের সাথে বিক্রি হচ্ছে না, একদিন হবে হয়ত!


ছবি ২, চাউল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।


ছবি ৩, চাউল ধোয়ার আগে বা পরে পাত্রে পানি নিয়ে গরম করুন বা পানি ফুটিয়ে নিন, এক চিমটি লবন দিলে ভাল হয়।


ছবি ৪, পানি ফুটে গেলে পানিতে চাউল দিন।


ছবি ৫, পানির পরিমান কেমন হবে? এটা আসলে চাউলের উপর নির্ভর করে, নুতন চাউল হলে পানি কম লাগে, পুরানো চাউল হলে একটু বেশি। তবে অনুমান করে পানি নিয়ে রান্না শুরু করা যায়। সাধারনত চাউলের উপরে দেড় ইঞ্ছি (অনুমান) হলে ভাল। পানি বেশি হলে স্মস্যা নেই, মাড় গলিয়ে নেয়া যায়!


ছবি ৬, আগুন বাড়িয়ে দিন।


ছবি ৭, চলুক।


ছবি ৮, দেখে নিতে ভুল্বেন না!


ছবি ৯, চলুক।


ছবি ১০, কিছু স্ময়ের জন্য ঢাকনা দিন।


ছবি ১১, দেখুন।


ছবি ১২, চাউল থেকে ভাত হয়ে গেছে! কিন্তু কিছু পানি রয়ে গেছে! ব্যাপার না!


ছবি ১৩, এভাবে ভাতের অতিরিক্ত মাড় ফেলে দিতে পারেন। ক্লিপ দিয়ে ঢাকনা আটকে নিন, বিপদের কোন চান্স নেই। এই কাজ অতিরিক্ত সাবধানে করুন, আপনার হাত বা শরীরের কোথায়ও যেন ছিটকে না পড়ে!


ছবি ১৪, আবার কিছু স্ময়ের জন্য চুলায় দিতে পারেন।


ছবি ১৫, ব্যস, এই নিন ঝরঝরে বাসমতি চাউলের ভাত!


ছবি ১৬, ভাত বাঙ্গালীর জীবন!


ছবি ১৭, ভাত বাঙ্গালীর মরন!


ছবি ১৮, আহ, দুই দিনের মারামারির এই দুনিয়াতে ভাতের জুড়ি নেই!

সবাইকে শুভেচ্ছা।

লিঙ্কঃ সাদা ভাত রান্না, আমাদের ঘরে, মোটা চাউলের!

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s