Gallery

রেসিপিঃ গোশত রান্না (বাটা সরিষা দিয়ে)


গোশত রান্নার রেসিপির অভাব নেই তবুও যখন গোস্ত রান্না হয় বসে থাকতে পারি না, নুতন কিছু দেখানোর চেষ্টা করি। আজ আপনাদের তেমনি সামান্য নুতন মশলা মানে সরিষা বাটা যোগে গোশত রান্না দেখাবো, আগেই বলে নেই খেতে স্বাদ হয়েছিল, ঘ্রান একটু আলাদা হয়েছিল। আর একটু ঝাল বেশী দেয়া হয়েছিল! হা হা হা, আপনি চাইলে ঝাল কম করে নিতে পারেন, ব্যাপার না।

চলুন, দেখে ফেলি। হাতে তেমন সময় নেই, সময়াভাবে আজকাল কত কিছু করছি না। যা একটু ভাল লিখতে পারতাম তাও হচ্ছে না। লিখার পরিবেশ পাই না বলেই চলে, এত তাড়াহুড়া করে কি আর লিখা যায়, কি আর বলা যায়। একটা রান্না করে সুন্দর করে সাজিয়ে লিখতে কমের পক্ষে ২ থেকে ৩ ঘন্টা প্রয়োজন, সেটা যোগাড় করা মুস্কিল হয়ে পড়ছে, সাহায্যের হাত কেহ দিতে চায় না! মনে হয় সব যাদু দিয়ে করে ফেলি, সময়ের দরকার নেই! যাই হোক, তবুও আপনারা আমাদের রেসিপি পড়তে আসেন, এটা আমাদের সৌভাগ্য বলে মনে করি। আশা করি আগামীতে আপনাদের আরো আরো বেশী গল্প শুনাতে পারবো, কথা বলতে পারবো। আমাদের সাথেই থাকুন, সময় কাটুক আনন্দে। কখন কার জীবনে কি ঘটে কে জানে? আমি নিশ্চয় সময় পাব, মনের মত করে মাধুরী মিশিয়ে লিখার জন্য! আপনাদের দোয়া চাই সব সময়েই।

উপকরন ও পরিমানঃ
– গরুর গোসতঃ ৮০০ গ্রাম প্রায়, হাড় গোড় চলে
– পেঁয়াজ কুঁচিঃ হাফ কাপের কম
– রসুন বাটাঃ ২ চা চামচ
– আদা বাটাঃ ২ চা চামচ
– সরিষা বাটাঃ ২ চা চামচ
– দারুচিনিঃ ২ সেমি, ২/৩ টুকরা
– এলাচিঃ ৩/৪ টা
– লাল মরিচ গুড়াঃ এক চা চামচ (ঝাল বুঝে)
– হলুদ গুড়াঃ এক চা চামচ
– জিরা গুড়াঃ এক চা চামচের কম
– লবনঃ পরিমান মত, দুই ধাপে
– তেলঃ হাফ কাপের কম (চর্বি থাকলে আরো কম দিতে পারেন)
– পানিঃ পরিমান মত, ঝোল থাকবে না তবে গোশত নরম হতে যে পরিমান লাগে
– কাঁচা মরিচঃ কয়েকটা, দুই ধাপে দিন

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০


ছবি ১১, গোশত সিদ্ধ হয় নাই বলে আবার এক কাপ পানি দিতে হল।


ছবি ১২


ছবি ১৩


ছবি ১৪


ছবি ১৫


ছবি ১৬


ছবি ১৭

সবাইকে শুভেচ্ছা। আমরা আসছি, আরো আরো রেসিপি নিয়ে।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

6 responses to “রেসিপিঃ গোশত রান্না (বাটা সরিষা দিয়ে)

  1. Gorur gosto ekhon kg 400 tk….!!

    Liked by 1 person

  2. It would really be of great help if you can let us know how long it took to get from picture#1 to #5.

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ আপনাকে।
      এই ধরনের রান্নায় সময় সাধারনত আগুনের আঁচের ও রান্না করা পাত্রের উপর নির্ভর করে। তবে মাঝারি আঁচে রাখলে ১-৫ আসতে সময় নিবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তবে রান্নায় এটা একটা প্রধান কৌশল, এই ঝোল স্বাদ হলে ধরে নিতে হবে তরকারী স্বাদ হবেই। মশলার ঘ্রান শুঁকেও বুঝতে পারবেন। রান্না অভিজ্ঞতার বিষয় এই জন্যই। মুলত তেলে পেঁয়াজ হলদে হয়ে এলে পানি দিতে হয়, এবং এই পানি রেখেই মশলা কষিয়ে নিতে হয়। যারা অভিজ্ঞ তারা আবার পানি ব্যবহার করেন না, টাইম রং দেখেই পরের কাজ চালিয়ে যান। তেল উঠে গেলেই হল। তবে এই সময়ে কিছুতেই চুলার ধার ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত নয়, সামান্য বেখেয়ালেই পুড়ে যেতে পারে, তরকারী স্বাদ হারিয়ে ফেলবে।
      গোশত রান্নার আরো অনেক রেসিপি আছে, দুই একটা দেখলেই বুঝে যাবেন। ছবির নিচে বর্ননা দেয়া আছে।
      শুভেচ্ছা নিন।

      Like

  3. Thank you for taking the time out of your busy schedule and explaining; much obliged.

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ আপনাকে।
      এটা আমার ভালবাসা। আমি নিজে প্রবাসী ছিলাম, আমি জানি রান্না না জানার কষ্ট কি? আমি এটা চিন্তা করেই এই ব্লগ শুরু করি, কারো উপকার হলে নিজে ধন্য মনে করি এবং এটা আমি করেই যেতে চাই।
      শুভেচ্ছা। আশা করি সাথে থাকবেন।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s