গ্যালারি

রেসিপিঃ কচুর মোড়া তরকারী (লেখকঃ সুস্মিতা পাল, দুবাই)


(এই রেসিপিটা আমাদের মেইল করেছন আমাদের রেসিপি প্রিয় পাঠিকা বোন সুস্মিতা পাল, দুবাই থেকে। তিনি আমাদের এই রেসিপি ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠিকা। আমরা আমাদের এই প্রবাসী বোনের মঙ্গল কামনা করি এবং আশা করি আগামীতে তিনি আমাদের আরো অনেক অনেক খাবারের রেসিপি দেবেন এবং আমরা তা টেষ্ট করে আপনাদের জন্য তুলে দিব। বোন সুস্মিতা পালের প্রথম রেসিপি আমাদের বেশ আনন্দ দিয়েছে এবং সেজন্য এটা আমরা এখানে তুলে দিলাম। ছবি দেখেই রান্নার প্রতি তার দরদের কথা বুঝা যায়। আশা করি রান্নাটা আমাদের মত আপনারাও করে দেখতে পারেন।)


দুবাইতে এই ধরনের কচুর মোড়া পাওয়া অসাধারন ব্যাপার। আমাদের দেশীরা এখন আসলে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে! নিজদের প্রয়োজনেই নিজেরা আমাদের দেশ থেকে সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে!

উপকরণঃ
কচুর মোড়াঃ ১টি
চানার ডালঃ ১কাপ
শুকনো মরিচঃ ২টি
পাঁচফোড়নঃ সামান্য (সম্ভার বা বাগারের জন্য)
আদা বাটাঃ হাফ চা চামচ
হলুদ গুড়াঃ এক চা চামচ
মরিচ গুড়াঃ সামান্য (না দিলে ও চলে)
ধনিয়া গুড়াঃ এক চা চামচ
জিরা গুড়াঃ হাফ চা চামচ
তেজপাতাঃ ২টি
কাঁচামরিচঃ ৪টি
লবণ, সয়াবিন তেল ও পানিঃ পরিমান মত ও
ধনিয়া পাতা কুচি।

প্রনালীঃ

প্রথমে কচুর মোড়া ফিলার বা বটি দিয়ে ছিলে চাক চাক করে কেটে নিতে হবে।


তারপর ধুয়ে কুচি কুচি করে কাটতে হবে।


চানার ডাল ৬ ঘন্টা আগে ভিজিয়ে রাখলে সিদ্ধ করতে সময় লাগবে না। ছানা ডাল একটু লবন আর হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে পানি শুকিয়ে ফেললে ভাল, তাই পানি পরিমানে কম দিতে হবে সিদ্ধ করার সময়।

একটা পাত্রে পরিমানমত তেল দিয়ে শুকনো মরিচ আর পাঁচফোড়ন ও তেজপাতা দিতে হবে (এটি সম্ভারের জন্য)। তারপর সিদ্ধ ডাল দিয়ে আদা বাটা, হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া গুড়া দিয়ে কচুর মোড়া দিয়ে দিতে হবে। পরিমানমত লবণ দিয়ে কষাতে হবে একটু পানি দেওয়া যায় যদি নিচে না লাগে। তারপর কিছুক্ষন কষিয়ে পরিমানমত পানি দিতে হবে। ঢাকনা দিয়ে চার মিনিট রান্না করতে হবে। মাখা মাখা হলে জিরা গুড়া দিয়ে কিছুক্ষন ঢেকে রাখতে হবে। সবশেষে কাঁচামরিচ আর ধনিয়া পাতা দিয়ে নামাতে হবে।

ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। আহ, দেখেই প্রান জুড়াচ্ছে।

(এছাড়া এই বোন আমাদের তার নিজের রান্নার আরো দুই পদের ছবি পাঠিয়েছেন, যা আপনাদের না দেখিয়ে পারছি না। রান্নার রং দেখেই বুঝা যায়, এই বোনের রান্নার হাত কত পাকা। আমরা তার জন্য সব সময়ে শুভ কামনা করি। স্বামী সন্তান নিয়ে তিনি আনন্দে থাকুন।)


পালং শাক রসুন দিয়ে ভাজি।


টমেটো দিয়ে কেচকি মাছ ভুনা।

(ধন্যবাদ বোন। আমরা কচুর মোড়ার রান্নাটা যে কোন সময়ে করে ফেলবো। খুব সাধারন কিন্তু স্বাদে নিশ্চয় আমাদের মন ভরিয়ে দেবে। শুভেচ্ছা আবারো।)

প্রিয় রেসিপি প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কি বলেন?

