গ্যালারি

রেসিপিঃ ফুল চিকেন রোষ্ট ও দশ লক্ষ পেইজ হিটের শুভেচ্ছা


প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, ভাই বোন, স্বদেশী প্রবাসী রেসিপি লাভার্স, আপনাদের সবাইকে আমাদের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাদের ভালবাসায় আমরা প্রতিদিন এগিয়ে চলছি। এই ধরনের রেসিপি সাইটে আপনারা আমাদের দেখতে আসেন বলে আমরা যারপরনাই খুশি। আপনারা যারা রান্না ভালবাসেন এবং প্রিয়জনদের জন্য রান্না করেন তাদের জন্যই আমরা আছি, আপনাদের পাশেই। আমরা চেষ্টা করে থাকি কত সহজ করে রান্না আপনাদের কাছে উপস্থাপন করা যায় এবং কত কাছাকাছি হলে আপনারা শুধু ছবি দেখেই রান্না করে ফেলতে পারেন। আমরা বার বার বলে আসছি, রান্না হচ্ছে একটা ভালবাসা, রান্নায় লাগে শুধু মমতা! হা হা হা… কথাটার ব্যাখ্যা দিতে গেলে সাগরের পানি কালি হলেও কম পড়বে!

সামান্য কিছু ব্যাখ্যা দিয়ে কয়েকটা কথা বলে যেতে চাই। আমাদের রান্না গুলো খুব সাধারন, সাধারন মানের এবং আমাদের দৈনিক রান্নাই, পরিবেশনে আমরা কোন আলাদা কিছু করি না, ছবি তোলা হয় খুব সাধারন একটা ক্যামেরায় কখনো মোবাইল দিয়েই। কঠিন এবং বিদেশী রান্না গুলো এড়াতে চেয়েছি (তবুও কিছু রান্না হয়েছে এবং সামনে করবো) কারন আমরা সব সময়ে নুতন যারা রান্না করতে চান, তাদের জন্যই বা তাদের কথা মাথায় রেখেই রান্না সাজাই। বিশেষ করে আমাদের আলাদা দরদ থাকে প্রবাসী ও দেশী ব্যচেলরদের (বিবাহিত ব্যচেলরাও!) জন্য, যারা হাতের কাছে কাউকে পান না, এমনকি জিজ্ঞেস করার জন্যও, আমরা তাদের কথাই আগে চিন্তা করি। আমাদের রেসিপি সাইটে প্রতিদিন নানান দেশ থেকে নুতন ভিজিটর এসে থাকেন যারা সাধারণত নেটে সার্চ করেই আমাদের পেয়ে থাকেন। মুলত বাংলায় আমাদের মত করে, এত সাজিয়ে আর কেহ রেসিপি দিয়ে থাকেন কি না তা আমাদের জানা নেই! সারা দুনিয়ার বাংলা ভাষাভাষীদের আমরা আমন্ত্রন জানাই। আর আপনারা যারা রান্না পারেন, তাদের আমরা সন্মান করি, চোখ বুলিয়ে আপনারা আমাদের রান্না দেখেন বলে আমরা আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ রেসিপি আমরা প্রকাশ করেছি, কিছু রেসিপি দুইবার এসেছে বটেই তবে নুতন করে যখনই আসে তাতে কিছুটা হলেও নূতনত্ব থাকে। রান্না যেহেতু অভিজ্ঞতার ব্যাপার, নুতন রান্না গুলোতে সেই অভিজ্ঞতার ছাপ পড়েই। প্রাসঙ্গিক ক্রমে কিছু কথা বলে যেতে চাই আবারো, আমি এক সময়ে প্রবাসী ছিলাম প্রায় সাড়ে নয় বছর দুনিয়ার নানান দেশে কাটিয়েছি। মুলত তখন আমি রান্না পারতাম না বলে খাবারে অনেক কষ্ট করেছি, কতদিন শুধু বিস্কুট পানি খেয়ে দিন কাটিয়েছিও। অথচ চাইলেই কত সহজে রান্না করতে পারতাম, হাতের কাছেই ছিল কিচেন এবং বাজার করা কোন ব্যাপারই ছিল না। তবে সেই সময়ে নেট তেমন ছিল না বলে রেসিপি খুঁজে পাওয়াও বেশ কঠিন ছিল। এদিকে শেষের দিকে কিছুটা পেলেও সব ছিল ইংরেজীতে এবং পরিবেশনের একটা ছবি দিয়েই সব কিছু বুঝিয়ে দেয়া হত! আগ্রহ থাকলেও শেষে হাত তুলে বসে থাকতাম! হোটেলে খেতে খেতে প্রান যেত, আর সত্য কি বলবো, কখনো টাকার অভাবে বসেও থাকতাম! অথচ রান্না করতে পারলে পকেটে টাকা না থাকলেও কিছু না কিছু ব্যবস্থা করা যায়, প্রবাসী ও ব্যচেলররা আশা করি আমার সাথে একমত হবেন! বেতন পেয়ে একবার বাজার করলে কয়েক মাস কাটিয়ে দেয়া যেত বলে এখন মনে হয়! যাই হোক, অতীত নিয়ে টানাটানি না করে সামনে এগিয়ে চলাই ভাল, যায় দিন খারাপ আসে দিন ভাল (!)!

