Gallery

ব্যাংকক আড্ডাঃ পর্ব ১ (ডিনার ইন দ্যা ক্রুজ)


অনেকে বলেন থাইল্যান্ড ভ্রমন। আমি বলি ব্যাংকক আড্ডা। ঢাকায় তথা বাংলাদেশে আড্ডা দিয়ে আর পারছিলাম না! এবার দেশের বাইরে একটু আড্ডা দিয়ে আসি! এই আর কি? হা হা হা… এই ব্লগ হচ্ছে রেসিপি ব্লগ তাই এখানে ব্যাংকক আড্ডার অনেক কিছুই বলা যাবে না। ৫ রাত ৫ দিনে শুধু খাবার দাবারের অংশ টুকু এখানে দেখিয়ে দিতে চেষ্টা করব। সব সময়ে ছবি তোলা সহজ কাজ ছিল না আবার ভাল না লাগায় অনেক ছবি তুলি নাই। তবে মজার ব্যাপার ছিল আমার সঙ্গী বন্ধু আমার এই ছবি তোলাতে মোটেও বিরক্ত হয় নাই, আমাকে উৎসাহ দিয়েছে (অনেক সময় গ্রুপে এমন কাউকে পাওয়া যায়, নিজে ছবি তোলেন না, ছবি তোলা বেশ বিরক্ত বোধ করেন, এরা পড়ে গেলে আর ছবি তোলা হয় না)। বুফে খাবারের ছবি তোলা সহজ কাজ নয়, খাবারের ছবি তুলতে গেলে আবার অনেকে চেয়ে থাকে, পাগল ভাবে কিংবা ভাবে, জীবনে খায় নাই! হা হা হা…

ব্যাংকক আড্ডায় এক সংন্ধ্যায় আমরা রিভার ক্রুজে ডিনার করতে গিয়েছিলাম। আজকের পর্বে সেই বুফে খাবার দাবারের ছবি আপনাদের দেখিয়ে দিচ্ছি। অনেক ছবি থাকায় এটা প্রথম পর্ব। প্রায় দুই ঘন্টার এই রিভার ক্রুজে নদীর ধারের জ্বলমলে ব্যাংকক দেখে প্রান জুড়ে গিয়েছিল। লাইভ গানের সাথে ডিনার, আমাদের দেশে এটা ভাবতে কষ্ট হলেও এটা এখন অনেক দেশের বিনোদন।

চলুন ছবি গুলো দেখে ফেলি। অনেক খাবারের নাম এখন বলতে পারবো না তবে সব খাবারের সাথেই নাম লিখা ছিল। আর আমি কি কি খেয়েছি তাও আগামী পর্বে আপনাদের দেখিয়ে দেব।


ছবি ১- থাইল্যান্ডের আলো জলসানো রুপ এখন সারা বিশ্বকেই তাদের কাছে টেনে নিয়ে যায়। তবে বাংলাদেশীরা থাইল্যান্ড একটু বেশি পছন্দ করে এই জন্য যে, থাইরা এখনো বাংলাদেশীদের ভিসা দেয়! বাংলাদেশীরা যে দুই দেশে বেশি যায় তার একটা হচ্ছে থাইল্যান্ড এবং অন্যটা হচ্ছে ইন্ডিয়া! তবে ইন্ডিয়ার চেয়ে থাইরা আমাদের জন্য ভাল প্রশার সাজিয়ে রাখে। থাইরা বাংলাদেশীদের ভাল চোখেই দেখে থাকে। থাইল্যান্ডে সব কিছু চলে সময়ের হিসাবে, সময় মত আমাদের ক্রুজ এসে পড়ে!


ছবি ২- ক্রুজের ওয়েল কাম ফুড ছিল, চিপস এবং রোষ্টেড বাদাম। আর পানীয় ছিল তরমুজের রস। থাইরা তরমুজ খুব পছন্দ করে বলে জানতে পেরেছি! ঠান্ডা পানিতো আছেই।


ছবি ৩- স্বাগত বক্তব্যের পর থাই গান দিয়ে শুরু হল লাইভ অনুষ্ঠান। মেয়েটা অনেক ভাষায় গান গাইতে পারে। পারে না শুধু বাংলা ভাষায়! তবে সে গানের শুরুতে কথায় অনেক দেশের নাম নিয়েছিল, এটা বলেছিল যে, এখানে অনেক বাংলাদেশী আছে।


ছবি ৪- শুরু হয়ে যায় বুফে খাওয়া দাওয়া! দুনিয়ার সব দেশীরাই খাবার দাবারে কার আগে কে? বিশাল ভীড়, ঢেলাঢেলি! কিন্তু খাবারের অভাব নেই, শেষ হয়ে গেলেই নিয়ে আসছিল। আমার ছবি গুলো, শেষই তোলা, তখন ভীড় আর ছিল না!


