Gallery

রেসিপিঃ চিকেন চিলি ফ্র্যাজি (গায়ে গায়ে ঝোল)


চিকেন নিয়ে আমার এক্সপেরিমেন্টের শেষ নেই! সহজ খাবার হিসাবে চিকেনের তুলনা নেই, হাতের কাছে পাওয়া যায়, কাটা ধোঁয়ায় তেমন ঝামেলা নেই। আপনি নিজেও খুশি, স্বামী খুশি, স্ত্রী খুশি, বাচ্চা কাচ্চা খুশি, বুড়ো বুড়ি খুশি, মেহমানও খুশি! এক কথায় আবালবৃদ্ধবনিতা খুশি! এর পর থাকে নানান ধর্মের কথা। প্রায় সব ধর্মের মানুষই চিকেন পছন্দ করে থাকে। মানে দাঁড়ায় চিকেন হলে আর কি লাগে! খেতে বসে চিকেন পেলে কারোই কোন শব্দ থাকে না! তাই আমি বলি – আর কি চাই, চিকেনের তুলনা এই দুনিয়াতে নাই! চিকেন নিয়ে আমি এযাবৎ অনেক রেসিপি আপনাদের সামনে হাজির করেছি। আজ আর একটা রান্না হাজির করব, আশা করি দেখে আপনাদের ভাল লাগবে এবং আমি অনুরোধ করব, ঠিক একই কায়দায় রান্না করে দেখুন এবং রান্নার মজা লটুন!

গতকাল শুক্রবার দুপুরের আমাদের খাবারের টেবিলের মেনু ছিল চিকেন চিলি ফ্র্যাজি। রান্নাটা বেশ সহজ ও সুন্দর। তবে এই রান্না করার সময় রান্নাঘর ছেড়ে যাবেন না। রান্নার ধারে কাছে থাকবেন! হা হা হা…

চলুন দেখে ফেলি।

উপকরনঃ
– চিকেনঃ ১ কেজির মত (টুকরা ছোট বা আপনার ইচ্ছা মত করে নিতে পারেন তবে তাজা চিকেন হলে স্বাদ বেশী ভাল হবে)
– পেঁয়াজ কুঁচিঃ ১ কাপ
– আদা বাটাঃ ১ টেবিল চামচ
– রসুন বাটাঃ ১ টেবিল চামচ
– মরিচ গুড়া বা বাটাঃ ১ চা চামচ (বুঝে শুনে, ঝাল বেশী হলে আবার শিশুরা খেতে পারবে না! ঝাল পরিমিত হওয়া জরুরী)
– এলাচিঃ ৪/৫ টি
– দারুচিনিঃ ১ ইঞ্চির ৩/৪ টুকরা
– টমেটো সসঃ হাফ কাপ
– কাঁচা মরিচঃ ৫/৬ টা (ঝাল বুঝে)
– লবনঃ পরিমান মত
– তেলঃ সয়াবিন তেল হাফ কাপের চেয়ে কম
– পানিঃ পরিমান মত

(লক্ষনীয় বিষয়ঃ হলুদ গুড়া বা বাটা নেই। ভুলে হুলুদ দিলে ফ্র্যাজি হবে না!)

প্রনালীঃ

তেল গরম করে লবন (পরিমান বুঝে) যোগে পেঁয়াজ কুঁচি ভেজে ফেলুন। এলাচি ও দারুচিনি দিয়ে দিন।


পেঁয়াজ কুঁচির রং হলদে হয়ে গেলে তাতে টমেটো সস ছাড়া বাকী সব মশলা দিয়ে দিন। এবং হাফ কাপ পানি দিয়ে কষাতে থাকুন।


একটা মরিচ কেটে দিন এবং ভাল করে কষিয়ে তেল তুলে ফেলুন। খুন্তি দিয়ে নাড়াতে থাকুন, লক্ষ রাখবেন যাতে মশলা কড়াইতে না লেগে যায়।


এবার চিকেনের পিস গুলো দিয়ে দিন।


ভাল করে মিশিয়ে নিন এবং দুই কাপ পানি দিয়ে দিন।


এবার ঢাকনা দিয়ে মিনিট বিশেক জ্বাল দিন। চিকেন নরম হয়ে যেতে দিন।


চিকেন নরম না হলে আরো পানি (গরম হলে ভাল) দিতে পারেন। মাঝে মাঝে ঢাকনা উল্টে নেড়ে দিন।