বাংলা ভাষায় নানান ব্লগ লিখতে গিয়েই এক সময়ে এভাবে রেসিপি লিখার কথা মাথায় আসে (বাংলায় তেমন ডিটেইলস রেসিপি এখনো পাওয়া মুস্কিল) এবং লিখতে শুরু করি। প্রথমে রান্নাঘরে প্রবেশ কিছুটা কঠিন হলেও, বুদ্ধিমাত্তা দিয়ে, ধৈর্য ধরে এক সময়ে অভস্থ্য হয়ে পড়ি! আমার স্ত্রী (যাকে আমি ব্যাটারী বলে থাকি) মানসুরা হোসেন আমাকে অনেক সহ্য করেন, হাতে কলমে দেখিয়ে দেন, তিনি প্রায় প্রতিটা রান্নায় অনেক কষ্ট করেন, আমি কৃতজ্ঞ। কিছু রান্না আমি একা করে ফেললেও তার পিছনেও মশলাপাতি যোগাড় করে দেয়াটা উনি নিজেই করে দেন। তবে এটা ঠিক যে, আমি যেভাবে ছবি তুলি বা রেসিপি সাজাই এটা একার পক্ষে সত্যই অনেক কষ্টকর। সে রান্না গুলো আমি একা করি সে গুলোতে কতবার হাত ধুয়ে মুছতে হয় সেটা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। যাই হোক, আমার এই সকল কর্মের যদি কোনদিন পুরস্কার জুটে তিনিও এই পুরুস্কারের ভাগিদার হবেন।

তবে সামান্য কিছু কথা না বললে নিজকে মিথ্যাবাদী মনে হবে, আমাদের এই প্রিয় স্বদেশে ছেলেরা রান্না করে না বা করতে চায় না এর নানান কারন আছে বটেই তবে একটা কারন, আমি আমাদের মা, মেয়ে, স্ত্রীকে কিছুটা হলেও দায় আছে বলে মনে করি, উনারা আসলে রান্নাঘরে ছেলেদের দেখতে চান না বলেই মনে হয়, নিজদের মতামতে যদি উনারা কিছুটা ছাড় দেন এবং কিছুটা আরো আরো ভালবাসা মমতা নিয়ে ছেলেদের রান্নাঘরে পাঠান তবে ছেলেরাও ঘরের রান্নায় ভাল করতে পারবে! ভালবাসায় কি না হয়! তবে ভালবাসাটা যেহেতু দিমুখো (টুওয়ে!) তাই গ্রহন বর্জন দুইজনের উপরেই বর্তায়! আপনি যদি সব সময়ে কাউকে বাধ্য করতে চান তবে ভালবাসা নাও থাকতে পারে! হা হা হা… বেশী ভালবাসাও ক্ষতিকর! তবে বিদেশে স্থায়ীভাবে গেলে আমাদের মা, বোন, মেয়ে, স্ত্রীরা আবার এমনই উদার হয়ে পড়েন যে, ছেলেরা সারাক্ষন রান্না ঘরে পড়ে থাকেন! হয়ত এক সময়ে স্ত্রী রান্না ভুলেই যান!