ছবি ৫- অনেক খাবারের নাম এখন আর মনে করতে পারছি না!


ছবি ৬-


ছবি ৭-


ছবি ৮-


ছবি ৯-


ছবি ১০-


ছবি ১১- সুশি।


ছবি ১২- নানান পদের সালাদ।


ছবি ১৩- দুই পদের স্যুপ।


ছবি ১৪- চিকেন ফ্রাইড রাইস।


ছবি ১৫- সাদা ভাত (প্লেন রাইস) এবং নুড্যুলস।


ছবি ১৬-


ছবি ১৭- ভেজিটেবলস


ছবি ১৭- ফ্রেঞ্চ ফ্রাই।


ছবি ১৮-


ছবি ১৯- চিকেন ফ্রাই এবং ফিস ফ্রাই।


ছবি ২০- চিংড়ি ও ঝিনুক (আগেই বলে রাখি আমি ঝিনুক খেয়ে দেখেছি)


ছবি ২১-


ছবি ২২-


ছবি ২৩- আমার ধারনা মতে সারা ক্রুজে আমরা শ’তিনেক লোক ছিলাম হয়ত।

(বাকী পরের পর্বে, আরো অনেক কথা ও ছবি আছে!)

13 responses to “ব্যাংকক আড্ডাঃ পর্ব ১ (ডিনার ইন দ্যা ক্রুজ)

  1. অনেক খাবারের নাম এখন মনে করতে পারছি না তাই কিছু ভুল হতে পারে, আগেই পাঠক/পাঠিকাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। থাইল্যান্ডের এই সব কিছু আমাদের দেশের অনেকের কাছে এখন পানি ভাতের পানি! আমাদের দেশের মোটামুটি টাকাওয়ালারাও থাইল্যান্ড সফর শেষ করেছেন বলে আমি মনে করি। পাসপোর্টে থাই ভিসা আছেই আছে। কাজে কাজেই আমার ভুল ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

    Like

  2. Vaijan, Zinuk khaite kemon lagcee??

    Like

    • ধন্যবাদ রেদোয়ান ভাই।
      আমার কাছে তেমন ভাল লাগে নাই। ভোটকা একটা ঘ্রান মনে হচ্ছে এখনো মুখে লেগে আছে। তবে এটা আমার প্রথম খাওয়া নয়, আমি আগেও ব্যাংকক গিয়েছি এবং সেবারেও খেয়েছিলাম। ভাল কিছু নয়! হা হা হা…

      Like

  3. Taito to boli, apnar kothay/lekhay ato mukta jhore keno.. Samuk khan bolei…. Ha ha@

    Like

  4. Thanks brother. Kichu baparto deakchi amader moto e.

    Like

    • ধন্যবাদ কামাল ভাই।
      হা, কামাল ভাই, কিছু খাবার সারা দুনিয়াতে এক রকম। তবে পরিবর্তন হচ্ছে আমরা খাবারে ভেজাল দিয়ে চলছি। (খাদ্যে ভেজালকারীদের ফাঁসি চাই)
      শুভেচ্ছা।

      Like

  5. বুফেতে আমি মূলত সি ফুড খাই। ঝিনুক ভালো লাগে। ওয়েস্টার কাঁচাই বেশি ভালো লাগে।

    Like

    • ধন্যবাদ বন্ধু মাহাবুব।
      তোর কমেন্ট দেখে খুবই খুশি হলাম। খাবার দাবার নিয়ে তোর অভিজ্ঞতা আমার চেয়ে অনেক বেশী তা আমি জানি। রেস্টুরেন্ট চালাতে গিয়ে আরো অনেক অনেক বেশি জেনেছিস এবং কাছ থেকে দেখেছিস।

      দোস্ত, একদিন এসে পড়বো!

      (মরে গেলে ক্ষমা করে দিস, তোর কথা মনে পড়ে কিন্তু যোগাযোগ রাখতে পারি না বলে লজ্জিত হই। আমি এবং বিশু এক সাথে হলেই তোর কথা বলি, আর প্লানিং করি, কখন যাবো! কিন্তু যাওয়া হচ্ছে না!)

      শুভেচ্ছা।

      Like

  6. বুফে খাবার আমিও পছন্দ করি। বেশি খেতে পারলে ভাল হত তা পারি না।

    Like

  7. River cuise a amio giechilam..khub e valo…buffet khabar, band show..and rater bangkok….upovoggo

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s