Gallery

রেসিপিঃ বাদামী গোসত রান্না (দুইবোন রশিদা এবং রাশিদাকে)


আমি নেটে রেসিপি লিখা শুরু করার পর আমার অনেক বোন হয়েছে। নেটে রেসিপি লিখার পর আমি দেখতে পারছি বোনেরাই বেশি কমেন্ট করছে। বিষয়টাতে এটা বুঝা যায় যে, আমরা যতই চেষ্টা করছি না কেন রেসিপিতে বোনদের আগ্রহই বেশী। তবে পাশাপাশি ভাইদের এগিয়ে আশার সংখ্যাও কম নয়। সে যাই হউক, আজ দুই বোনের কথা লিখব, যাদের নামে মিল। কাজে কাজেই চলুন রান্না ও রেসিপির আগে গল্প করি।

আমার এই দুই বোনের একজনের নাম রশিদা এবং অন্যজন রাশিদা। দুইজনের একজন থাকেন দেশে অন্যজন প্রবাসে। বয়স মনে হয় কাছাকাছি হবেই! দেখতে দুইজনই রোগা পাটকা! হা হা হা… বেশ মিল! দুইজনই আমার রেসিপি ও রান্না বেশ পছন্দ করেন। যদিও এখনো দুজনের একজনকেও রান্না করে খাওয়াতে পারি নাই! স্যাড……।

হা, প্রথম জনের কথায় আসি।  আমার এই ব্লগে প্রায় কমেন্ট করেন বোন রশিদা আফরোজের কথা বলছি। অনেক দিন আগের কথা। একদিন আমি ফোন পেলাম। তিনি পরিচয় দিলেন, আমি বুঝতে পারলাম (সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ)। রশিদা আফরোজ আমাদের দেশের নামকরা একটা প্রত্রিকায় কাজ করেন, আমার এক বন্ধুর সাথে উনার বেশ পরিচয়, সে সুত্রে উনার নাম আমি শুনেছি আগেই। আমি বল্গে নানান বিষয়ে লিখি তিনি আমার সেই লেখা গুলো পড়েছেন এবং কমেন্ট করেছেন। এই কমেন্টের কারনেই আমি তাকে চিনেছি। বিশেষ করে রান্না নিয়ে তার উৎসাহ চোখে পড়ার মত। সারা দুনিয়ার কোথায় কি রান্না হচ্ছে তা তার নখদর্পনে (হয়ত রেসিপি বিট কভার করেন বলেই, হা হা হা…।)।

আর অন্য বোন রাশিদা আক্তার। ইটালী প্রবাসী, স্বামী সন্তান নিয়ে সেই যে কবে প্রবাসী হয়ে গেল! আমার আদরের ছোট বোন। কত বছর দেখি না। আমাদের তিন ভাইয়ের এক বোন সে। প্রিয় ছোট বোন। আমাদের কত কি স্মৃতি, কত কি মজা, কত কি ঘটনা। আমার রেসিপি গুলোর মেইল পায় নিয়মিত, কিন্তু কমেন্ট করে না। আমি নিজে প্রবাসে থাকার কারনে এবং পরবর্তিতে সে প্রবাসী হয়ে যাওয়াতে আমি খুব একটা ওর হাতের রান্না খেয়েছি তা বলা যাবে না তবে যে কয়েকটা রান্না খেয়েছি তা আমার মায়ের হাতের রান্নার মতই মনে হয়েছে। শহীদবাগের বাসায় থাকার সময় সে মাঝে মাঝে রান্না করত। আমি রান্না শিখেছি/পারছি তা বেশি দিন নয়, কিন্তু সে যে প্রবাস থেকে এখনো এল না! আমি রান্না শিখে ফেলেছি বা রান্না করতে পারি এটা মনে হয় ওকে কেহ মেরে বুঝালোও মানবে না! আমি নিশ্চিত ১০০ ভাগ! হা হা হা… হয়ত চোখ উল্টে বলবে, “দূর কি যে বলিস, মেজভাই আর রান্না! মেজভাই যেদিন রান্না করবে সেদিন দুনিয়া উল্টে যাবে!” হা হা হা… “এবার বেড়াতে আসিস। আমার রান্না খেয়ে তোকে স্বীকার করতেই হবে। দেখিস কেমন রান্না করি। তোর চেয়ে ভাল রান্না না করতে পারলে কচু গাছে ফাঁস লাগাবো!”