যাই হোক, আমাদের এই সাইটের ডিজাইনও খুব সহজ, মোবাইল, ট্যাব সহ প্রায় সকল ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বান্ধব। আপনি চাইলে নেটসংযোগ থাকা যে কোন ডিভাইসে আমাদের সাইট দেখতে পারেন। আমাদের রয়েছে একটা এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন, যা একবার এন্ড্রয়েড ডিভাইসে ইন্সটল করে নিলে, এক ক্লিকেই আমাদের ‘গল্প ও রান্না’ পাওয়া যাবে, সাইট মনে রাখা বা বুক মার্ক করার দরকার নেই।

তবে কয়েকটা ব্যাপারে আমি আপনাদের কাছে সরাসরি করজোড়ে ক্ষমা চাই, আগেই আশা করি ক্ষমা করবেনঃ-
১) লিখাতে কিছু বানান ভুল থাকে যা সময় মত চোখে পড়ে না বা জানি না, আমি যেহেতু ফনেটিক টাইপিষ্ট কাজে কাজেই অনেক সময় শুদ্ধ বানান জানলেও লিখতে পারি না, তবে এই বিষয়ে দিনের পর দিন উন্নতি করছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।
২) কিছু (এটা খুব কম হয়) রেসিপিতে উপকরণ একটু এদিক সেদিক হয়েছে, যা পরে আমার চোখে পড়ে বা কেহ বললে বুঝতে পারি, আশা করি আগামীতে আরো সতর্ক হব।
৩) সময় মত আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না, সময় এবং সুযোগ না থাকার কারনে, আশা করি আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। তবে সুযোগ পেলেই চেষ্টা করি।
৪) রেসিপির সাথে গল্প করা (অনেকে এই গল্প পড়তেই আসেন) অনেক সময়ে হয়ে উঠে না, কাজেই আগামীতে চেষ্টা থাকবে।
ইত্যাদি সহ আরো অনেক কারন আছে যা এই সময়ে মনে পড়ছে না। আপনাদের ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি কামনা করি সব সময়েই।

অন্যদিকে, “আমাদের এই সাইট আপনাদের সকলের জন্য উন্মুক্ত, ইচ্ছানুযায়ী যে কোন কিছু, যে কোথায়ও শেয়ার করতে পারেন তবে পোষ্ট আকারে কোথায়ও প্রকাশ করলে আমাদের নাম বা এই ব্লগের নাম উল্লেখ করলে আমাদের মনে শান্তি লাগবে। এই সাইটের ইনফরমেশন আপনার কাজে লাগলে আমরা আমাদের চেষ্টা সার্থক বলে মনে করব। এ ছাড়া আপনি চাইলে আপনার উপদেশ ও মতামত জানাতে পারেন, আমরা খুশি হব, খুশি মনে গ্রহণ করব। মেইলঃ udraji@gmail.com ফোনঃ 01911380728” কাজেই আপনার কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে লিখুন, নিঃসঙ্কোচে!

চলুন, আজ আবার রোষ্ট রান্না দেখে ফেলি। তবে এটা একটু ভিন্ন করে রান্না হয়েছিল এবং একসাথে দুটো মুরগী রান্না হয়েছিল, তবে খুব সহজ এবং সাধারন। আপনারা চাইলে আস্ত মুরগী না রান্না করেও কেটেকুটেও রান্না করতে পারেন, বাকী কাজ একই থাকবে। মুরগী/মোরগের রোষ্ট কার না প্রিয়! বিশেষ করে, পাতে একটা ফুল মুরগী রোষ্ট পড়লে কে না পছন্দ করবেন! আমাদের যদি সামর্থ্য থাকত তবে আমাদের প্রিয় পাঠক/পাঠিকা সবাইকে এমনি করে একটা আস্ত মুরগীর রোষ্ট দিয়ে আপায়ন করতাম, মানে নুতন জামাই কিংবা নুতন বধু’র আদর আর কি!

