Gallery

আড্ডাঃ কোন এক রেস্টুরেন্টে কিছু সময়!


চলতি পথে হঠাত কোন প্রিয় বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে গেল! কি করবেন, বন্ধুকে দেখে মনে অনেক খুশি হলেন, অনেক আড্ডা দিলেন এবং শেষ মেষ বন্ধুকে কিছু খাওয়াতে চাইবেনই। মানে খাওয়া দাওয়াটা এসেই যায়, খাবার দাবার হচ্ছে ভালবাসার শেষ সীমা! হা হা হা। তবে এটা নির্ধারিত হতে পারে আপনার পকেটের উপর ভরসা করেই। আপনি সেরাম কামানোওয়ালা হলে বড় রেস্টুরেন্টে বসতে পারেন আর টাকাকড়ির অনটন থাকলে, রাস্তার ধারের চা দোকানই যথেষ্ট!

যাই হোক, বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবনের অনেক কিছুই আপনি না চাইলেও বদলে যায়। জীবনের গতি নিজ থেকেই বাঁকে বাঁকে আপনাকে টেনে নিয়ে দাঁড়া করিয়ে দেবেই। রাতে টং দোকানের চা ভাল লাগলেও দিনে তা ভাল লাগবে না! হা হা হা। যাদের আমার মত বয়স হয়েছে আশা করি তারা বুঝে গেছেন! আর না বুঝলেও কিছু করার নাই! সব কথা খুলে বলা যায় না, বলাটা ভালো দেখায় না! অনেক কিছু জেনেও চুপেচাপে দিন পার করতে হয়, আবার মনের কথা মনে রেখে মরেও যেতে হয়!


ঢাকার উত্তরাতে এখন অনেক রেষ্টুরেন্ট বা খাবার দোকান হয়েছে। ঢাকা থেকে উত্তরা অনেক ঝলমলে উপশহর! বিশেষ করে রাতের উত্তরা দেখার মত। আরো কিছু কাজ হলে একসময়ে উত্তরা আর চেনাই যাবে না! যাই হোক বন্ধুর সাথে এই রেষ্টুরেন্টে (লা বাম্বা) দিন দুপুরে প্রবেশ করি। উদ্দেশ্য দুপুরের খাবার!


তখন অনেক মানুষের ভীড় আশা করছিলাম, না তেমন ভীড় নেই! (অনেক দিন আগে একবার অনেক ভীড় দেখেছিলাম)


দুপুরে কি আর এমন খাবার চলে? কেককুক দিয়ে কি আর হয়!


ঠিক ভরদুপুরেও লোকজন নেই! আমি ফাঁকে ওয়েটারের সাথে কথা বলি, ওরা জানালো, আজকাল আর আগের মত কাষ্টমার আসে না, সন্ধ্যা রাতে কিছুটা জমজমাট হয়ে থাকে।


খুব সিম্পল ইন্টেরিয়র ডিজাইন, আমার কাছে ভাল লেগেছে, রং এর ব্যবহার মন শান্ত করে দেয়।


এই ধরনের রেষ্টুরেন্টে আরো সুন্দর চোয়ার দরকার, সাধারন চেয়ারে বসে খাবারের আনন্দ মনে লাগানো যায় না!


এই রেস্টুরেন্টের প্রধান রঙ হচ্ছে এই হাল্কা হলুদ!


কোক জিরো! (কোক লাইট!)


চিকেন ফ্রাইড রাইস উইথ মিক্স ভেজিটেবল এন্ড প্রন!


চিলি চিকেন! চিলি বললেই তরকারীর যে রংট আমাদের চোখে ভেসে উঠে এটা তা ছিল না! তবে স্বাদ সেই রং এর কথা মন থেকে সরিয়ে দিয়েছে!


এই ছিল আমার প্লেট! গল্পে গল্পে আমাদের খাবার চলছিলো। (আমি বেশি নেই নাই তবে বেশি খেয়েছি!)


বের হয়ে আসার পর ভাবলাম, ঢলে পড়া সূর্যের আলোয় আর একটা ছবি তুলে নেই!

কয়েকটা পয়েন্ট নজরে এল!
১। সবুজের প্রতি এই রেষ্টুরেন্টের কৃর্তপক্ষের তেমন দরদ নেই। আরো গাছপালার দরকার আছে।
২। রাতের কাষ্টমারই মুল টার্গেট বিজনেস, আলোর খেলা জমিয়ে ফয়দা লুটার চেষ্টা।
৩। খাবারের দাম মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে অথচ সামান্য ছাড় দিলেই মধ্যবিত্তরা এসে বসে পড়তে পারত।
৪। রান্নার মান ভাল লেগেছে, নিখুত রান্না, কোয়ান্টিটি ভাল দেখলাম।
৫। নিরিবিলি আড্ডা দেয়ার চরম জায়গা।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

5 responses to “আড্ডাঃ কোন এক রেস্টুরেন্টে কিছু সময়!

  1. সব কথা খুলে বলা যায় না, বলাটা ভালো দেখায় না! অনেক কিছু জেনেও চুপেচাপে দিন পার করতে হয়, আবার মনের কথা মনে রেখে মরেও যেতে হয়!
    কোটি কোটি টাকার কথা বলেছেন ভাই একদম মনের ভিতরে গেথে গেছে… agree with u
    valo thakun bhai …. 🙂

    Liked by 1 person

  2. সুলতানা জামান

    ভাইয়া, এটা কোথায় এবং কাকে নিয়ে বসছেন, সেটা জানতে চাই।

    Like

  3. হুম, ভাল রিভিউ। আমি কিন্তু বোরহানী রেসিপির অপেক্ষায় ছিলাম, শনিবার মায়ের জন্মদিনে তৈরি করার ইচ্ছা ছিল।

    Like

  4. সুলতানা জামান

    সাথে আছি ভাইয়া, আরো গল্প চাই, আরো লেখা চাই।

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s