এবার কাজের কথায় আসি। নেটে বোন রশিদা যখনই কমেন্ট করেন আমার মনে হয় আমার ছোট বোন রাশিদা কমেন্ট করল। আর বোন রাশিদার কথা মনে হলে চোখে ভেসে উঠে রশিদার কথা! দুইবোন এভাবেই আমার মনে জড়িয়ে আছে। ভুলি কি করে! আমৃত্য এই দুইবোনকে আমার মনে থাকবেই।

আমার আজকের রেসিপি এই দুই বোনের জন্যই। দুইজনই পুরা গৃহিণী, দেখা যাক আমার এই রান্না দেখে তারা কি বলে উঠে! বাদামী গোসত রান্না।

উপকরনঃ
– খাসির গোসত, টুকরা ছোট বা আপনার ইচ্ছা মত করে নিতে পারেনঃ ৭৫০ গ্রাম
– নারিকেল কুরানো বা নারিকেল দুধ (আমি নারিকেল কুরানো দিয়েছি)ঃ ১ কাপ
– পেঁয়াজ কুঁচি বা বাটাঃ হাফ কাপ
– আদা বাটাঃ ১ টেবিল চামচ
– রসুন বাটাঃ ১ টেবিল চামচ
– এলাচিঃ ৪/৫ টি
– দারুচিনিঃ ১ ইঞ্চির ৩/৪ টুকরা
– কাঁচা মরিচ বাটাঃ ১ টেবিল চামচ (ঝাল বুঝে)
– ধনিয়া পাতা বাটাঃ ১ টেবিল চামচ
– লবনঃ পরিমান মত
– তেলঃ সয়াবিন তেল হাফ কাপের চেয়ে কম
– পানিঃ পরিমান মত

(লক্ষনীয় বিষয়ঃ হলুদ গুড়া ও লাল মরিচ গুড়া বা বাটা নেই।)

প্রনালীঃ

ভাল করে খাসীর মাংস ধুয়ে নিন। লবন পানি যোগে।


ঠিক এমন দেখাবে। চর্বি বাদ দেয়াই ভাল, শরীরের জন্য চর্বি চলে না।


এবার উপরে উল্লেখিত সব মশলা/ভেজস দিয়ে দিন। তেল ও লবন দিতে ভুলবেন না।


ভাল করে মাখিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিন।


সামান্য তেল গরম করে এবার তা চুলায় হাড়িতে বসিয়ে দিন এবং ঢাকনা দিয়ে চুলার আশে পাশে থাকুন। রান্নাঘর ছেড়ে যাবেন না। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন।


আগুন চলুক। যতক্ষন গোসত সিদ্ব না হয় ততক্ষন চলুক। প্রয়োজনে গরম পানি দেয়া যেতে পারে।


গোসত নরম হয়ে গেলে এবং তেল উঠে গেলে ফাইন্যাল লবন দেখুন। ঝোল কেমন রাখবেন তা আপনি সিদ্বান্ত নিন। আমি ঝোল কম রেখেছিলাম।


এই নিন বাদামী গোসত। আমি নিশ্চিত, খেয়ে আপনাকে বলতেই হবে, ভাইজান একটা রান্নাই হয়েছে।


আপনি চাইলে যে কোন মাংস ব্যবহার করতে পারেন। চিকেন কিংবা বিফ, মশলা ঠিক রেখে রান্না করেই দেখুন না।