উপকরন ও পরিমানঃ
– আস্ত মুরগী, এক কেজি প্রায় (২টা)
– জয়ফল (১টা ফল ১০ কেজির জন্য ব্যবহার হয়) সামান্য
– জয়ত্রি, হাফ চা চামচের বেশী
– চিনা বাদাম, ৩ টেবিল চামচ (বাটা বা গ্রাইন্ড করা)
– দারুচিনি, ৪ টুকরা (হাফ ইঞ্চি)
– এলাচি, ৩/৪ টা
– আদা, ১ টেবিল চামচ
– রসুন, দেড় টেবিল চামচ
– জিরা, ১ চা চামচ
– শুকনা মরিচ গুড়া, দেড়/দুই চা চামচ, ঝাল বুঝে
– কাঁচা মরিচ, ঝাল বুঝে কয়েকটা
– টমেটো সস, ২ টেবিল চামচ
– টক দই, এক কাপের  কম
– চিনি, হাফ চা চামচ
– পরিমান মত লবন/পানি
– তেল, দেড় কাপ

– পেঁয়াজ কুঁচি এক কাপ (বেরেস্তার জন্য, সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ ভেজে তুলে রাখলেই বেরেস্তা হয়ে যায়, বেরেস্তার রেসিপি চাইলে এই লিঙ্কে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন, রেসিপিঃ বেরেস্তা)

অফশন্যাল (চাইলে আরো দিতে পারেন)
– কিসমিস ৮/১০ টা
– তেজপাতা, ২/৪ টা
– আলু বোখারা ৩/৪ টা

মুরগী পরিস্কার প্রসঙ্গেঃ পুরো পরিস্কার করায় সতর্ক থাকা দরকার। বুক চিরে নিয়ে পরিস্কার করা যেতে পারে কারন আপনি যেহেতু ঘরেই রান্না করছেন এবং সুতা দিয়ে বেঁধে রাখা যেতে পারে।

প্রনালীঃ 

বেরেস্তা ভেজে তুলে রাখুন।


সেই কড়াইয়ের তেলেই রান্না শুরু করা যেতে পারে। গরম তেলে এলাচি ও দারুচিনি দিন।


এবার একে একে উল্লেখিত মশলা গুলো দিয়ে যেতে থাকুন। এক চা চামচ লবন দিন, বাদাম বাটাও দিন। আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে।


ভাল করে ভাঁজুন, এবং এবার গুড়া মরিচ দিন।


এবার টক দই দিন এবং কষিয়ে নিন।


কিছুক্ষনের মধ্য তেল উঠে এই রকম হয়ে পড়বে এবং একটা ঘ্রান বা খুশবু বের হবে।


এবার ধুয়ে সুতায় বেঁধে রাখা মুরগী গুলো দিয়ে দিন।


এভাবে।


ভাল করে মিশিয়ে নিন।


আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে, এক পিট হলে অন্যপিট উলটে দিন। চামচ দিয়ে ঝোল তুলে মুরগীর গায়ে দিন। এই সময়ে চুলা ছেড়ে যাবেন না, সামান্য বেখেয়ালে বা আগুন বেশি হলে পুড়ে যেতে পারে। কাজে কাজেই কাছেই থাকুন।


এক সময়ে এমনি হয়ে যাবে। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিন। ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন।


আগুন কমিয়ে এভাবে কিছু সময়ের জন্য ঢেকেও রাখতে পারেন।


ব্যস হয়ে গেল প্রায়!


এবার বেরেস্তা গুড়া করে ছিটিয়ে দিন এবং মিশিয়ে নিন।


এবার সুতা খুলে ফেলুন এবং পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হউন।


ব্যস, টেবিলে নিয়ে চলুন।


সাথে পোলাউ হলেই চলবে তো মশাই!


এই নিন আপনার প্লেট! আমাদের ভালবাসা!

সবাইকে আবারো আবারো শুভেচ্ছা। আপনাদের ভালবাসাই আমাদের পথ চলা, আমাদের সাহস, আমাদের শক্তি। আপনারা সবাই ভাল থাকুন, আনন্দে কাটুক আপনাদের সারা জীবন। একটা আনুরোধ থাকবে, প্রিয়জনদের খাবারের প্রতি লক্ষ রাখুন, তাদের সময় মত, সঠিক খাবারের ব্যবস্থা করুন। প্রিয়জন সুস্থ্য সবল ভাবে বেঁচে থাকলে, আপনারই লাভ! হয়ত এখন বুঝতে পারছেন না, হারিয়ে ফেলেই সব বুঝা যায় তাই আগেই বুঝে নিন, দিন শেষ আমরা সবাই একলাই!

