গ্যালারি

রেসিপিঃ গুল্লা/গুলশা মাছের ঝোল (সহজ মাছ রান্না)


মাছে ভাতে বাঙ্গালী। মাছ আমাদের দেশের প্রিয় খাবার। ফলে মাছ প্রায় প্রতিটা ঘরে রান্না হয়ে থাকে, মাছ রান্নায় তেমন জটিলতা নেই, ঘরে থাকা সামান্য মশলাপাতি দিয়ে আমরা এই রান্না করে ফেলতে পারি। যাই হোক, সেদিন অফিস থেকে রাতে ফেরার পথে বাজারে নেমে ছিলাম, আজকাল প্রায় প্রতিটা মাছ বাজারে তাজা বা জ্যন্ত মাছ বিক্রির ব্যবস্থা গড়ে উঠছে, রুই কাতলা তেলাপিয়া থেকে প্রায় সব মাছ পানির বিরাট জারে রেখে বিক্রি করা হচ্ছে, তবে এই মাছ গুলোর দাম বেশী, মধ্যবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে! যাই হোক, গতকাল রাতে এমনি পানিতে তাজা বড় সাইজের গুল্লা (এটার অন্য নাম থাকতে পারে, টেংরা মাছ গুলো বড় সাইজ এই মাছ) বা গুলশা ও পুটি মাছ দেখে না কিনে থাকতে পারি নাই! কি আছে জীবনে, টাকা মাটি, মাটি টাকা?

মাছ গুলোর সাইজ বেশ। পুটি গুলোর সাইজ, অসাধারণ।


যাই হোক, বাসায় এনে স্ত্রীর কাছে কয়েকটা মাছ কেটে দিতে বললে তিনি প্রায় বিনা বাক্যে রাজি হয়ে পড়েন, মাছ গুলো দেখে নিজেও খুশি হন কিন্তু দাম শুনে বললেন, তোমাকে ঠকিয়েছে! তবে রান্নার পর খেতে বসে বলেন, বেশ মজাদার!

নুতন যারা মাছ রান্না করতে চান সেই স্কল বন্ধুদের জন্যই এই রান্না। মাছ রান্না খুব সহজ কাজ আর তাজা মাছ হলে তো কোন কথাই নেই! আমাদের দেশীয় মাছ গুলো খুব কম মশলা পাতি দিয়ে রান্না করা যায় এবং খেতেও বেশ মজাদার। চলুন দেহে ফেলি।

উপকরন ও পরিমানঃ (ছবি দেখে পরিমান আপনি নিজেও অনুমান করতে পারেন)
– মাছঃ বড় সাইজের ৬টা (এই মাছের এটাই সব চেয়ে বড় সাইজ)
– পেঁয়াজ কুঁচিঃ মাঝারি কয়েকটা
– টমেটোঃ পাকা, একটা কুঁচি
– রসুন বাটাঃ এক চা চামচ (দেশী)
– গুড়া মরিচঃ হাফ চা চামচ (ঝাল বুঝে)
– হলুদ গুড়াঃ হাফ চা চামচ (রঙ গাড় করতে আর একটু বেশী দিতে পারেন)
– কাঁচা মরিচঃ কয়েকটা
– লবনঃ পরিমান মত (দুই চিমটি কম বেশী দিয়ে শুরু)
– তেলঃ ৬/৭ টেবিল চামচ
– পানিঃ হাফ কাপের কম

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০


ছবি ১১


ছবি ১২


ছবি ১৩


ছবি ১৪


ছবি ১৫


ছবি ১৬, পুরা পাতিল নিয়েই খাবারের টেবিলে চলে আসতে পারেন।


ছবি ১৭, পরিবেশন করুন। বাজারে তাজা পেলে কিনে নিয়ে নিজেই রান্না করে নিতে পারেন, স্বাদ মুখে লেগে থাকবে অনেকদিন!


ছবি ১৮, কিছু না!


ছবি ১৯

সবাইকে শুভেচ্ছা। আসছি আরো আরো মাছ ও অন্যান্ন রান্না, আশা করি সাথে থাকবেন।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

One response to “রেসিপিঃ গুল্লা/গুলশা মাছের ঝোল (সহজ মাছ রান্না)

  1. অনেক দিন পর আপনার মেল পেলাম। আগে প্রতি সোম বার পেতাম। যাই হোক, আজ আপনার রেসিপি ট্যাঁগরা মাছ দেখলাম। আমার মনে হয় মাছ টাকে আগে লবন হলুদ লাগিয়ে ভেজে নিয়ে রান্না করলে বেশি ভাল হবে।
    চন্দন বসু, নিউ দিল্লি

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s