সোনামনিদের জন্য পরিবেশনা।

আশা করি আমার দুইবোন এই রান্না করে তাদের পরিবার নিয়ে মজা করে খাবেই। আর আপনারা! হা হা হা… এটা সবার জন্য উন্মুক্ত। দূরে বসে থাকলে কি চলবে? আপনারাও যে আমার ভাই এবং বোন। আসুন, আসুন, এখানে বসুন।

কৃতজ্ঞতাঃ অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবীর (যার বই আমি প্রায় দেখি) এবং মানসুরা হোসেন (যিনি না থাকলে আমি হয়ত রান্নায় আগ্রহীই হতাম না)।

Advertisements

22 responses to “রেসিপিঃ বাদামী গোসত রান্না (দুইবোন রশিদা এবং রাশিদাকে)

  1. আমি বাকরুদ্ধ। সম্মানিত বোধ করছি। তবে ভাইয়া, আমি নিউজে কাজ করি। আগে যখন ‌’দিনের শেষে’ পত্রিকায় ছিলাম, তখন ঈদে রান্নার ২টা পেজ আমি করতাম। সেজন্যই আপনার কাছে রেসিপি চেয়েছিলাম। তবে রান্নার প্রতি আমার অসম্ভব টান। অফিসে কাজের অবসরে রেসিপি দেখি।
    ভাইয়া, এই রেসিপিটা আপনার বোন জামাই খুব পছন্দ করবেন। কারণ নারকেল দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া কাচামরিচ ও ধনেপাতার পেস্ট রান্নায় ব্যবহার করতে উনি পছন্দ করেন।
    এই শুক্রবার মটর পোলাওর সাথে এই রেসিপিটা করবো ইনশাল্লাহ। তবে আমি মুরগি দিয়ে করবো। খাসির মাংসে চুল থাকে। কীভাবে পরিষ্কার করতে হয় এখনো শেখা হয়নি।
    অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি সত্যি খুব খুশি হয়েছি আমার কথা লিখেছেন বলে। আমার মিতা বোন দেশে এলে আমাকে জানাবেন।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      দুলাভাইয়ের পছন্দ মত একটা রেসিপি দিতে পেরেছি বলে খুব খুশি লাগছে। হা হা হা… মনে আনন্দ হচ্ছে। রান্না এবং রেসিপির জন্য আপনার কেমন টান তা আমি বুঝতে পারি, সেটা কমেন্টে বুঝা যায়।

      আপনি খাসির গোসতের চুলের কথা বলেছেন। হা, দুই একটা চুল পাওয়া যায় বটে তবে প্রথম ছবিটা দেখুন। কি করে লবন পানি যোগে দুই হাত দিয়ে আমি খলখলিয়ে ধুয়ে একদম ফ্রেস বানিয়ে নিয়েছি। আপনিও এভাবে ধুয়ে নিতে পারেন। দুলাভাইকে খাসি খাওয়াতে হবে। হা হা হা।।

      সে আর আপনি সেইম টু সেইম হবেন। কথা এবং আপনার আচরণে আমি ওকেই দেখতে পাই।

      আশা করি আমাদের নেটের এই চলার পথে আপনাকে সব সময় পাবো ছোট বোনের মত করেই এবং আশা করবো আপনি আমাদের মাঝে মাঝে দেখে যাবেন।

