গ্যালারি

রেসিপিঃ মাছ আলু ভুনা (ঝটপট)


অনেক সময় এমন সময় এসে যায় যে, তাড়াতাড়ি রান্না করতে হবে এবং হাতের কাছে যা আছে তা নিয়েই। আপনি ফ্রীজে যে কোন মাছ পেলেন, এবং সাথে রান্নাঘরে পেলেন কিছু নূতন আলু! ব্যস, আর কি চাই! মাছ গুলোকে পানিতে ভিজিয়ে আলু ছিলা শুরু করুন। আলু ছিলা শেষ হয়ে গেলে, আলু গুলোকে এক চিমটি লবনে সিদ্ধ করতে দিন এবং সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। এই ফাঁকে পেঁয়াজ কুঁচি সহ সব মশলা নামিয়ে রেডী করে ফেলুন। মাছ গুলো নরম হয়ে গেলে ছোট সাইজ করে কেটে ফেলুন। এবার শুরু করুন। খুব সাধারণ রান্না। তবে দুই চুলা থাকলে আরো তাড়াতাড়ি এই রান্না করা সম্ভব। চলুন দেখে ফেলি!

পরিমান ও প্রস্তুত প্রনালীঃ

এক চিমটি হলুদ দিয়ে মাছ গুলো মাখিয়ে সামান্য তেলে ভেঁজে নিন।


এবার আলু গুলোকেও সামান্য এক চিমটি লবন এবং হলুদ যোগে ভেঁজে নিন এবং তুলে রাখুন।


এবার মুল রান্না। কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে ভেঁজে হলদে করে  হাফ কাপ পানি দিয়ে তাতে এক চিমটি লবন, হাফ চামচ আদা বাটা, হাফ চামচ হলুদ গুড়া, হাফ চামচ মরিচ গুড়া (ঝাল হলে আরো কম), কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিন।


এবার আলু গুলো দিয়ে দিন।


মাছ গুলো দিয়ে দিন।


ভাল করে মিশিয়ে নিন। আগুনের আঁচ থাকবে মাধ্যম।


এবার হাফ কাপ পানি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।


ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১০ রাখুন।


ঠিক এই অবস্থায় এসে যাবে।


ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন। এবার ধনিয়া পাতার কুঁচি দিয়ে দিন।


মিশিয়ে নিন। ব্যস।


ব্যস, বাটিতে তুলে টেবিলে নিয়ে রাখুন। পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। গরম ভাতের সাথে জুড়ি মেলা ভার।


পুরা রান্নায় সময় লাগছে এক ঘন্টা ৫ মিনিট। মাছ, আলু ও মশলা তৈরিতে সময় লেগেছে একটু বেশী। স্বাদ অসাধারণ।

* অনেকটা আখাউড়ার কুডি ভাঁজার মত রান্না।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

Advertisements

4 responses to “রেসিপিঃ মাছ আলু ভুনা (ঝটপট)

  1. একদিন ট্রাই করে স্বাদ দেখে নেব ভাই। ধন্যবাদ।

    Like

  2. আলুর সাথে মাছ কিংবা মাংস দুটোই বেশ জমে । মাছের সাথে আলু দিয়ে রান্না করা হয় ঝোল । কখনো ভুনা করা হয়নি । দেখব একবার চেষ্টা করে ।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      এটা আসলে ঝটপট একটা চেষ্টা। আজকাল রান্নায় সময় পাচ্ছি না। রাতে বাসায় ফিরে রান্না করতে গেলে অনেক দেরী হয়ে যাচ্ছে।

      নুতন আলু সব সময়েই মজাদার। নুতন আলু দিয়ে আরো কিছু আইটেম দেখিয়ে দেবার ইচ্ছা আছে।

      শুভেচ্ছা।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s