Gallery

রেসিপিঃ ঢেঁড়স ভর্তা (ঝটপট)


প্রতিদিন আমাকে কিছু না কিছু নুতন রেসিপি চিন্তা করতে হয়। চেষ্টা করি, অন্তত একটা নুতন রান্না করার জন্য। প্রায় ৩৫০টি রেসিপি একটা বিরাট ব্যাপার, বার বার যেন একই রেসিপি না আসে সেদিকে খেয়াল এবং মাছ মাংস পরিবারে প্রায় প্রতিদিন রান্না হয় আমি সেই দিকে বেশী তাকাই না, নিজে রান্না করলেও ছবি তুলি না কারন এমন রান্নার রেসিপি আগে পোষ্ট করা হয়ে গেছে (যদিও দুনিয়ার প্রতিটা রান্নাই ইউনিক)। আলাদা কিছু না হলে ক্যামেরা রান্নাঘরে যায় না!

আসলে একটা বিষয় এখন মাথায় আসে, একটা পরিবারে সারা জীবনে কত প্রকারের রান্না হয় কিংবা আমরা কত প্রকারের রান্না খাই এক জীবনে। তবে ভেবে দেখেছি, ধনী ও গরীব হলে এটা কম বেশী হয়। ধনীরা খাবারে বেশী ভিন্নতা পছন্দ করে, টাকা থাকার কারনে ভিন্ন ভিন্ন খাবার খেতে পারেন। ধনীরা বাসায় খাবার খেলেও হোটেল রোস্তারায় নানা প্রকারের খাবার খেয়ে থাকেন। যাদের আরো বেশী টাকা তারা বড় বড় স্টার হোটেলে বুফেতে খেয়ে থাকেন। বুফেতে নানান প্রকারের খাবার থাকে, যার যা এবং যত ইচ্ছা খেতে পারেন। নিদিষ্ট টাকায় অনেক প্রকারের খাবারের মজা নেয়া বেশ আনন্দের বটে। অন্যদিকে গরীব বা মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকেরা বেশীর ভাগ সময়ে বাসায় নিজদের হাতে রান্না করা খাবার খেয়ে থাকেন, তাই খাবার রান্নার ভিন্নতা বেশি চিন্তা করতে পারেন না। যত যাই কিছুই বলি না কেন, খাবার দাবারের স্বাদ, কোয়ালিটি এবং ভিন্নতা সব কিছুই নিভর করে মাল্পানির উপর! ভাল মশলা কিনতে, কোয়ালিটি উপকরন কিনতে, সর্বপরি পরিবেশনার জন্য টাকা ছাড়া বিকল্প নেই। যাক, এসব বলে আর কি হবে, আপনারা জানেন বলেই জানি।

চলুন আজ একটা সহজ ভর্তা দেখে ফেলি, ঢেঁড়স বা ভেন্ডি ভর্তা। এই ভর্তা আবশ্য আপনি ফাইভ স্টার হোটেলের বুফেতেও পাবেন! ইচ্ছা হলে খান, নতুবা কাবাব সেকশনে যান! হা, হা, হা।

উপকরনঃ
– কিছু ঢেঁড়স বা ভেন্ডি
– সামান্য চিনি (শুধু স্বাদ বাড়ানোর জন্য)
– শুকনা মরিচ
– পেঁয়াজ কুঁচি
– লবন

প্রনালীঃ

সামান্য (এক চিমটির মত) চিনি যোগে ঢেঁড়স ভাপিয়ে নিন। শুকনা মরিচ গুলো সামান্য তেলে টেলে নিন। পেঁয়াজ কেটে এবং পরিমান মত লবন নিন।


প্রথমে পেঁয়াজ মরিচ লবন মিশিয়ে ভাল করে মাখুন (মরিচের ঝাল দেখে নেয়া ভাল)


এবার ঢেঁড়স মাখান।


এবার সব কিছু একসাথে মাখুন।


প্লেট বদলাতে ইচ্ছা না হলে নাই!


পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। গরম ভাতের সাথে ভাল জম্বে! খেয়ে নিশ্চয় বলতে হবে, ওয়াও!

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

15 responses to “রেসিপিঃ ঢেঁড়স ভর্তা (ঝটপট)

  1. Easy but Delicious:)—-radowan

    Like

    • ধন্যবাদ রেদোয়ান ভাই। হ্যাঁ এর চেয়ে আর কি সহজ হতে পারে। রান্নায় আপনার আগ্রহ দেখে আমার খুব ভাল লাগে। আপনি কি আপনার প্রসঙ্গে আমাদের একটু জানাবেন। আপনি কি নিজে রান্না করেন?

      শুভেচ্ছা।

      Like

  2. আমার ঢেঁড়শ গাছগুলো থেকে প্রতিদিন ২/৩টা করে ঢেঁড়শ তুলতে হয়। রেসিপিটা দেখে ভাল লাগল। এখন নিজের ফলানো ঢেঁড়শ ভর্তা করে খাওয়া যাবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    Like

    • ধন্যবাদ সিষ্টার, ইয়েস। তা হলে তো আর কথাই নাই। একদম মনের মত ভর্তা হবে। মাঝারি বয়সের ভেন্ডি দিয়েই এই ভর্তা বেশী স্বাদের হয়।

      একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন, আশা করি ভাল লাগবে। আমার চাষাবাদের জায়গা থাকলে আমি সবজি বাজার থেকে কিনে খেতাম না। একটু কষ্ট হলেও নিজের খাবার নিজে যোগাড় করতাম! হা হা হা…

      চাষাবাদ একটা চমৎকার অভ্যাস। এর চেয়ে আনন্দ এই দুনিয়াতে আর কি হতে পারে।

      শুভেচ্ছা। কেমন লাগল, আশা করি জানাবেন।

      Like

  3. ঢেঁড়শ ভর্তা আমার খুব প্রিয়। খুব খাই।

    Like

  4. Looks like I can try this recipe. I am not very fond of okra, but I know it is very nutritious. It is a very low calorie vegetable and good source of fiber and minerals.  I would like to try it. Please explain the process of “bhapano”. Is this same as blanching? Thank you.

    Like

    • হা অজ্ঞাত ভাই, এটা খুবই সহজ রেসিপি। আপনি পারবেন না কেন? অবশ্যই পারবেন। বাপানো মানে হচ্ছে গায়ে গায়ে পানি দিয়ে এক বার ফুটিয়ে তোলা। অনেক সময় পানি পাত্রেই শেষ হয়ে যায়। সামান্য সিদ্ব করাই হচ্ছে বাপানো। আশা করি চেষ্টা করে দেখবেন। শুভেচ্ছা।

      Like

  5. আমি তো এই ভর্তা কচি ঢেড়শ দিয়ে করি। এটা আমারও খুব প্রিয়।

    Like

  6. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

  7. জটিল জিনিস ভাই। ভেজেটিরেয়ানদের জন্য আলাদা ভাবে কিছু করা যায় নাকি একটু ভেবে দেখবেন।আপনাকে ও আপনার সহধমির্নীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    Liked by 1 person

    • ধন্যবাদ আজিজ ভাই,
      আমি প্রায় সব ধরনের খাবারের রেসিপিই দিয়ে যাচ্ছি। শাক সবজি বিভাগে ভেজিটেরিয়ান্দের জন্য অনেক রান্না আছে, দেখে যাবার আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম।

      আপনার কমেন্টের জন্য আমরা অনেক অনেক খুশি হলাম। শুভেচ্ছা।

      Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s