Gallery

রেসিপিঃ সিদ্ব ডিম/ ডিম সিদ্ব (শীতের পিঠার বিকল্প!)


প্রচুর রেসিপি দিয়ে ফেলেছি (অদ্যবধি আড়াইশত হবে) তবে এখনো অনেক বাকী! আমরা বাঙ্গালীরা/বাংলাদেশীরা নিত্য কি কি খাই তা এখনো ভাবছি। আমার মনে হয়, এখনো সামান্যই হয়েছে। কত কি খাবারের ছবি/রেসিপি এখনো বাকী আছে। যাই হোক, আমার চেষ্টা চলবেই। ‘ফুল ফুটক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত’ চালিয়েই যাব আমি!

এদিকে আমার নিজেরো এমন অভ্যাস দাঁড়িয়ে গেছে বাসায় যতক্ষন থাকি শুধু মাথায় রেসিপি চিন্তাই থাকে! হা হা হা। তবে সেটা হয় শুধু রাতে। আমার ব্যাটারী মহাশয়া এখনো আমাকে উৎসাহ এবং হেল্প করেই যাচ্ছেন (তিনি এখন আমাকে রান্নাঘরে দেখতেই ভালবাসেন, হা হা হা)। অন্যদিকে, আপনাদের কমেন্ট বেশ উৎসাহ দিচ্ছে, আপনাদের এক একটা কমেন্ট/ভিজিট আমাদের উৎসাহ অনেক অনেক এগিয়ে দিচ্ছে।

বাংলাদেশীরা/বাংগালীরা শীত কাল এলে অনেক ধরনের পিঠা খেয়ে থাকেন। এখন সারা দেশে চ্রম শীত পড়ছে, গ্রামে গঞ্জে পিঠার উৎসব হচ্ছে। রাজধানীতে অলি গলিতে ভাপা পিঠা/ চিতই পিঠার আসর বসছে বেশ জাঁকিয়ে।  এদিকে এই রেসিপি ব্লগে পিঠা নিয়ে একটা সেকশন খুললেও মাত্র দুটো রেসিপি এযাবৎ আছে। আরো কিছু পিঠা তৈরী হলেও রেসিপি বেশ জটিল বলে দিতে পারি নাই। পিঠা নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের সবার অনেক আগ্রহ। গতকাল ফেইসবুকে সিলেটের আমার রান্নাতো বোন সুরঞ্জনা আপা শীতের পিঠার ছবি দিয়েছেন। দেখে জিবে জল আসছিলো, ছবি ভীষন ইয়ামী ছিল। বাসায় পিঠা নিয়ে কথা হচ্ছে, আশা করি এবার শীতে কিছু পিঠার রেসিপি আপনাদের সামনে হাজির হব।

কিন্তু কথা হচ্ছে ঢাকা শহরে আমরা যারা পিঠা খেতে পাই না তাদের কি হবে? আমি মনে করি, শীতের পিঠার বদলে আমরা গরম গরম হাঁসের ডিম সিদ্ব খেতে পারি আই মিন ডিম সিদ্ব! আমাদের শরীর চাঙ্গা হবে! হা হা হা…।

চলুন কথা না বাড়িয়ে ডিম সিদ্ব করা দেখি এবং পরিশেষে সিদ্ব ডিম খাই! গল্প পরে করা যাবে!

প্রনালীঃ

ঢাকা শহরের ছেলেরা কেন হাঁসের ডিম সিদ্ব পছন্দ করে, তা নিয়ে একটা বিরাট গবেষণা করা যেতে পারে! পি এই ডি ডিগ্রী!


ডিম সিদ্ব করতে পানিতে অবশ্যই লবন দিবেন, এতে নাকি ডিমের স্বাদ বেড়ে যায়। যারা হাফ বয়েল্ড এগ পছন্দ করেন তাদের আর একদিন এই রেসিপি ব্লগে আসতে হবে! ডিমের হাফ বয়েল (ভিতরে নরম) একটা আলাদা টেকনিক। এটা ভাপিয়ে করতে হয়।


খোসা ছড়িয়ে বিট লবন নিয়ে বসতে পারেন। বিট লবন না থাকলে চিন্তা নাই সিদ্ব ডিম খেতে সাধারন লবনই যথেষ্ট! খোসা ছড়ানোর পর ডিম ধুয়ে নিলে স্বাদ নষ্ট হয়ে পড়ে তাই খোসা ছড়ানোর আগে ধুয়ে নিন এবং খোসা ছড়ানোর পর ধুবেন না! এটা আমাকে এক ডিম বিক্রেতা জানিয়েছিলেন (তিনি মালিবাগ মোড়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ডিম বিক্রয় করেন, ঢাকায় তার বাড়ী আছে! একদিন তাকে নিয়ে লিখার ইচ্ছা আছে।)


আহ… গরম গরম…


অপেক্ষা চলে না! ওয়াও!

