Gallery

রেসিপিঃ ওল কচু রান্না (গরু গোসত যোগে)


কচুর অনেক  জিনিষ তরকারী হসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে। আমি মোটামুটি কচুর অনেক আইটেম খেয়েছি। কচুর শাক আমার প্রিয় একটা খাবার। চান্স পেলেই রান্না করি। কচুর শাক রান্না আমি আমার মায়ের কাছ থেকে শিখেছি, তবে এখনো স্বাদে উনার ধারে কাছে যেতে পারি নাই। কচুর লতি, কচুর মুখি, কচুর কাট ইত্যাদি বহুবার বাজার থেকে কিনে এনেছি এবং রান্নাও করেছি।

তবে ওল কচু আমি আগে কখনো খেয়েছি, মনে পড়ে না। দোকানীর কাছে বিরাট একটা ওল কচু দেখে আমি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করলে আমাকে তিনি জানান, এটা বড় পাহাড়ি ওল কচু, প্রায় ১০ কেজি ওজনের। তিনি আমাকে এর স্বাদ বর্ননা দিলেন এবং বললেন তিনি নিজে অনেক বার খেয়েছেন এবং আরো জানালেন এই ওল কচু মাছ, মাংস কিংবা ডাল দিয়ে নিরামিশ রান্নাও করা যায়। আমি হাফ কেজির কিছু বেশি (এক টুকরাতে যা হয়েছে) কিনে বাসায় নিয়ে এলাম এবং রাতে রান্নায় লেগে গেলাম।

ফ্রীজে মাছ এবং গরুর গোসত ছিল, আমি গরুর সামান্য কিছু গোসত নিলাম (এটা শুধু স্বাদ বাড়াতেই) তবে ইলিশ মাছের মাথা থাকলে কাজের কাজ হত!

প্রনালীঃ  তিনটে ধাপে এই রান্না করা হয়েছিল।
১ম ধাপ – ওল কচু সিদ্ব

ছবি ১


ছবি ২

২য় ধাপ – বেরেস্থা করে নেয়া

ছবি ৩

৩য় ধাপ – মুল রান্না

ছবি ৪


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০


ছবি ১১


ছবি ১২


ছবি ১৩


ছবি ১৪


ছবি ১৫

অসাধারণ। ভাবছি, আবারো ওল কচু কিনবো এবং এবার তা হবে নিশ্চয় ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

19 responses to “রেসিপিঃ ওল কচু রান্না (গরু গোসত যোগে)

  1. আমিই প্রথম হলাম দেখি । ওলকচু মাছ দিয়ে খাওয়া হয়েছে কখনো গোশত দিয়ে খাইনি । রান্না টা দেখতে চমৎকার হয়েছে ।

    Like

  2. চিংড়ি দিয়েও ভালো লাগবে আমার ধারনা। আজকে মিনা বাজার দেখেছি এই কচু, কিনবো কিনবো করে কেন জানি কিনলাম না। পরে ঠিক কিনে এনে রান্না করবো। 🙂

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      এটা আমি দেখলাম, যখন যে তরকারী ঢাকার বাজারে দেখা যায় সেটা তখন সারা ঢাকার বাজারেই দেখা যায়। মনে হয় সাপ্লাইয়ার সব এক! হা হা হা।।

      একদিন কিনে খেয়ে দেখবেন। শিশুদের খাওয়াবেন, না হলে ওরা বড় হয়ে বলবে, কখনো খাই নাই! হা হা হা…

      শুভেচ্ছা।

      Like

  3. ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

    Like

  4. কাটতে গিয়ে হাত চুলকায়নি? ওলকচু টা খাওয়া হয়নি। খেতে হবে।

    Like

    • না তো আপা, আমি নিজেই কেটেছি। হাত চুলকায় নাই। তবে খেতে সামান্য গলায় ধরেছিল (লেবু রস দেয়া দরকার ছিল, ঘরে না থাকায় দিতে পারি নাই)। সামান্য, এটা ধরা বলে না, তবে যা হয়েছিল তা বললাম। হা হা হা…

      কেমন আছেন আপা। শরীর ভাল আছে নিশ্চয়। ভাল থাকুন। কমেন্ট করতে হবে এমন নয়। আগে আপনি ভাল থাকুন।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  5. Aj amader basaye ai ranna ta kora hoyese.osadharon test hoyese khate.koco guli mom ar moto norom selo.vaia apner recipe asolei osadharon.

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      আমাদের চেষ্টা থাকে আমাদের সাধারণ রান্না গুলো তুলে দেয়ার।
      আমরা আসলে এই ধরনের খাবার খেয়েই অভ্যস্থ।
      আপনাদের রান্না ভাল হয়েছে জেনে ভাল লাগলো।

      শুভেচ্ছা।
      (উত্তর দিতে দেরী হওয়াতে সরি)

      Like

  6. খুব ইচ্ছা ছিল ওল কচু খাব কিন্তু আপনি বর্ণনা না দেয়ায় রান্না করতে পারলাম না। অন্তত উপকরন ও পরিমান ত দিবেন 😦

    Like

  7. সাহাদাত ভাই আমি ব্রাদার না সিস্টার। তারেক আমার husband এর নাম, আমার নাম samee. তারেক বলে আপনি আমার ওস্তাদ। আমিও তাই মনে করি। নতুন সংসার শুরু করেছি। রান্না বান্না পারি না। আপনি ই আমার ভরসা।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। সরি।
      হা হা হা। তারেক ভাইকে সালাম জানাবেন।
      রান্না একটা ভালবাসার নাম। আপনাকে প্রিয়জনদের কাছে এই ভালবাসায় প্রমান করতে হবে।

      রান্না কঠিন কাজ নয় তবে এর জন্য ধৈর্য্য দরকার। আমাদের রেসিপি গুলো আপনাদের জন্যই সাজানো হয়ে থাকে। প্রথমে রেসিপিটা ভাল করে পড়ে নেবেন বা উপকরণ গুলো নোটে টুকে রান্না ঘরে চলে যাবেন। উপকরণ আলাদা করে রান্না শুরু করবেন, দেখবেন কোন স্মস্যাই নেই। আর একটু এদিক সেদিক হতেই পারে, ব্যাপার না। তবে লবনের ব্যাপারটা আমাদের পোষ্ট গুলোতে বলে দেয়া থাকে সেটায় খেয়াল রাখবেন।

      তেল কমে রান্না করবেন। মশলা কষিয়েই পানি দিয়ে দিবেন তা হলে তেল কম লাগবে।

      যাই হোক, আপনাদের জন্য দোয়া থাকল। ভাল থাকুন।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  8. thank u ভাইয়া। তারেক কে মাত্রই ফোন দিয়ে জানালাম আপনি সালাম দিয়েছেন। 😀 ও আপনাকে ওয়ালাইকুম সালাম জানিয়েছে।

    Like

  9. অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। রান্না করতে আমার অনেক সময় লাগতো। কিন্তু আপনার রান্না দেখে বিশেষত টেকনিক গুলো ফলো করে এখন রান্না অল্প সময়ে সুস্বাদু করে ফেলতে পারি। খুবই মজার অনুভূতি।

    Liked by 1 person

  10. ছবির সাথে সাথে উপকরণ গুলোর নাম এবং কখন কি দিতে হবে তা দেয়া থাকলে খুব ভালো হতো.

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s