Gallery

আড্ডাঃ পৌষ সংক্রান্তি উৎসবের আনন্দ ও খাবার দাবার (প্রথম পর্ব)


দুপুরের পর অফিসে বসে আছি, তেমন কিছু করার নেই। আমাদের ফেবু বন্ধু মামুন ভাইয়ের কত গুলো ছবি দেখে বুঝতে পারলাম, মামুন ভাই পৌষ সংক্রান্তিতে আনন্দ করছেন। ফেবুতে তাই দাওয়াত নিয়ে ফেললাম, মামুন ভাই উনার বাসার ঠিকানা বলে দিলেন, আর কি বসে থাকা যায়। অফিস ছেড়ে রিক্সা নিয়ে পুরান ঢাকার পথে পা বাড়ালাম। অনেক বছর পর পুরান ঢাকায় যাচ্ছি, তবে মামুন ভাইয়ের বাসা ঠিক পুরান ঢাকা বললে কিছুটা ভুল হয়ে যাবে, আচ্ছা ওয়ারীকে পুরান ঢাকা বলা যাবে?


রিক্সা মতিঝিল শাপলা চত্তর পার হল, শাপলার অবস্থা দেখেই দেশের সরকার ও মানুষের রুচির অধপতন বুঝা যায়। আমাদের ছোট বেলায় এটা ছিল একটা সুন্দর এলাকা। সরকার বা তাদের দল যেখানে সেখানে পোষ্টার লাগায় বলে অন্যদের কিছু বলতে পারে না, সারা ঢাকায় যেখানে সেখানেই তাদের পোষ্টার। সব ছেয়ে কষ্ট লাগে ফ্লাইওভার গুলো পোষ্টার লাগিয়ে নষ্ট করে ফেলছে দেখে, দেখার কেহ নাই!


মামুন ভাইদের বাসার ছাদে (১০ তলা) উঠে ঘুড্ডি দেখে মনে আনন্দ এসে যায়।


আর কিসের অপেক্ষা? ঘুড়ি উড়ানোর আনন্দ আলাদা এবং কাটাকাটি খেললে তো মজাই মজা! (ছবিঃ বোন ফারহানা ফেরদৌসি)


মামুন ভাই ঘুড়ি উড়ানোতে আমাকে পূর্ন স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, ফলাফল তিনটে ঘুড়ি কাটা খেয়েছি।


ঘুড়ি উড়ানোতে মামুন ভাই দারুন দক্ষ, বুঝলাম। আমি এই জীবনে হাতে গোনা কয়েকবার উড়িয়েছি।


গানা বাজানার ব্যবস্থা ছিল, সাউন্ড সিষ্টেমেই।


আর লাইটিং, সেটা না থাকলে কি চলে?


শিশুদের আনন্দ ছিল দেখার মত। ১০ তলার ছাদ হলেও পুরাই নিরাপদ এবং খোলামেলা।


বাড়ীর ছাদ থেকে আমাদের যাত্রাবাড়ি ফ্লাই ওভার, উপরে যত পরিস্কার দেখছেন, নীচের রাস্তা ততই অপরিস্কার, উপরের দিক দেখে বুঝবে কে, আমরা গরীব রাষ্ট্র!


প্রায় মরতে বসেছে আমাদের বলদা গার্ডেন। গাছের পাতা গুলো ধুলোতে প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে, রোদ তো চার পাশ থেকেই আটকে গেছে! এই গার্ডেনটার জন্য দুঃখ লাগে তবে বর্তমানে এটা সরিয়ে অন্য কোথায়ও নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।


ব্যস্ততা!


সন্ধ্যা ঘনিয়ে আশার আগেই পুরান ঢাকার বাড়ীর ছাদে শুরু হয়ে গেল আতশবাজী!


প্রায় রাত ৮টা পর্যন্ত  এভাবে চলল! আমার মনে হয়েছে কয়েক কোটি টাকার আতশবাজী করা হয়েছে!

আড্ডাঃ পৌষ সংক্রান্তি উৎসবের আনন্দ ও খাবার দাবার (২য় ও শেষ পর্ব)

One response to “আড্ডাঃ পৌষ সংক্রান্তি উৎসবের আনন্দ ও খাবার দাবার (প্রথম পর্ব)

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s