সবাইকে শুভেচ্ছা। আরো রেসিপি নিয়ে হাজির হচ্ছি…।

Advertisements

15 responses to “রেসিপিঃ সিদ্ব ডিম/ ডিম সিদ্ব (শীতের পিঠার বিকল্প!)

  1. vhaiya, poribarer sobar protidin eakta kore dim khawa uchit. Ami hasher dim khai.

    Like

  2. ডিম সিদ্ধ করতেও জানা লাগে? শেখা লাগে নাকি? আমি তো না শিখেও খুব ভালো সিদ্ধ করতে পারি। শুধু লবন দিয়ে সিদ্ধ করতে হয় এটা জানা ছিল না।
    হাফবয়েল্ড ডিম না খাওয়া ভাল। পুরো সিদ্ধ খেতে হবে। কিন্তু সিদ্ধ বেশি হলে কুসুমের চারপাশ কালচে হয়ে গেলে তা আবার ক্ষতিকর। অতএব সাবধান।

    Like

    • হা হা হা, আপনার বাপারে আমার সব জানা আছে! আপনি কি কি রান্না করতে পারেন তাও আমি জানি।

      এটা আসলে রান্নায় আগ্রহ তৈরী করার চেষ্টার পোষ্ট! আপনার জন্য নয়! হা হা হা…

      বলেন কি! আমি তো রাস্তার ধারের হাফ বয়েল ডিম খাই! তা হলে আর খাব না, পুরা সিদ্বই খাব!

      তথ্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

      Like

  3. মনে করা হয়, দুর্বল শরীরের জন্য পুষ্টি ঘাটতি হিসেবে কাজ করে ভিটামিন অথবা ডিম। প্রখ্যাত পুষ্টিবিজ্ঞানী অ্যালান গ্যাবি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানান, “ডিম শরীরের
    উপকারি অনেক পুষ্টির উৎস, এটি শরীরে অনেক কোলেস্টেরল যোগান দেয়। কিন্তু প্রাণীদের উপর
    একটি গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে খাদ্য হিসেবে কোলেস্টেরল সরবরাহ করলেও ডিম শরীরে শক্তি যোগায় না। বরং শরীরে ডিম মাদকের মতো কাজ করে। এটি সিগারেটের মতোই ক্ষতিকর!
    আবার, অতিরিক্ত ভিটামিন অনেক সময় শরীরের জন্য ক্ষতিকরও। অনেকদিন ধরে ভিটামিন খাওয়ার কারণে তাদের শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    উদ্বেগের কথা হলো, অনেকে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, হূদরোগের মতো প্রাণঘাতী রোগের উপশমের জন্যও
    ভিটামিন ট্যাবলেট খেয়ে থাকেন। যেটা হিতে বিপরীতই হতে পারে।”
    অ্যালান গ্যাবি আরও বলেন, `অতিরিক্ত ভিটামিন স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শরীরে যে স্বাভাবিক পুষ্টি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে সেটা নষ্ট
    হয়ে যায় অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণের কারণে। অনেক সময় এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্ষুধামন্দা,
    ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, লিভার বড় হওয়া প্রভৃতি উপসর্গে ভুগতে হয়।
    তাছাড়া গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ভিটামিন নিলে গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন-
    সি পেট ব্যথা কিংবা ডায়রিয়া বাড়িয়ে দেয় । অতিরিক্ত ভিটামিন-ডি বমি বমি ভাব, তলপেটে ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। অ্যালান তাঁর গবেষণানুযায়ী পরামর্শ দিয়ে বলেন; যে কোনো শারীরিক প্রয়োজনে হুট করে ভিটামিন গ্রহণ না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
    সূত্র: বাংলানিউজ

    Like

  4. সাহাদাত উদরাজী Vhi Ami Monay Hoy R হাফ ডিম Khatay Parbona Amar High Pressure Hoyay Chay .Kichudin Agay Dhora Porachy.. Jader High Pressure Asay Tader Jonno Food Items Post Korlay Helpful Hobay. Thanks vhi

    Like

  5. অপেক্ষা চলে না! ওয়াও!
    উপস্থাপনাটা সুন্দর, 🙂 ভাই আমি এমন একদিন গরম ডিম কামড় দিয়ে গাল পুড়ায় ফেলছিলাম 😦 সো সবাই সাবধান 😛

    Liked by 1 person

  6. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s