Gallery

রেসিপিঃ আম ডাল


আজকাল আমি নিজেও আর চুলার কাছে যেতে পারছি না, পাশাপাশি নুতন কোন রেসিপি লিখাতেও মন বসাতে পারছি না! কোথায় যেন সব কিছু আটকে যাচ্ছে! লেখালেখি এমনিতেই সহজ কাজ নয়, রান্নাতো বটেই! রান্না এবং লিখা দুটোই অনেক অনেক ভালবাসা চায়! সেই ভালবাসা না থাকলে কিছু করা সম্ভব নয়! আমি ভালবাসা হারাতে বসছি! আসলে সারা দিন যদি একটা মানুষ টাকার পিছে দৌড়ায় তার আর কি বাকী থাকে! যত টাকা চাইছি, তত চাপ এসে পড়ছে ঘাড়ে! অফিসের বস কিংবা বাসার স্ত্রী, সবাই সেয়ানে সেয়ানে! কেহই যেন ছাড়তে চাইছে না, আমি যেন তাদের টাকার মেশিন! যাই হোক, মনে অনেক দুঃখ! আমি যে জীবন চেয়েছিলাম, তার কাছেও যেতে পারছি না!

যাই হোক, এভাবেই জীবন পার করতে হবে! ভাগ্য যে আমার হাতে নয়! চলুন আজ একটা সাধারন (বেশ কিছুদিন আগের তোলা) রেসিপি দেখে ফেলি! আমডাল গরমের সময়ে খেতে খুব আনন্দ দায়ক ব্যাপার। রেসিপিটা যথাসময়ে আপনাদের কাছে হাজির করতে পারি নাই বলে দুঃখিত।

উপকরন ও পরিমানঃ
– মুশরি ডালঃ হাফ কাপ
– পেঁয়াজ কুঁচিঃ মাঝারি দুইটা
– কাঁচা মরিচঃ কয়েকটা
– হলুদ গুড়াঃ হাফ চা চামচ বা কম
– লবনঃ পরিমান মত (দুই চিমটি দিয়ে শুরু, পরে আরো)
– পানিঃ এক লিটারের কিছু বেশী (কেমন পাতলা হবে তার উপরে পানির পরিমান নির্ভর করবে)
– আমঃ মাঝারি একটা বা কম বেশি
– বাগার দেয়ার জন্য এক টেবিল চামচ রসুন কুচি
– তেলঃ ৫/৬ টেবিল চামচ

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১, ডাল, পানি, লবন, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ দিয়ে বসিয়ে দিন। (আগে ভাল করে ডাল ধুয়ে নিতে হবে)


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪


ছবি ৫, ফাঁকে আম কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


ছবি ৬, ঘুটে ডাল গলিয়ে নিন।


ছবি ৭, মিনিট কয়েক মাঝারি আঁচে গরম করে নিলে আম সিদ্ধ হয়ে যাবে। তবে বেশিক্ষন জ্বাল দিলে আম কালো হয়ে যেতে পারে। বাগার দিয়ে আবারো এই সুযোগ পাওয়া যাবে।  চুলা থেকে তুলে রাখুন।


ছবি ৮, রসুন বাগারের জন্য অন্য একটা কড়াই নিন, তেল গরম করুন।


ছবি ৯, রসুন ভাঁজুন।


ছবি ১০, এবার ডালের পাতিলের কিছু ডাল কড়াইতে দিন


ছবি ১১, এবং পরে কড়াই থেকে আবার পাতিলে নিয়ে নিন।


ছবি ১২, কম আঁচে এবার আম নরম হতে দিন।


ছবি ১৩, লবন স্বাদ দেখে নিন, লাগলে দিন।


ছবি ১৪, ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৫, পরিবেশনা।

সবাইকে শুভেচ্ছা। আসছি আরো আরো রান্না নিয়ে। আশাকরি সাথে থাকবেন।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

4 responses to “রেসিপিঃ আম ডাল

  1. শাহাদাত ভাই, আসসালামু আলাইকুম। আপনার এই ব্লগে থেকে রেসিপি দেখে অনেক রান্নায় করলাম। সবাই প্রশংসা করেছে। কখনো আপনাকে রেসিপি গুলোর জন্য ধন্যবাদ দেয়া হয়নি। গৃহিনী, ব্যস্ত থাকি তাই রেসিপি পড়া আর রান্না করা পর্যন্তই আমার কাজ সীমাবদ্ধ থাকে।
    আজ সময় নিয়ে একটা অনুরোধ করছি, ঈদের জন্য দু একটা রেসিপি দিবেন? আপনার অন্য রেসিপি গুলোর মতোই সহজ, উপকরণও সব হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন। ঈদে শ্বশুর বাড়িতে সবাইকে খাওয়াতে চাই। গতবার চটপটি রান্না করেছিলাম বিশাল বড় হাড়িতে। এবার কী করব ঠিক করতে পারিনি এখনো। যদি আপনি কোন সাহায্য করতেন তাহলে বেশ উপকৃত হতাম।

    Liked by 1 person

  2. ভাই পাচফোড়ন সাথে দিলে কেমন লাগবে খেতে?

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s