চিকেন নরম হয়ে ঝোল কমে এমন একটা অবস্থায় এসে যাবে।


এবার টমেটো সস দিন।


কাঁচা মরিচ গুলো ফালি করে দিয়ে দিন এবং হাল্কা আঁচে ঢাকনা দিয়ে দমে রাখুন।


এমন অবস্থায় এসে যাবে মিনিট দশেকের মধ্যেই। ফাইন্যাল লবন দেখুন। লাগলে দিন না লাগলে ওকে বলুন।


ব্যস পরিবেশনের জন প্রস্তুত। খাবার টেবিলে নিয়ে চলুন।


কি দেখে লোভ হচ্ছে! কিন্তু ভেবে দেখুন কত সহজ এবং কত সাধারন রান্না। এমন সহজ রান্না আপনি না করলে কে করবে?

আর স্বাদ! বিশ্বাস করুন, এতই স্বাদের হয়েছিল যে, আমার রান্না টেষ্টারের মুখে কোন কথাই ছিল না! যাকে বলে ‘স্বাদে বোবা’! গরম ঝরঝরে ভাতের সাথে খেতে বসে সে মুখে পুরছিলো এবং মিটি মিটি হাসছিলো। পিতার রান্নায় পুত্রের এমন হাসি না হলে কি চলে! এদিকে আমার ব্যাটারী বলছিলেন, তোমার রান্না ছাড়া আর জমছে না! গ্রেট আইডিয়া।

সবাইকে শুভেচ্ছা।

কৃতজ্ঞতাঃ অধ্যাপিকা সিদ্দিকা কবীর (উনার রেসিপি বই থেকে সাহায্য নিয়ে নিজদের মত করে রান্না হয়েছে)

Advertisements

24 responses to “রেসিপিঃ চিকেন চিলি ফ্র্যাজি (গায়ে গায়ে ঝোল)

  1. বিপর্যস্থ অবস্থায় খাওয়া-দাওয়া সব মাথায় উঠেছে। চিকেন এখন চিকেন পক্সের মত যন্ত্রণাদায়ক মনে হচ্ছে।

    Like

    • ধন্যবাদ হুদা ভাই।
      আপনার মনের অবস্থা বুঝি (বিষয়টা আপনার আগে বুঝা উচিত ছিল, পাবলিক প্লেসে আপনি এমন করে আসতে পারেন না)। কিন্তু বিষয়টা এমনই হবে এবং আপনি যত রেসপন্স করবেন বিষয়টা আরো ঘোলাটে হবে, কাউকে আপনি উত্তর দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না, করা যাবেও না, আমাদের তো নয়ই! (কালের চক্রে ঘটে যাওয়া এটা এমন একটা বিষয় যে যার কোন সমাধান নাই বলে আমি মনে করি)। আমার মনে হয় আপনি এখন ব্লগিং থেকে দূরে সরে যেতে পারেন। মাথায় কোন চাপ না নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বেঁচে থাকুন কারন আপনি আপনার পরিবারের সম্পদ, আপনার ছেলে মেয়েরা আপনাকে ভালবাসে তাদের জন্য আপনার বেঁচে থাকা দরকার। আমরা যারা ব্লগিং করি, আজ আছি কাল নাই (মরে গেলে তো কথাই নেই!), আমাদের কথা না ভেবে আপনি আপনার কথা ভাবুন। আপনি আপনার জগতের হিরো (আমাদের/অন্যদের কাছে নয়), আপনার সেই জগতকে আপনিই ভাল বুঝেন, তাই কম্পিউটার/নেট ছেড়ে বই পত্র নিয়ে সময় কাটান, ব্লগিংকে গুড বাই বলে দিন। প্রয়োজনে আপনি আপনার শেষ ব্লগটি/ শেষ কমেন্টটি লিখে ফেলতে পারেন এক্ষুনি।

      ভাল থাকুন।
      (এটা আমার নিজস্ব মতামত, আমার বিবেক এটাই বলছে)

      Like

  2. অনেকদিন মুরগি খাওয়া হয় না। কেন জানি না মুরগি কেতে একেবারেই ইচ্ছা করে না। উদরাজি ভাইয়ের সচিত্র রান্না-বান্না দেখে সেদিন হাঁস খাওয়া হলো। আজ মনে হচ্ছে মুরগি খাওয়া যেতে পারে। আসলেই মন টানছে।

    Like

    • ধন্যবাদ রাশিদা বোন,
      আপনার কমেন্ট পেয়ে মন ভাল হয়ে গেল।
      বোন, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, ঠিক এই ভাবে রান্না করে খেয়ে দেখুন। আমি নিশ্চিত মোরগ রান্নার ব্যাপারে আপনার চিন্তা বদলে যাবে।
      শুভেচ্ছা।

