Gallery

রেসিপিঃ স্টিক নুডলস উইথ এগ (সহজ রান্না, ব্যচেলর্সদের রান্নায় আমন্ত্রন)


বাসায় ফিরে দেখলেন ঘরে তেমন কিছু নেই কিংবা বিকাল সকালের নাস্তায় কিছু একটা রান্না করা দরকার। এই অবস্থায় পড়ে খুব সহজে একটা মজাদার রান্না করে নিতে পারেন। রান্না এত সহজ যে, আপনার আগ্রহই যথেষ্ট! আমি মনে করি, এই রান্নার ছবি গুলো দেখেই আপনি একটা বেসিক রান্না পেয়ে যাবেন, সাথে নিজের কিছু ইনোভেশন যোগ করলে তো কথাই নাই!

রান্না আসলে ভালবাসা এই সামান্য রান্নাতেই প্রমান হবে। চলুন দেখে ফেলি। শুধু ছবি গুলো খেয়াল রাখলেই হল।

একটা হাড়িতে পানি গরম দিয়ে দিন।

উপকরনঃ
– এক প্যাকেট স্টিক নুডলস (প্যাকেটের ভিতরে মশলা থাকে)
– মাঝারি দুইটা পেঁয়াজ কুঁচি, কম বেশি
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (শিশুদের জন্য হলে একটা বা দুইটা)
– ডিম, একটা বা দুইটা, ইচ্ছা
– কয়েক চামচ তেল, একটু বেশি কম তাতে কি (তবে কম তেলে রান্না করতে মনোযোগ বেশি দরকার)
– লবন, বুঝে দেখে

প্রস্তুত প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১, পানি গরম হয়ে গেলে নুডলস গুলো সামান্য ভেঙ্গে দিয়ে দিন।


ছবি ২, আগুন মাঝারি আঁচে থাকবে।  নুডলস গুলো নরম হইয়ে যাবে, লক্ষ রাখতে হবে, যেন একদম গলে না যায়। দাঁতে দিয়ে দেখতে পারেন।


ছবি ৩, নুডলস গুলো নরম হয়ে এলে তা চাকুনিতে ফেলে ধুয়ে নিন।


ছবি ৪, এই সময়ে অনেকে সামান্য তেল দিয়ে মাখিয়ে নেয় যাতে নুডলস গুলো গায়ে গায়ে না লেগে যায়, তবে এটা আপনার ইচ্ছা। আপনি ধুয়ে,ভাল করে নাড়িয়ে রেখে দিতে পারেন।

মুল রান্নাঃ

ছবি ৫, মুল রান্নায় আসুন। এবার অন্য একটা কড়াইতে কয়েক চামচ তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি ও মরিচ কুঁচি সামান্য লবন যোগে ভাঁজুন।


ছবি ৬, ভাঁজা হয়ে গেলে আগুনের আঁচ কমিয়ে দিন। (এবং এই ফাঁকে ডিম গুলো একটা বাটিতে ফাটিয়ে নিন। )


ছবি ৭, এবার ডিম গুলো এভাবে কড়াইতে দিয়ে দিন।


ছবি ৮, হাতে খুন্তি রাখুন।


ছবি ৯, একটু একটু করে শক্ত হতে থাকবে।


ছবি ১০, এবার খুন্তি দিয়ে উলটা পালটা করে ভেঙ্গে ঝুরা করে নিন।


ছবি ১১, ঝরঝরে হয়ে যাবে।


ছবি ১২, এবার নুডলস গুলো দিন।


ছবি ১৩, আগুনের আঁচ একটু বাড়িয়ে দিন।  ভাল করে মিশিয়ে নিন।


ছবি ১৪, এবার প্যাকেটের ভিতরে পাওয়া মশলার প্যাকেটটা খুলে সব মশলা ছিটিয়ে দিন।


ছবি ১৫, ভাল করে মিশিয়ে নিন। নাড়ান, প্রয়োজনে আগুন কমিয়ে দিন।


ছবি ১৬, ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন। লাগলে দিন, না লাগলে ‘ওকে’ বলে আগে বাড়ুন। কয়েক মিনিট আগুন বাড়িয়ে নাড়িয়ে নামিয়ে নিন।


ছবি ১৭, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৮, সকাল বিকেলের নাস্তায় এই সহজ রান্না চলতেই পারে। শিশু কিশোর সবাই এই রান্না পছন্দ করবেই। তবে আপনি চাইলে এই রান্নায় আরো কিছু সবজি, চিকেন লাগিয়ে আরো মজাদার করে নিতে পারেন।


ছবি ১৯, সস দিয়ে মন্দ নয়! এই নিন আপনার প্লেট!

সবাইকে শুভেচ্ছা। আমাদের সাথে থাকুন, আমরা আসছি আরো আরো মজাদার রেসিপি নিয়ে।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

(এই ধরনের রান্না আগেও অনেক দেখানো হয়েছে। আপনি আপনার পছন্দ মত সার্চ দিয়ে আরো রান্না দেখে নিতে পারেন।)

Advertisements

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s