Gallery

রেসিপিঃ গাজরের হালুয়া (মন ভুলানো কারবার)


অনেক ভেবে দেখেছি, দুনিয়াটা আসলে হালুয়া রুটির ভাগাভাগি বটেই। ফলে হালুয়া রুটি আমাদের প্রিয় খাবার! বাংলাদেশী বাঙ্গালীরা সারা জীবন হালুয়া খেয়ে আসছে, খাবে এবং যত দিন এই প্রিয় দেশ আছে ততদিন আমরা হালুয়া রুটি খেয়েই যাব। মানে যা বলছিলাম, এই দেশে যার শক্তি বেশী তার হালুয়াতে ভাগ বেশী, সে অন্যদের তুলনায় বেশী খায় বটেই! দেশের জন্য মায়া হয়! যাই হোক, দেশ নিয়ে চিন্তা করে আর কি হবে? আমাদের মত সাধারন নাগরিকের ঘরে বসে প্রিয় জনদের সাথে সামান্য বাস্তব হালুয়া খেতে পারলেই হল।

চলুন আজ আমরা গাজরের হালুয়ার রেসিপি দেখি। আজকাল বাজারে প্রচুর গাজর পাওয়া যাচ্ছে, কাজেই এটা যোগাড় করা তেমন ব্যাপার না। আমি মনে করি এই গাজরের হালুয়ার প্রায় সব কিছুই আপনার নাগালের মধ্য, যদি ঘরে শুধু ঘি না থাকে তবে কয়েক চামচ যোগাড় করুন, ব্যস। চলুন রান্নাঘরে!

উপকরনঃ (হাফ কেজি কম বেশী হালুয়ার জন্য)
– গাঁজর ৬০০ গ্রাম (ছিলে কেটে কুটে যা থাকে)
– দুধ, হাফ কেজি (জ্বাল দিয়ে এক কাপে নামিয়ে নিতে হবে, ঘন দুধ)
– চিনি, এক কাপ কম বেশী (যারা অধিক মিষ্টি পছন্দ করে তাদের জন্য বেশী)
– এলাচি, দুইটে/তিনটে
– কিসমিস, কয়েকটা
– ঘি, তিন টেবিল চামচ
– তেল, ৮/১০ টেবিল চামচ
– বাদাম সহ নানান শুকনা ফলাদি (সাজানোর জন্য, না হলে নাই)
– পানি, হাফ কাপের বেশী (গা গা সিদ্ধ করার জন্য)

প্রনালীঃ

ছবি ১, গাঁজর ধুয়ে ছিলে নিন।


ছবি ২


ছবি ৩, কেটেও কুঁচি কুঁচি করতে পারেন।


ছবি ৪, গা গা পানিতে সিদ্ধ করুন।


ছবি ৫, পানি ফেলে পানি ঝরিয়ে নিন।


ছবি ৬, এবার মিহি করে বেটে বা গ্রাইন্ড করে নিন।

সব কিছু সাজিয়ে নিনঃ

ছবি ৭, উপকরণ গুলো সব সাজিয়ে হাতের কাছে নিলে রান্নায় সময় বাঁচে ও আনন্দ পাওয়া যায়।


ছবি ৮, এবার ঘন দুধ, চিনি, গাঁজর বাটা ভাল করে মিশিয়ে নিন।

মুল রান্নাঃ

ছবি ৯, কড়াই গরম করে তেল ঘি নিন।


ছবি ১০, তেল গরম হয়ে গেলে এলাচি দিন।


ছবি ১১, এবার গাঁজর মিক্স দিন।


ছবি ১২, ভাঁজুন, খুন্তি দিয়ে নাড়াতে থাকুন, চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না। সাবধানে।


ছবি ১৩, দারুণ একটা ঘ্রান বের হবে, পানি শুকিয়ে এমনি হয়ে যাবে। এবার কিসমিস দিয়ে দিন।


ছবি ১৪, ঠিক এমনি হয়ে আসবে। ভাল করে নাড়িয়ে নিন। স্বাদ দেখুন, চিনি কম মনে হলে দিতে পারেন।


ছবি ১৫, রঙ আপনাকে বলে দেবে হয়ে গেল কিনা!


ছবি ১৬, ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৭, বলুন কে খাবে না! সকাল বিকেলের নাস্তায় কিংবা মেহমানের জন্য অসাধারন একটা আইটেম, উৎসবের দিনেও ভাল লাগবে। একবার চেষ্টা করেই দেখুন।

  • রঙের উজ্জলতা বাড়াতে অনেকে ফুড গ্রেডের কালার ব্যবহার করেন, হ্যাঁ, এটা করা যেতেই পারে। ভাল মানের না হলে রঙ দেয়া উচিত নয়। আমরা এই রান্নায় কোন রঙ ব্যবহার করি নাই, তাতেই কালার ভাল এসেছে, আশা করি আপনিও রঙ ব্যবহার করবেন না।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

6 responses to “রেসিপিঃ গাজরের হালুয়া (মন ভুলানো কারবার)

  1. Shadat bhai… kalke ami 2nd Son’er baba hoyesi….
    Thanks ei Halua recipe share korar jonno…..misti mukh diye annodo…

    Fyi…1st Son age–4 years.
    Pls doa korben…..

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s