Gallery

রেসিপিঃ সীম, বেগুন ও আলু (আমার প্রিয় একটা খাবার)


সিজন শেষের দিকে ক্ষেতে/গাছে ঘুরে বেড়ালেও কিছু তরু তরকারী পাওয়া যায়। গ্রামে বসবাসকারী পরিবার গুলোতে এই ধরনের তরকারী রান্না হয় এবং তা দারুন স্বাদের হয়ে থাকে। শহরের শহুরেরা আগামীকাল কি রান্না করবে তার একটা পরিকল্পনা থাকলেও গ্রামে সাধারণত এই ধরনের কোন চিন্তা আগের দিন করা হয় না। নাস্তা শেষের পর গৃহিণীরা কিছু একটা খুঁজে বের করেন এবং তিনি যা হাতের কাছে পান সেটা দিয়েই হয়ে যায়। পুকুরে মাছ থাকলে কাউকে দিয়ে কিছু ধরিয়ে নেন বা স্বামী দুপুরে কাজ থেকে ফিরে আসলে মাছ ধরার অনুরোধ করেন। আর শাক সব্জি দিয়ে একটা কিছু রান্না হয়।

শহুরে জীবনযাত্রা গ্রামের চেয়ে এখনো ভিন্ন বলেই আমি মনে করি। শহরে সবাই নিজের মর্জিমাফিক চললেও গ্রামে এখনো তা হয়ে উঠে নাই। শহরের মানুষ এখনো যে স্বাধীনতা ভোগ করেন, গ্রামের মানুষের তা নেই। গ্রামের মানুষকে এখনো সামষ্টিক চিন্তা ভাবনার মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করতে হয়!

যাই হোক, চলুন আর একটা সাধারন রান্না দেখি। রান্নাটা মাস দুয়েক আগে আমি নিজে করি এবং সিজন শেষের সীম এবং গাছ ঝাড়া বেগুন আমি নিজেই গ্রামের বাড়ী থেকে আনিয়ে নিয়েছিলাম। হাতের কাছে গুলশা মাছ পেয়ে তার কয়েকটা দিয়েই রান্না করেছিলাম। তবে মাছের বদলে কিছু শুঁটকী মাছ দিয়ে রান্না করলে আরো ভাল মজা পেতাম বলে মনে হয়েছে। আহ, কতদিন শুঁটকী মাছ খাই না!

উপকরণঃ
– কিছু শিম (হাফ কেজি হতে পারে)
– কয়েকটা বেগুন (চার ভাগ করে কাটা)
– আলু (ফালি করে কাটা)
– কয়েকটা গুলশা/গুল্লাই মাছ (আপনি অন্য যে কোন জিয়ল মাছ দিয়ে রান্না করতে পারেন)
– পেঁয়াজ কুঁচি (মাঝারি তিন্টে)
– আদা পেষ্ট বা বাটা (এক চা চামচ)
– হলুদ গুড়া (এক চা চামচ)
– লাল মরিচ গুড়া (ঝাল বুঝে, হাফ চা চামচ বা সামান্য বেশি)
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (ঝাল বুঝে)
– লবন (পরিমান মত)
– তেল ও পানি

– রসুন কুচি (দেড় টেবিল চামচ, বাগার দেয়ার জন্য)

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলে)

ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০


ছবি ১১


ছবি ১২


ছবি ১৩

সবাইকে শুভেচ্ছা। আমাদের সাথেই থাকুন, আরো নুতন নুতন রেসিপি নিয়ে আসছি, আশা করি আপনাদের তা ভাল লাগবেই।

Category Archives: শাক/ সবজি/ আলু

 

Advertisements

One response to “রেসিপিঃ সীম, বেগুন ও আলু (আমার প্রিয় একটা খাবার)

  1. সুলতানা জামান

    এত আমারও প্রিয় তরকারী, আমি টমেটোও দেই। ধন্যবাদ ভাইয়া।

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s