Gallery

রেসিপিঃ কচুর ফুলের রান্না (গ্রামীন রান্না)


বর্ষাকালে কচুর ফুল ফুটে। গ্রাম বাংলায় এই দৃশ্য দেখতে খুব ভাল দেখায়। গ্রামে সেখানে সেখানে কচুর গাছ দেখা যায়। এখন এটা আমাদের একটা নিত্য সবজি (অবশ্য আগে মানুষ কচুর পাতা, লতি, ফুলের দিকে ফিরেও চাইত না, কালের বদলে এখন কচুর পাতা, লতি, ফুল সবই আমাদের খাদ্য, বাজারেও দেদারসে বিক্রি বাট্টস হচ্ছে)। যাই হোক আমি নিজেও কচুর পাতার রান্না ও লতি পছন্দ করি, শুঁটকী দিয়ে লতি তো বছরে দুই একবার খেয়েই থাকি! কচুর পাতার রান্না আমি গ্রামে গেলে হয়েই থাকে। কিন্তু কচুর ফুল অনেক দিন চোখেও দেখি নাই! হয়ত আমি গ্রামে গেলে কচুর ফুলের সময় ছিল না! শেষ কবে কচুর ফুলের রান্না খেয়েছি, মনে করতে পারবো না! তবে কচুর ফুলের যে একটা চমৎকার রান্না আছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। স্বাদ কিছুটা হলেও অনুমান করতে পারছি!

যাই হোক, কয়েকদিন আগে বাজারে পেয়ে দুই মুট কচুর ফুল কিনে ফেলি ২০ টাকা দিয়ে! রান্না কিভাবে করলে ভাল হবে তা ভেবে সময় কাটিয়ে, মা’কেই ফোন দিলাম। তিনি ফোনে যা বলেছেন তাতে রান্না চলে কিন্তু তিনি বললেন বাজার থেকে অড়হর ডাল কিনে নিয়ে ভেঁজে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে সেই ডালের সাথে সামান্য শুঁটকী মাছ দিয়ে কচুর শাঁকের মত করে রান্না করতে। এই ডাল এই শহরে পাওয়া যায় কি না আমার জানা নেই। তবে ডাল ছাড়া বাকী ফর্মুলা মনে ধরলো।

যাই হোক, পরে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিতে কয়েকজন রান্নার নিয়ম বলে দিলেন। ফ্রীজে থাকা কিয়েক্টা চিংড়ি দিয়ে আমি যাথাযত রান্না শুরু করলাম।

রান্নার উপকরন উলেখ না করে আপনাদের জন্য শুধু ছবি পোষ্ট করে দিলাম। আপনারা নিশ্চয় অনুমান করতে পারবেন। চলুন।

ছবি ১


ছবি ২, ডাটা নেয়ার দরকার নেই। শুধু ফুলই যথেষ্ট।


ছবি ৩


ছবি ৪, লবন পানিতে সিদ্ধ করে নিতেই হবে, নতুরা গলা ধরতে পারে কারন বাজারের কচু কোথা থেকে এসেছে কে জানে!


ছবি ৫, মুল রান্না, সাধারন প্রদ্ধতি।


ছবি ৬


ছবি ৭, চিংড়ি মাছ!


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০, দুই চুলায় রান্নার মজাই আলাদা। সব কিছুই জলদি, সময় বাঁচে।


ছবি ১১


ছবি ১২


ছবি ১৩


ছবি ১৪


ছবি ১৫


ছবি ১৬


ছবি ১৭


ছবি ১৮


ছবি ১৯


ছবি ২০, লবন স্বাদ দেখুন। গলা ধরে কি না, সামান্য খেলেই বুঝতে পারবেন। গলা ধরলে লেবুর রস বেশি দিতে হবে।


ছবি ২১, লেবুর রস ও ধনিয়া পাতার কুঁচি।


ছবি ২২, পরিবেশনা। গরম ভাতের সাথে অপূর্ব।

সবাইকে শুভেচ্ছা। আনন্দে কাটুক আমাদের সবার জীবন।

Advertisements

8 responses to “রেসিপিঃ কচুর ফুলের রান্না (গ্রামীন রান্না)

  1. Vaia kocur fule shimer bici tele dile darun akta test pawa jai
    (aia dadu theke sikhcilam)

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ ব্রাদার।
      আমিও ছোট বেলায় সিমের বিচি দিয়ে ফুল রান্না খেয়েছি। আমাদের বাড়িতে কিন্তু এখন এই রান্না আর কেহ রান্না করে বলে মনে হয় না। যাই হোক, এবার বাড়ী গেলে এই রান্না অবশ্যি চেষ্টা করবো, যদি ফুল পেয়ে থাকি।
      শুভেচ্ছা।

      Like

  2. রসুন দিলে তো গলায় কচুর ফুলের চুলকানি কম হওয়ার কথা, আমিও বাজারে এই ফুল গুলো দেখেছি..কিন্তু রান্না করার সাহস পাইনি….এখন রেসিপি দেখলাম …ট্রাই করব।
    ধন্যবাদ…আপনার নতুনত্বের জন্য।

    Liked by 1 person

  3. মাহমুদা খাতুন শিরীন

    আপনার এলাকায় কচুর ফূল ভাজির মত করে, খেতে ভালোই লাগে। আ্পনার কাছে ভর্তার মতো করে শিখে নিলাম, ধন্যবাদ ভাই।

    Liked by 1 person

  4. এই রেসিপিটার ব্যাপারে আপনাকে ফেবুতে জিজ্ঞেস করেছিলাম। আজ খুঁজে পেলাম। ধন্যবাদ।

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s