      আপনার কমেন্টে এই পোষ্ট সার্থক হল।

      ভাল থাকুন।

      Like

  2. আপনার রেসিপির প্রিন্ট কপি নিয়ে নিয়েছি। আজ বাসায় গিয়ে অবশ্যই রান্না করব,কালকের পোলাও আছে আর আজকের বাদামী গোস্ত।ঘরে নারিকেল,মুরগী দুটোই আছে।আমি তো এখন অফিস থেকে গিয়ে রান্নাঘরে চলে যাই যাতে রান্না তাড়াতাড়ি করতে পারি।আসলে ভাইয়া আমরা দু’জন দুই জায়গার হওয়ায় খাবারেও ভিন্ন ধরন আসে।আমাদের এরিয়ার সব রান্না ওর ভালো লাগতো না।তেমনি ও যখন রান্না করতো তখন আমার ও এতো ভালো লাগতো না।তবে এখন আর সমস্যা হয়না। আমরা দু’জনে চাকরী করি আবার প্রতিযোগিতা করে রান্না করি।এখন আমার রান্নাই বেশি ভালো হয় আর আমিও চেষ্টা করি নতুন কিছু করতে(যদিও সব আপনার রেসিপি দেখে)।আপনার রেসিপি দেখেই আমার রান্নার উৎসাহ দিন দিন বাড়ছে।রান্না জিনিসটা যে এত সহজ তা আপনার রেসিপি দেখেই উপলব্দি করলাম।আমার হাসব্যান্ডকে অবশ্য আমার এই গোপন রেসিপি ভান্ডার জানানো হয়নি, জানলে তো আমার প্রশংসার পরিমান কমে যাবে…হাহাহা……।উল্লেখ্য, আমার বাড়ী সিলেট আর আমার হাসব্যান্ড এর বাড়ী ফেনী।

    Like

    • হা হা হা… বোন আপনার কমেন্ট পড়ে হাসতে হাসতে শেষ হয়ে যাচ্ছি…।
      দশাতো আমার মতই!
      আমি মাছ না ভেজে রান্না পছন্দ করি আর আমার ব্যাটারী যে কোন মাছ ভেজে। আমার যুক্তি হচ্ছে তাজা মাছ কেন ভাজব। ভেজে রান্না করলে মাছের যে নিদিষ্ট ঘ্রান ও স্বাদ থাকে তা চলে যায়! তাজা মাছ ভাজার কোন মানে দেখি না, ভাজতে হয় হাল্কা নরম হয়ে গেলে! হা হা হা…

      আমার বাবার বাড়ী ফেনী! আর শশুরবাড়ী আখাউড়া। এদিকে আমার জন্ম সিলেটের শ্রীমঙ্গলে! সব তালগোল পেঁচানো! হা হা হা।। এটাই জীবন, চলুক।

      পুরানো পোলাউ গরম করার একটা তরিকা বলে যাই। ফ্রীজ থেকে নামিয়ে কিছুক্ষন রেখে দিবেন তার পর একটা পাতিলে পানি গরম করুন এবং সেই পাতিলের উপরে পোলাউএর পাতিল বা কড়াই বসিয়ে দিন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দেবেন। আর বেশী শক্ত হয়ে গেলে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিতে পারেন। এটা হচ্ছে স্ট্রীম টাইপে কোন কিছু গরম করা। এই ভাবে গরম করতে সময় কিছুটা বেশি লাগলেও যা গরম করবেন তার স্বাদ আগের মতই অক্ষুন থাকবে।

      রান্না আসলেই সহজ কাজ। শুধু লাগে ধৈর্য এবং ভালবাসা। ভুলে গেলে চলবে না, আপনি আপনার জন্যও রান্না করছেন কিন্তু! হা হা হা… রান্না একটা বিরাট ভালবাসা।

      আপনার পরিবর্তনে আমরা বিরাট খুশি। আজ এই কমেন্ট নিয়ে (বাসায় গেলে মোবাইলে নেট দেখি মাঝে মাঝে) আমাদের মাঝেও অনেক কথা হবে।

      ভাল থাকুন।

      Like

  3. ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার পোলাউ গরম করার পদ্ধতির জন্য। দেশে আমার মাকে দেখতাম এভাবে গরম করতে,আসলে দেশের বাইরে থাকি আর এখানে সময়ের অভাব আর অলসতা যাই বলেন,ওভেন ব্যবহার করি। তাই গরম করতে ওভেন ব্যবহার করি। আমি চা ওভেনে করে ফেলি।আর মাছের কথা বলছেন, আমাদের এখানকার মাছ না ভেজে আপনি মুখে দিতে পারবেন না। আবার ও ধন্যবাদ আপনাকে।আর ব্যক্তিগতভাবে আমি মাছ কম পছন্দ করি।তাই হয়তো গন্ধটা বেশি লাগে…..