      Like

  3. আমিও এমন করে রান্না করি। গরু, খাসী, মুর্গী সব ধরনের গোস্তেই কিছু নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি। এক গরু ছাড়া অন্য কোনো গোস্ত এখন ভালোই লাগেনা। আর এই বয়সে রেড মিট খাওয়া ঠিক নয় বিধায়…..।।। আপনার দুলাভাই তো কিডনীর কারনে মাংস ছুতেই চান না। তবুও রান্না করে রাখি। মেহমান, ও আমার নাতি/নাতনিদের জন্য। যে কোনো তরকারীতে টোম্যাটো সস আমার ভালো লাগেনা। পারলে তাজা টোম্যাটো দেই। বাচ্চারা দেখেছি টোম্যাটো সস দেয়া তরকারী খুব মজা করে খায়।
    নলেন গুড়ের পায়েসের রেসিপি দিয়েছি সেই কবে, দেখেছেন?

    Like

    • হা হা হা…।
      শিশুদের শাক সবজি খাওয়ানো অনেক কষ্টের। আমার ছেলেকে আমি বলতে গেলে জোর করে খাওয়াই, সাথে বসিয়ে। মুরগী খেতে খেতে মুরগী হয়ে যাচ্ছে।

      বয়স ৪০ শের উপর উঠে গেলে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দেয়। গরু খাসী টোটাল বাদ দিয়ে দেয়া দরকার। আমিও আর খেতে চাই না। তবে লোভ সামলানো মুস্কিল। এই দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে ইচ্ছা হয়!

      টমেটো সস আমারো ভাল লাগে কিন্তু ব্যবহার কম করতে চাই। বাজারের সন সসেই নাকি ভেজাল। খাদ্যে ভেজাল কারীদের আমি সরাসরি ফাঁসি চাই।

      গুড়ের পায়েশের জন্য ধন্যবাদ। আমি দেখে এসেছি। মার্ক করে নিয়েছি। অনেক সহজ। আমিও পারব।

      শুভেচ্ছা। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবেন। রান্নাঘরে খালি পায়ে হাটবেন না। পায়ে জুতা বা সেন্ডেল পরুন। শীত থেকে দূরে থাকুন। রান্নাঘরে ছাদর বা শাল পরে যাবেন না।

      ভাল থাকুন।

      Like

  4. দারুণ লাগলো। অনেকদিন পর আপনার ব্লগে এলাম। তবে এর মাঝখানে একদিন মুরগী রান্না করেছিলাম। মনগড়া রেসিপি! শুনবেন?

    একটা মুরগীর বেছে বেছে ৮/১০ টুকরো।
    দুই কাপ রসুন।
    দুই কাপ পেয়াজ।
    দুই কাপ ধনিয়া পাতা। একটু বড় সাইজে কাটা।
    কিছু কাঁচা মরিচ ফালি করে কাটা।
    অল্প একটু আদা বাটা।
    আর পরিমাণমত লবণ।
    মেথি।

    ধনিয়া পাতা, পেয়াজ ও রসুন হামানদিস্তায় আলাদা করে করে অল্প ছেঁচে নিয়ে হালকা তেলে একটু ভেজে নেয়া। তার পর দুই থেকে তিন কাপ পানি দিয়ে তার মধ্যে মুরগীর মাংস দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। আগুনের আঁচ মাঝারি হবে। প্রয়োজনে পানি আরেকটু বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। নির্ভর করে মাংস নরম হওয়ার উপর। পানি কমে এলে দু’চামচ পরিমাণ মেথি ছড়িয়ে দিয়ে হালকা আঁচে ঢেকে দিতে হবে।

    মাঝখানে একবার ঝোল চেখে লবণের পরিমাণটা বুঝে নিলেই চলবে।

    এত কষ্টের পর আমি নিশ্চিত নিজের রান্না নিজের কাছে অমৃতই লাগবে! 🙂

    তবে এই থেরাপিতে রসুন এবং পেয়াজের পরিমাণ আরো বাড়িয়েও দেয়া যেতে পারে। তার সাথে শুধু ধনিয়া পাতার পরিমাণটাও বাড়িয়ে দিয়েই হবে।

    ভালো থাকবেন সাহাদাত ভাই।

    Like

  5. আরে মশলা পাতি আর কই? রসুন আর পেয়াজই তো! রসুন তো আবার হার্টের জন্য নাকি ভালো! আমার এক বন্ধু আমার এই রান্না খাবার রিস্ক নিছিলো! তারেও প্রশংসা জানাই এই সুযোগে! 😉

