গ্যালারি

রেসিপিঃ চাল কুমড়ার সাধাসিধা রান্না (বহুত স্বাদ আছে)


চাল কুমড়ার সাধারন রান্না। অনেকে এই কুমড়াকে ঝালি কুমড়াও বলে থাকেন, নামে কি আসে যায়, কর্মেই পরিচয়! আমি চান্স পেলেই চাল কমড়া কিনি, চাল কুমড়া খেতে আমার ভাল লাগে। খুব সামান্য মশলা দিয়ে রান্না করলে অসাধারন লাগে, সাদা ভাত কিংবা রুটি বা পরোটা দিয়ে খেতে আনন্দ লাগে।

চাল কুমড়া একটু দেখে কেনা ভাল, কচি হলে রান্না জমে ভাল।


চাল কুমড়া এভাবে কেটে সামান্য লবন দিয়ে হাফ সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। শুধু চাল কমড়া হলেও চলে কিংবা একটা আলু একই ভাবে কেটে দিতে পারেন, এতেও রান্না ভাল হবে।

চলুন রান্না দেখে ফেলি। এই রান্না কিছু চিংড়ি দিয়ে করা হয়েছে, আপনারা চাইলে চিংড়ি না থাকলে এক টুকরা মাছ দিয়েও রান্না করতে পারেন, স্বাদ গ্যারান্টিড থাকলো।

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
– চাল কুমড়া/ঝালি, হাফ কেজি (কিছু কম বেশী হবে বলে মনে হয়েছিল)
– ৮/১০ টা চিংড়ি (বেশী দিলে বেশী স্বাদ)
– পেঁয়াজ কুঁচি, চার/পাচ টেবিল চামচ
– আদা বাটা, এক চা চামচ
– রসুন বাটা, দুই চা চামচ
– মরিচ গুড়া, হাফ চা চামচ বা দুই চিমটি, কম বেশী ঝাল বুঝে
– হলুদ গুড়া, হাফ চা চামচ
– কাঁচা মরিচ, কয়েক টা
– লবন, পরিমান মত (দিতে হবে দুই দফায়)
– তেল, ৮/১০ টেবিল চামচ কম বেশি
– পানি (পরিমান মত)

এক্সট্রাঃ ধনিয়া পাতার কুঁচি (থাকলে ভাল, না থাকলে নাই)

প্রস্তুত প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১, কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভাঁজুন।


ছবি ২, পেয়াজ হলদে হয়ে গেলে, আদা ও রসুন দিন এবং ভাঁজুন।


ছবি ৩, মরিচ গুড়া ও হলুদ গুড়া দিন।


ছবি ৪, এই রকম দেখাবে। কাঁচা মরিচ ছিরে দিন।


ছবি ৫, এবার চিংড়ি গুলো দিয়ে দিন।


ছবি ৬, ভাল করে মিশিয়ে নিন। আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে।


ছবি ৭, এবার পানি ধরিয়ে রাখা কুমড়া গুলো দিয়ে দিন।


ছবি ৮, মিশিয়ে নিন।


ছবি ৯, আগুনের আঁচ অল্প করে দিয়ে ঢেকে রাখুন।


ছবি ১০, আবার মিশিয়ে বা নাড়িয়ে নিন। চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না।


ছবি ১১, এবার ঝোলের পানি দিয়ে আগুন বাড়িয়ে দিন।


ছবি ১২, এবার ধনিয়া পাতার কুঁচি এবং কাঁচা মরিচ (যদি ইচ্ছা হয়) দিন এবং মিশিয়ে কয়েক মিনিট রেখেই নামিয়ে ফেলুন। তবে লবন স্বাদ দেখতে ভুলবেন না। লাগলে দিন, মনে রাখুন লবন স্বাদ সঠিক না হলে যে কোন রান্নাই ভাল লাগে না ফলে চামচ দিয়ে ঝোল ঠান্ডা করে ভাল করে দেখুন।


ছবি ১৩, ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৪, দারুন স্বাদ। একবার রান্না করেই দেখুন। সাদা ভাত কিংবা রুটি পরোটার সাথে জমিয়ে খেয়ে নিন।

রান্নাটা নুতন রান্না যারা করবেন তাদের কথা চিন্তা করেই রান্না হয়েছে, যাতে রান্না খুব সহজেই বোঝা যায়। আমি মনে করি এই ধরনের রান্না করেই হাত বানিয়ে নিতে হয়। এই ধরনের রান্না গুলো করলে খুব সহজেই বোঝা যায় কোথায় কি কি করতে হবে, কি করলে আরো ভাল হত ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে পরের রান্নাটাই জমে উঠবে নিশ্চিত।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

One response to “রেসিপিঃ চাল কুমড়ার সাধাসিধা রান্না (বহুত স্বাদ আছে)

  1. রান্নার ছবি দেখেই জিভে জল এসে গেল। আমরা পশ্চিম বাংলায় এই রান্নায় পেঁয়াজ রসুন ব্যবহার করি না। একবার এই পদ্ধতিতে রান্না করে দেখতে হবে।

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s