Advertisements

16 responses to “রেসিপিঃ কচুর মোড়া তরকারী (লেখকঃ সুস্মিতা পাল, দুবাই)

  1. Vaia, can not see the pics in the post, but other posts are fine.

    Like

    • ধন্যবাদ রনি ভাই, বিষয়টা জানানোর জন্য খুশি হয়েছি। আমি ছবিগুলো ডাইরেক্ট আমার মেইল থেকে লিঙ্ক দিয়েছিলাম বলে হয়ত দেখা যাচ্ছিলো না। এবার ছবি গুলো নামিয়ে আবার আপলোড করে তার লিঙ্ক দিয়ে যোগ দিলাম। আশা করি এখন আর সমস্যা হবে না।

      আপনি কেমন আছেন?

      শুভেচ্ছা নিন।

      Like

  2. Valo acchi vai, thank u for asking 🙂

    Apnar blog niyomito dekhi, apnar ekta ranna goto shoptahey korechi, chobi shoho post dewar ichcha time pelei 🙂
    (bangla na lekhar jonno sorry, ekkhoni ber hote hobe, valo thakben)

    Like

    • ধন্যবাদ রনি ভাই।
      আজকাল মোবাইল এবং নোট প্যাড থেকে অনেকেই ব্লগ দেখেন এবং ইংরেজীতে কমেন্ট করতে হবে বলে কমেন্ট করেন না। আমি মনে করি, কমেন্ট যে ভাষাতেই হউক, চলে এবং চলে। ব্যাপার না।
      শুভেচ্ছা। আপনারা আমাদের পছন্দ করেন বলেই আমরা নুতন নুতন রেসিপি নিয়ে আসতে সাহস পাই।

      Like

  3. ধন্যবাদ সাহাদাত ভাই। আপনি এইভাবে প্রশংসা করবেন আমি ভাবতেও পারিনি। আপনার এখানে রেসিপি টা দেখে আনন্দে আমার চোখে পানি এসে গেছে। আর ও ভালো লাগবে আপনি যদি এটা রান্না করেন। সুযোগ থাকলে নিজে রান্না করে খাওয়াতাম। সেটাতো এখন হচ্ছে না। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা আপনাদের সবার জন্য।

    Like

  4. Thanks both of you. It is great. I am showing this recipe to my wife. She agree to cook once.

    Sorry for not writting Bangla. I watch always this blog from my note pad. Hope you both will not mind.

    Great job.

    Like

    • ধন্যবাদ জাভেদ ভাই।
      আপনার এই কমেন্টের পর আর কিছু বলার থাকে না।
      আপনি রান্নার প্রতি যে উদারতা দেখিয়েছেন যেটাই আমাদের চাওয়া।
      আশা করি একদিন আপনিও আমাদের মত রান্না করবেন।
      শুভেচ্ছা। আমাদের সাথে থাকুন।

      Like

  5. এই মুড়া কচুর আরেকটি মজাদার রেসিপি দিচ্ছি।
    কচুর মুড়া ছিলে মিহি করে কুচিয়ে অল্প হলুদ দিয়ে সিদ্ধ করে পানি চিপে নিবেন।
    প্যানে তেল দিয়ে এক চিমটি জিরা ও ২/৩টি টুকরা করা শুখনা মরিচ ফোড়ন দিয়ে ১ টেবিল চামচ পিয়াজ কুচি, ১ চা চামচ আদা কুচি, ১ চা চামচ রসুন কুচি পরিমান মত লবন দিয়ে অল্প ভেজে সিদ্ধ করা কচু দিয়ে ভালো করে ভেজে নামিয়ে গরম ভাতে খেয়ে দেখবেন।

    Like

    • ধন্যবাদ আপা,
      অনেকদিন আগে আমিও কচুর মুড়া এমন করে (প্রায় মিল) ভুনার মত করেছিলাম এবং বেশ মজাদার হয়েছিল। এত সহজে এমন মজাদার খাবার বাংলাদেশ ছাড়া আর কোথায়ো নেই!

      শুভেচ্ছা।

      Like

    • সুরঞ্জনা আপার এই রেসিপিটাও আমার মা করেন। আবার আরেকভাবেও করা যায়। কচুর মোড়া ছিলে পিস পিস করে লবন দিয়ে ভাপিয়ে পানি ফেলে দিতে হবে। সাদা সরিষা,কাঁচামরিচ,নারিকেল কুরানো আর ভাপা কচুর মোড়া একসাথে বেটে তারপর একটু সরিষা তেল আর লবণ দিয়ে মেখে দারুন লাগে গরম ভাতের সাথে। তবে আর ও কিছু একটা দেয়, কিন্তু আমি ভুলে গেছি। কিন্তু এইভাবেও খাওয়া যায়।

      Like

  6. কচুর মোড়ার সাথে সাতকরা দিয়ে রান্না করা যায় । খেতেও বেশ লাগে

    Like

  7. can not see the pics in the post, but most of the posts are fine.

    Like

  8. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s