    আরেকটা রেসিপি মাথায় ঘুরতেছে। গরুর মাংস ভিনেগারে আধাঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর কিছু উল্টাপাল্টা মশলা দিয়ে রাঁধলে ক্যামন হয় দেখতে হবে! আগের রান্নার পর বেঁচে থাকার কারণে আমার বন্ধু মহাশয় এই রান্নাতেও প্রথম স্বাদ গ্রহণকারী হবার সম্মান নিতে রাজি! 😉

    Like

  6. আগামীকাল বাসায় মেহমান আসছে। কাজের জন্যে আজকে রাতেই রান্না করব। তাই আপনার এখানে এসে ঘুরে গেলাম সাহাদাত ভাই।

    এ রেসিপিটা অনেক মজা হয়েছিল নিশ্চয় !!

    Like

    • হা, বোন। এটা যে এত মজার তা জানা ছিল না। সবাই বেশ পছন্দ করছেন এবং খুব সাধারন ভাবে বেশ রান্না হয়েছিল।

      মেহমানদের জন্য এটা রান্না করতে পারেন। দেশি বা ফার্মের মুরগী দিয়ে। আশা করি খেয়ে তারা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবে। চিকেন ফ্র্যাজি! হা হা হা…

      যাই হোক, মেহমানদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হউক। তা এই শীতে মেহমান! নুতন ভাগ্য বয়ে নিয়ে আসবেই।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  7. প্রবাসী জীবনে দাওয়াত মানেই পোলাও করমা…কিন্তু এবার আমি দাওয়াতে চিন্তা করেছি…সব বাঙালি মানে সাদা ভাতের সাথে খাওয়ার তরকারি রান্ধবো। আপনার এই পেইজ খুলে বসেছি আর তালিকা বানাচ্ছি কি কি লাগবে।এই মুরগির তরকারিটা এবার রান্না করবো।আপনার রেসিপি দেখলে সত্যি রান্না করতে ইচ্ছা করে। ধন্যবাদ ভাই।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      আপনারা আমাদের রান্না পছন্দ করেন বলেই আমরা রান্না করি। হ্যাঁ, মাঝে মাঝে আমাদের একদম দেশী রান্না ওদের খাইয়ে দেখতে পারেন। সব সময় পোলাও কোরমা বাদ দিন। আমাদের সাধারন খাবার গুলো যে কত মজাদার তা ওরা না খেলে বুঝবে কি করে।

      শুভেচ্ছা নিন।

      Like

  8. Vai ami chobi dekhte parchina..

    Like

  9. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

  10. ভাইয়া, এই রান্নাটা কি ফ্রাইড রাইসের সাথে চলবে? ফ্রাইড রাইসের সাথে গ্রেভী জাতীয় চিকেনের কোন রেসিপি থাকলে লিঙ্কটা একটু দিন না ভাইয়া… 😀 রেবেকা।

    Like

  11. রেস্টুরেন্টে ফ্রাইড রাইসের সাথে আমরা প্রায় সময়ই একটা চিকেন কারী অর্ডার করি, আমার কাছে খুবই ভালো লাগে, কিন্তু বাসায় নিজে ট্রাই করতে পারছিলাম না কারণ রেসিপি নেই। আজকে হঠাৎ মনে হল আপনার ব্লগটা চেক করি, চিকেনের রান্না তো চিকেনের সেকশন এই থাকবে, পরে এই রেসিপিটা পেলাম, দেখতে একদমই ওইরকম লাগছে, বরং চাইনিজের ওই কারী থেকেও ভালো, এর সাথে কিছু ভাজে খোলা পেয়াজ আর ক্যাপসিকাম যোগ করলেই হয়ে যাবে মনে হয় 😀 আচ্ছা আপনি তো চিনি দেন নাই, ওইটা খেতে গেলে হালকা চিনি যোগ করা হইছে বুঝা যায়,নাকি টমেটো সস থেকে মিষ্টতা আসে আল্লাহই জানে। আর সয়াসস ও এড করব ভাবছি, তাহলে অবশ্য এই সুন্দর রংটা থাকবে না, না থাক তাহলে, আপনার রেসিপি যেহেতু এমনিতেই মজা হবে 😀

    আমি শীঘ্রই রেসিপিটা ট্রাই করব ভাবছি, ভর্তি পরীক্ষার গ্যাঞ্জাম এখনো শেষ হইল না :3

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s