গ্যালারি

রেসিপিঃ বত্তার শাক ভাঁজি (সাধারন)


বাজারে যে কোন নুতন শাক চোখে পড়লে কিনে ফেলা আমার একটা কাজ হয়েছে! আমি আমাদের দেশে পাওয়া সব ধরনের শাকের স্বাদ নিতে চাই, তবে বাজারে প্রচলিত অনেক শাকের স্বাদ নিতে পারলেও এখনো অনেক শাক বাকী বলে আমার বিশ্বাস। আমাদের দেশে এক এক অঞ্চলে এক এক রকমের শাক পাওয়া যায় সেই শাক ওই অঞ্চল ছাড়া অন্য কোথায়ও পাওয়া যায় না। কাজে কাজেই আমার এখনো অনেক শাক খাবার বাকী আছে।

এদিকে আমি নুতন যে কোন শাক কিনে আনলেই প্রথমেই সেই শাকের ভাজি খেতে চাই। কারন আমার মনে হয় ভাঁজিতে শাকের ভাল স্বাদ ও ঘ্রান পাওয়া যায়। শাকের রিয়েল টেষ্ট পেতে হলে এর চেয়ে আর ভাল কি! রান্না বা ঝোলে রান্নায় শাকের অনেক স্বাদ বাড়লেও আমি একটু রিয়েল চাই! আর ২য় দফায় সেই শাক পেলে আমি মাছ ভেঙ্গে রান্না করতে চাই।

চলুন একটা শাক ভাজি দেখি, এই শাককে বত্তার শাক বলা হয় বলে জানি, আপনাদের অঞ্চলে অন্য নামে পরিচিত হতে পারে। আমি কয়েকবার খেয়েছি। আমার কাছে ভাল লেগেছে। তবে শুনেছি এই শাক নাকি ডাল দিয়ে রান্না করলে আরো ভাল লাগে।

পরিমান ও উপকরনঃ (পরিমান আপনিও অনুমান করতে পারেন)
– কেজি খানেক শাক (বেছে কেটে কুটে যা থাকে)
– পেঁয়াজ কুঁচি
– কাঁচা মরিচ
– রসুন কুঁচি
– শুকনা মরিচ

– লবন
– তেল

প্রস্তুত প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)
শাকে ভাপিয়ে নেয়াঃ ১ম দফা

ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪

মুল রান্নাঃ ২য় দফা

ছবি ৫ *


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮

দারুন স্বাদ। আগামীতে আবারো পেলে কিনবো এবং মাছ ভেঙ্গে বা ডাল দিয়ে রান্না করে দেখবো।

সবাইকে শুভেচ্ছা। আমাদের সাথে থাকুন, নিয়ে আসছি আরো আরো মজাদার রান্না ও গল্প!

Advertisements

8 responses to “রেসিপিঃ বত্তার শাক ভাঁজি (সাধারন)

  1. ইন্টারেসটিং, এই শাকটা কমন পড়ে নাই, আগে দেখি নি….. রান্না করার পর দেখতে কিছুটা পাটশাকের মত হয়েছে, খেতেও কী সেরকমই?

    দেশে শাকের বৈচিত্র আসলেই স্পেশাল একটা ব্যাপার। আচ্ছা ঢেঁকি শাক কী এখন পাওয়া যায়? আপনার ব্লগে উল্লেখ পেলাম না। এই শাক আর মুগের ডালের ভাজি অসাধারণ সুস্বাদু হয়। আর পাটশাক তো তিতাও হতো, আবার হালকা মিষ্টিও হতো কোনো কোনটা। আগে আমি বা আব্বা শাক দেখে বুঝতামনা যে কোনটা তিতা আর কোনটা মিষ্টি, তবে পলাশীর বাজারের একজন শাক বিক্রেতা ঠিক ঠিকই চিনতেন কোনটা তিতা আর কোনটা মিষ্টি, আমরা যেটা চাইতাম সেটা বেছে দিতেন 🙂 অনেকে পাটশাক রোদে শুকিয়ে একেবারে মচমচে করে নিতেন, সেটার সাথে আস্ত শুকনো মরিচ আর পেঁয়াজ মিশিয়ে তেলে ভেজে, আহা সেটাও খুব মজার ছিলো!

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ রনি ভাই।
      ঢাকার বাজারে ঢ়েকি শাক আমার চোখে পড়ে নাই। তবে গ্রামে এই শাক আমি একবার খেয়েছিলাম। দেখি আগামীতে পেলে রান্না করে খাব।
      বাজারে পাট শাক এখনো উঠে নাই, তবে পাট শাক কিনতে শাকের পাতা ছিঁড়ে নাকে ঘ্রান নিলে বা চিবিয়ে দেখলেই বুঝা যায়। তবে ঢাকার বাজারে পাট শাকের মিষ্টি পদেরটাই পাওয়া যায় কারন এটা শাক হিসাবে বিক্রির জন্যই চাষ করা হয়।
      যে কোন ভাঁজা শাকের সাথে শুকনা পোড়া মরিচ ভাল চলে। হা হা হা…
      শুভেচ্ছা নিন।

      Liked by 1 person

  2. Chuto Bela dekhese ai shak aloo khete hoy.tobe kokhono kheyese kena mone porse na.amma ke jeggese korte hobe.shak vaji ta dekhe mone hosse osadharon hoyese.gorom vat deye khete issa korse.dhonnobad vaia atto sondor sondor recipe deye amader help korar jonno.

    Liked by 1 person

  3. শাক বরাবরই আমার খুব প্রিয়। বত্তা শাক আমাদের গ্রাম এলাকায় বাইল্যা শাক নামে পরিচিত। শুদ্ধ বাংলায় বলা হয় বেলে শাক। (বাইল্যা মাছ যেমন বেলে মাছ 🙂 )। ভালো লাগলো আপনার বেলে শাকের রেসিপি। তবে যারা সাধারনত বাজার করেন, (বিশেষ করে ঢাকায়) বা বাজারের আশপাশ দিয়ে যাতায়াত করেন তাদের কাছে মনে হয় শাকটি অপরিচিত হবার কথা নয়।

    শুভেচ্ছা রইলো সাহাদাত ভাই।

    Liked by 1 person

  4. এই বৌত্তার শাকের স্বাদ সত্যিই অসাধারণ! এই শাক তেল ছাড়াও রান্না করা যায়। কেজিখানেক শাকের জন্য প্রথমে পাত্রে ১.৫টেবিল চামচ রসুন বাটা, ১.৫টেবিল চামচ পেয়াজবাটা, পরিমাণ মত লবণ ও শাকদিয়ে এবং১০/১২টি কাঁচামিরচ যোগ করে চুলায় বসান। কাঁচামরিচের সাথে সাথে শাকসিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে যায় যায় এমন অবস্থায় আসলে কাঠের চামচ বা খুন্তি দিয়ে গুতিয়ে গুতিয়ে ভর্তার আকারে নিয়ে আসুন। ব্যস হয়ে গেল তেল ছাড়া শাক রান্না। গরম ভাতের সাথ পোড়া মরিচে১৬ আনা বাঙালিয়ানার স্বাদ পাবেন ১০০% নিশ্চিত।

    Liked by 2 people

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s