Gallery

রেসিপিঃ বোয়াল মাছের লেজের ঝোল (উৎসাহ মুলক রান্না, নবীনদের জন্য)


বোয়াল মাছের লেজের ঝোলের কথা মনে পড়লে কার না জিবে জল আসে। বোয়াল মাছের কথা মনে হলে, বোয়াল মাছ দিয়ে এই ধরনের ঝোল রান্নার কথাই মনে পড়ে যায়। তাজা বোয়াল মাছ খেয়ে যে মজা তা বলে শেষ করা যাবে না। বোয়াল মাছ ভেঁজে রান্না করা উচিত নয় বলে আমি মনে করি। তাজা মাছের ঘ্রান নষ্ট হয়ে যায়।

আজ হাতে তেমন সময় নেই। চলুন কিছুদিন আগের একটা সহজ রান্না দেখে নেই। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। আপনারা যারা আমাদের রেসিপি পড়েন তা নিশ্চয় জানেন, চারটে বোয়াল আমরা আখাউড়া থেকে পেয়েছিলাম! এই চারটে বোয়ালের লেজ দিয়ে এই ঝোল রান্না। খেতে বসে সবার পাতেই লেজ! আহ……।।

উপকরনঃ
– বোয়াল মাছের লেজ (আমাদের কাছে চার টুকরা ছিল)
– পেঁয়াজ কুঁচি – মাঝারী সাইজের দুটো
– আদা বাটা – এক টেবিল চামচ
– রসুন বাটা – এক টেবিল চামচ
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– পরিমান মত লাল মরিচ গুড়া
– এক চিমটি জিরা গুড়া
– পরিমান মত লবন
– পরিমান মত তেল/ পানি
–  ধনিয়া পাতার কুঁচি
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ

প্রনালীঃ

বোয়াল মাছের লেজ।


গরম তেলে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে আদা, রসুন দিয়ে ভেজে নিন।


মরিচ, হলুদ, জিরা দিয়ে দিন এবং এক কাপ পানি দিয়ে দিন। এক দুটা কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাল করে ঝোল বানিয়ে নিন। মোটামুটি তেল উঠে যেতে দিন। মশলার ঘ্রান যেন মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়।


এবার মাছ গুলো (কেটে পরিস্কার করে রাখা) দিয়ে দিন এবং আবারো কিছুক্ষন কষিয়ে নিন।


মাছ গুলো ডুবে যায় এমন করে পানি দিন। মাছ নাড়া চাড়ায় সাবধান।


ব্যস মিনিট পনরর জন্য ঢাকনা দিয়ে আগুনের আঁচ বাড়িয়ে দিন। মাঝে মাঝে মাছ উলটা পালটা করতে দিয়ে পারেন। তবে মাছ যেন ভেঙ্গে না যায়। বড় খুন্তি দিয়ে নাড়ালে ভাল হবে।


এমন অবস্থায় এসে পড়বে। এবার ফাইন্যাল লবন দেখুন। ঝোল ছোট চামচে তুলে ঠান্ডা করে ঝোলের স্বাদ দেখুন। লবন লাগলে দিন।


ধনিয়া পাতার কুঁচি ছিটিয়ে দিন।


ঝোল কেমন রাখবেন তা আপনি নির্ধারন করুন।


ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


চলবে জনাব, বোয়াল মাছের লেজের ঝোল!

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

5 responses to “রেসিপিঃ বোয়াল মাছের লেজের ঝোল (উৎসাহ মুলক রান্না, নবীনদের জন্য)

  1. বোয়াল মাছ অনেকদিন খাওয়া হয়নি। ছোটবেলায় বাসায় বোয়াল মাছ রান্না হলে আমার পাতে সবসময় লেজের অংশ দেওয়া হতো।
    আপনি তো দেখি মহাযন্ত্রণায় ফেলে দিচ্ছেন ভাইয়া। এখন তো মনে হচ্ছে বোয়াল মাছ খেতে হবে। আপনার রান্নার ঝোলের কালার সবসময় বেশ সুন্দর হয়। স্বাস্থ্যকর কালার বলা যায়।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। আমি তরকারীতে মশলা দিতে বেশ সর্তক থাকি। আর কম মশলায় রান্না চালাতে চেষ্টা করি।

      বাজারে এখন প্রচুর বোয়াল। একটা কিনে ফেলুন। লেজের অংশ বড় করে কাটুন, রান্না করে লেজটা দুলাভাইর পাতে দিন। তারপর দুলাভাইয়ের চোহারা দেখুন। নিশ্চয় তিনি হেসে ফেলবেন!

      শুভেচ্ছা, ভাল থাকুন।

      Like

  2. দারুন! ইলিশ বাদে অন্য যে কোনো বড় মাছের লেজ আমি খুব শখ করে খাই।

    আমার বোনের হাতে আংটিটি মানিয়েছে খুব! 🙂

    Like

  3. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s