Gallery

রেসিপিঃ ফলি মাছ ভাঁজা (সহজ ও সাধারন)


বাসায় ফিরে দেখলেন রান্না তেমন কিছু নাই! কিন্তু খেয়ে ঘুমাতে হবেই! ফ্রীজে দেখলেন কিছু ফলি মাছ আছে, আমার মতে এই ফলি মাছ নিয়েই আপনি আপনার রান্না শুরু করতে পারেন। ফলি মাছে কাঁটা আছে, এটা ভেবে বসে থাকলে চলবে না! দুই চুলা থাকলে এক চুলায় ভাত বসিয়ে অন্য চুলায় ফলি মাছ ভাজার ব্যবস্থা করুন। চলুন ফলি মাছ ভাঁজার রেসিপি দেখে ফেলি। যারা নুতন রান্না করছেন তাদের জন্য আশা করি দারুন কাজে লাগবে।

উপকরন ও পরিমানঃ (পরিমানের অনুমান আপনিও করতে পারেন)
– ফলি মাছঃ ৪০০ গ্রাম (অনুমানিক)
– গুড়া মরিচঃ এক চা চামচের চার ভাগের একভাগ বা সামান্য বেশি (ঝাল বুঝে)
– হলুদ গুড়াঃ এক চা চামচের চার ভাগের একভাগ বা সামান্য বেশি
– লেবুর রসঃ এক চা চামচ (লেবু না থাকলে ভিনেগার দিতে পারেন)
– লবনঃ পরিমান মত (দুই চিমটি কম বেশী)
– তেলঃ ৮/১০ টেবিল চামচ (গা গা তেলে ভাজাই উত্তম)

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১, উপরে উল্লেখিত মশলা/ভেজষ দিয়ে ভাল করে মাখিয়ে কিছু সময়ের জন্য রেখে দিন। লেবুর রস না থাকলে সামান্য ভিনেগার দিতে পারেন। (তবে এভাবে মেখে ফ্রীজের নরমাল চেম্ভারে ঘন্টা খানেক রেখে পরে বের করে এনে ভাঁজলে আরো মজা পাওয়া যাবে)

মুল রান্নাঃ

ছবি ২, ফ্রাই প্যানে তেল ভাল করে গরম করে নিন।


ছবি ৩, এবার মাছ গুলো দিন।


ছবি ৪, যে কোন মাছ ভাঁজার একটা নিরাপদ দূরে থাকুন, মাছ ফুটতে পারে বা তেলের ছিটা হতে পারে, কাজেই মাছ ভাঁজার অতিরিক্ত সতর্কতা দরকার।


ছবি ৫, এক পিট হয়ে গেলে অন্য পিট উলটে দিন।


ছবি ৬, মাঝে এভাবে সাইড গুলো ভেঁজে নিতে পারেন। আগুন মাঝারি আঁচে থাকবে।


ছবি ৭, রঙ দেখেই বুঝা যায় হয়ে গেছে! তবে চাইলে আরো একটু কড়কড়ে করেও ভেঁজে নিতে পারেন।


ছবি ৮, ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ৯, আহ।


ছবি ১০, ওহ! সাথে গরম ভাত আর ডাল!


ছবি ১১, মাছের ভেতরটা দেখুন!

আমি এই ফলি মাছ পেলেই কিনি এবং এভাবে ভাঁজে খেতে পছন্দ করি! আপনিও একবার এভাবে ভেঁজে দেখতে পারেন। আশা করি ভাল লাগবে।

মাছ ভাঁজায় নিজকে চুলার কাছে সতর্ক রাখুন এবং মাছ যদি ফ্রাই প্যানে বা কড়াইয়ে লেগে যায় তবে আগুন নিবিয়ে তেল একটু ঠান্ডা হতে দিন, আপনা আপনি উঠে যাবে। তবে যে মাছের চামড়া মোটা সেই সব মাছ ভাঁজাতে চিন্তা তেমন একটা লাগে না! মাছ ভাঁজা করতে গিয়ে চুলার ধার ছেড়ে অন্য কোথায়ো যাবেন না, সামান্য ভুলে এসে দেখবেন মাছ পুড়ে ছাই! পরে শুধু আফসোস করবেন!

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s