Gallery

রেসিপিঃ কোরাল মাছ ভাঁজা (সুস্বাদু সামুদ্রিক মাছ)


যে কোন মাছই সুস্বাদু, মাছ ভাঁজা হলে তো কথাই নেই। বিশেষ সামুদ্রিক মাছ গুলো আমি বেশ পছন্দ করি, বিশেষ করে কোরাল মাছকে আমার কাছে এই দুনিয়ার সেরা মাছ মনে হয়! বাজারে বিভিন্ন সাইজের কোরাল মাছ এখন পাওয়া যাচ্ছে। এই সময়ে কোরাল মাছ খেতে পারেন মন প্রান ভরে।

যাই হোক, আমরা এ যাবত নানান প্রকারের মাছ ভাঁজি, নানান মশলায়, নানান স্টাইলে আপনাদের দেখিয়েছি, নুতন কোন মাছ কিনলেই প্রথমে আমরা ভাঁজি খেয়ে থাকি এবং পরে রান্না বা ভুনা হয়ে থাকে। চলুন আজকে এমনি ছোট কোরালের একটা ভাঁজি দেখাই। সরিষার তেলে কিন্তু খুব সহজ ও সাধারন ভাঁজা, শুধু রান্নার প্রতি মমতাবোধ থাকলেই আপনি এই ভাঁজি করতে পারবেন।

পরিমান ও উপকরনঃ (পরিমান আপনিও অনুমান করতে পারেন)
– কোরাল মাছ (ছোট), মোট ৫০০ গ্রাম বা কম বেশী হতে পারে। (আমরা দুটোতে এক সাথে মশলা লাগিয়েছিলাম)
– সামান্য মরিচের গুড়া (হাফ চা চামচ, ঝাল বুঝে)
– অরিগেনো, তিন চিমটি (ইচ্ছা, থাকলে দিন না থাকলে নাই)
–  লেবুর রস, হাফ চামচ
– দুই চিমটি লবন (বুঝে শুনে)
– ভাঁজার জন্য পরিমান মত সরিষার তেল (গা গা তেল)

– ধনিয়া পাতার কুঁচি, একটু বেশী হলেই ভাল

প্রস্তুত প্রনালীঃ

মাছ গুলো কেটে ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।


সরিষার তেল সহ উপরের মশলা গুলো দিয়ে মশলা মিক্স বানিয়ে নিন। ধনিয়া পাতার কুঁচি ও লবন দিতে ভুলবেন না!


মাছ গুলোর গা একটু চিরে নিতে পারেন।


এবার মশলা মিক্স মাছের গায়ে ভাল করে মাখুন।


এভাবে মাছ ঢাকনা দিয়ে ফ্রিজে আধাঘন্টার জন্য রেখে দিন।


মাছ ভাঁজার জন্য বের করে মাধ্যম আঁচে চুলায় দিন।


আগুন কমিয়ে রাখা ভাল। ঢাকনা দিয়ে দিন, মিনিট ২০ লাগতে পারে, আগুন খুব কম থাকবে, যাতে মাছের ভিতরটাও নরম হয়ে যায়।


এক পিট হয়ে গেলে অন্য পিট দিন।


মাছ উল্টাতে সাবধান, তেলের ছিটা গায়ে পড়তে পারে। চুলায় এই রকম ভাঁজা দিয়ে কখনো রান্নাঘর ছেড়ে যাবেন না, এতে মাছ পুড়ে যেতে পারে বা বিপদ এসে পড়তে পারে। ভাঁজার সময়ে যদি মাছ লেগে যায়, তবে চুলা বন্ধ করে অপেক্ষা করুন, ঠান্ডা হলে মাছ উঠে যাবে। গরম অবস্থায় লেগে যাওয়া মাছ উল্টাতে গেলে মাছের চামড়া উঠে বা লেগে মাছ নষ্ট হয়ে যাবে। পুরা ভাঁজার ব্যাপারটায় কাছে থেকে আস্তে আস্তে করতে হবে। মাছ ভাঁজার বিষয়টা একটা অভিজ্ঞতা, আপনি যত বেশী মাছ ভাঁজবেন তত আপনার অনুমান, হাত সঠিক হয়ে যাবে। এক এক বার এক এক সমস্যা থেকে মুক্ত হবেন।   মাছ ভাঁজার শেষের দিকে আগুন বাড়িয়ে দিতে হয়।


ভাঁজা হয়ে গেলে প্লেটে তুলে নিন।


পরিবেশন টা এভাবে করতে পারেন, যদি আপনি আমাদের মত ধনিয়া পাতা লাভার্স হয়ে থাকেন।


মাছের ভিতরটা নরম এবং কোমল।


আসছে আমাদের নূতন রান্না টেষ্টার ব্যালট, সে যে কোন মাছ খেতে খুব পছন্দ করে। আজকাল খাবার হিসাবে মাঝে মাঝে সামান্য মাছ দেয়া হচ্ছে বিশেষ করে শিং, মাগুর মাছ ওর খুব পছন্দ। কোরালের মাছের এই ভাঁজি সে খুব পছন্দ করেছে।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতায়ঃ মানসুরা হোসেন

One response to “রেসিপিঃ কোরাল মাছ ভাঁজা (সুস্বাদু সামুদ্রিক মাছ)

  1. Ole baba….kutu kutu gudu dudu… ki sundur dekasse… Balot ke…..doa royilo…

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s