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

রেসিপিঃ দেশী মুরগীর রোষ্ট (ঝালে) http://wp.me/p1KRVz-RK

Advertisements

16 responses to “রেসিপিঃ ফুল চিকেন রোষ্ট ও দশ লক্ষ পেইজ হিটের শুভেচ্ছা

  1. দাদাভাই, আজকের লেখাটা খুব ভালো লাগলো। বেশি ভালো লেগেছে দিদিভাই কে নিয়ে লেখা অংশটুকুন।

    Liked by 1 person

  2. অভিনন্দন ভাইয়া!আপ্নার এই সাইট যে আমার কত উপকার করেছে বলে শেষ করা যাবেনা।প্রতিদিনই ঢু মেরে যাই।আপ্নি মানুষের যে উপকার করে চলেছেন আল্লাহ আপনাকে তার উত্তম প্রতিদান দিন সেই কামনাই করি।

    Liked by 1 person

  3. দশ লক্ষ হিট!!! But unlimted VALOBASA……4 U & UR family.

    Liked by 1 person

  4. Thank you very much for this great items.

    Liked by 1 person

  5. খুবই লোভনীয় খাবার।😃 যদি😭🍴 পাওয়া যেত. ..

    Liked by 1 person

  6. Page hit 10 lac er jonno onek Shuvokamona. Amra apnar sathe achi. Khub valo lagche eirokom ekta darun besoyer witness hote pere.

    Ei post e Apu (Mansura Hossain) ke niye lekha part tuku amar mother-in-law pore suniyechi. Uni khub khushi hoyechen and apnader doa korechen.

    Ranna khub lovonio lagche. ekdin try korbo. Thank you.

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ বোন,
      আপনাকে এবং আপনার শাশুড়ী আম্মাকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। উনার কাছ থেকে পুরানো খাবার দাবারের রেসিপি শিখে নিন। আমাদের অনেক খাবার হারিয়ে যাচ্ছে।
      আমরা আমাদের চেষ্টা করে যাচ্ছি, আশা করি সবার ভাল লাগবে।
      আবারো শুভেচ্ছা।

      Like

  7. দারুণ লেখা পড়ে আমার নিজের অভিজ্ঞতা অনেকখানি বেড়ে গেল।ধন্যবাদ

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ শফিক ভাই,
      আপনার ফোন পেয়ে অনেক অনেক ভাল লাগলো। আপনারা আমাদের লেখা পছন্দ করেন বলে আমরা অনেক খুশি। আপনি ফোনে জানিয়েছেন যে, আমাদের রেসিপি দেখে আপনি অনেক রান্না শিখেছেন, এতে আমাদের আনন্দ অনেক অনেক বেড়ে গেল।

      বাহারাইন থেকে দেশে আসলে আশা করি দেখা করবেন। আপনাদের বন্ধু, রুমমেটদের আমাদের সালাম দেবেন।

      শুভেচ্ছা নিন, আশা করি সাথে থাকবেন।

      Like

  8. ভাই মুরগী/হাঁসের চামড়া থেকে সহজে এবং কম সময়ে পালক পরিস্কার করার কোন টিপস্ /পদ্ধতি জানালে খুবই উপকৃত হতাম।

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ নাসির ভাই।
      আজকাল মুরগীর চামড়া আর কেহ খেতে চায় না, ফলে মুরগীর চামড়া ফেলে দোকান থেকেই পরিস্কার করে নিয়ে আশা হয়। তবে বাসায় মুরগী কাটলে গরম পানিতে চুবিয়ে আস্তে আস্তে লোম পরিস্কার করা হয়। এর পরে সামান্য আগুনে চামড়া পুড়িয়ে মানে লোম পড়িয়ে লোম গুলো তুলে নিতে হয় বলে দেখেছি।

      হাসের ক্ষেত্রেও তাই দেখেছি।

      দেরীতে উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত।
      শুভেচ্ছা নিন।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s