    Like

    • হা হা হা…।
      দেশে আমরা বিদ্যুতের দামের ভয়ে ওভেন ব্যবহার করি না! আমাদের একটা ইলেক্টিক ওভেন আছে, মাছ বেক করব ভাবি আবার রেখে দেই। অনেক বিদ্যুত লাগে।

      মাছে আমার অরুচি নাই। আমি মাছ খেতে বেশ পছন্দ করি। তবে মাছের রান্নাটা ভাল হওয়া বেশ জরুরী।

      শুভেচ্ছা থাকল।

      Like

  4. Apnar bonder golpo mon chuya galo. Ranna besh mojar hoycha nischy.

    Like

  5. চমৎকার বন্ধু।

    Like

  6. আমার আম্মাও ভাত কিংবা পিঠা এভাবে ভাপে গরম করতেন। আমি একেবারে কম আঁচে চুলায় পাতিল বসিয়ে দেই। চমৎকার গরম হয়।
    মাছ ভেজে রান্না করলে মাছের ওপরের পাতলা চামড়াটা পুড়ে যায় (যা আসল পুষ্টি) এবং ভাজতে যেয়ে তেলও পোড়ে। সেই তেল ফেলে দেওয়া মানে অপচয় আবার খাওয়া মানে ক্ষতিকর…। পুড়ে যাওয়া তেলে তেলের পুষ্টিগুণ থাকে না।
    তবে সুস্মিতার কথাও ঠিক। বিদেশের মাছ না ভেজে খাওয়া যায় না।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      কোন কিছু গরম করার জন্য বাস্প স্টাইলের জুড়ি নেই। সামান্য আঁচ দিয়েও যদি আপনি টিভি দেখতে লেগে যান তবে পুড়ে যেতে পারে! হা হা হা…

      তেল যত কম ততই মঙ্গল। আর স্বাদ ও ঘ্রানের কথা মাথায় রাখতে হবে। হা হা হা।।

      আমি প্রবাসে থাকার সময় শুধু গোসত খেয়েছি! মাছ তেমন পেতাম না, পেলেও সামুদ্রিক মাছ! ভাজি মাষ্ট ছিল। অবশ্য তখন আমি রান্নাও জানতাম না।

      মাইক্রোওভেন/ ইলেক্টিক ওভেনের জুড়ি নেই! সময় বাঁচিয়ে দিচ্ছে।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  7. Thik bolechhen. Olpo aache chulay patil boshiye kheyal rakhte hoy. Vaap-e valo. Tension thakbe na.
    Ekhon theke tai korbo.

    Like

  8. এই রান্নাটা আমাদের একজন রেসিপি প্রিয় বন্ধু অরুন রান্না করেছেন এবং তার পাঠানো প্রথম এবং শেষ ছবি দেখেই বলা যাচ্ছে, রান্নাটা আমাদের চেয়ে বেশী ভাল হয়েছে। আমরা অভিনন্দন জানাই।
    http://wp.me/p1KRVz-DC

    Like

  9. শ্বশুরবাড়িতে কোরবানির ঈদ …রান্না করতে পারিনা…সবাই চায় একটা ডিশ রান্না করি অন্তত…খুব ভয়ে ছিলাম নেট এ বসে আপনার পোস্ট পড়ে মনে জর পাছছি।।রান্না জিনিস টা তো দেখি খুব কঠিন না…জানি আপনার লেখার গুন… চেষ্টা করব… কৃতজ্ঞতা।

    Like

  10. ভাইজান আপনার বাড়ি ফেনি আগে জানতাম না। জেনে খুব ভাল লাগল কারন আপনি আমার দেশি 😀

    Like

  11. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s