Gallery

রেসিপিঃ স্বরপুটি মাছ রান্না (সাধারন মাছ রান্না)


মাছের কত নাম!  স্বরপুটি! পুটি মাছের বড় ভাই বলেই কি এই নাম! দুনিয়াতে প্রতিটা জিনিষ বা দ্রব্যের নাম আছে! নামহীন কিছু খুঁজে পাওয়া গেলেই অন্য একদল লোক আছে যারা নাম দিয়ে দেয়। নাম ছাড়া কিছুই চলে না। আর এই দ্রব্য দেখে এই নাম আমাদের মাথার সার্কিটে জমা হয়ে যায়! তার পর দ্রব্যটা দেখলেই মাথার সার্কিট শব্দের আকার করে মুখ দিয়ে সেই নাম বের করে দেয়! কত কেরামতি এই দুনিয়ায়! ভাবলে বিশিষ্ট ভাবুক হয়ে যেতে হবে!

যাক সেই পথে আমাদের না এগুনোই ভাল! মাথার সার্কিট আবার খারাপ হয়ে যাবে! চলুন আজ স্বরপুটি মাছের রান্না দেখি। হাতে সময় নেই, অনেক রান্না জমে আছে। বাসায় আবার আমার ব্যাটারী ও বুলেট নেই! ঈদের বেড়ানোতে আছে সবাই। আজ রাতে নিজের রান্না নিজেই করতে হবে! এক দিকে ভাল, ভাল খারাপ যাই হোক, নিজের টেষ্টার নিজে!

রান্নার শুরুতে যে যে ধর্মে আছেন সেই ধর্ম মত উপরওয়ালা বা ধর্ম গুরুর নাম নিন! তার কাছে করুনা চান। এতে রান্না স্বাদ না হয়ে যাবে কোথায়?

প্রণালীঃ

কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা ও জিরা বাটা দিয়ে কষান। সামান্য লবন দিতে ভুলবেন না। কষানে হয়ে গেলে হাফ কাপ পানি দিন।


সামান্য একটু হলুদ, পরিমান মত মরিচ গুড়া দিন। এই পরিমান গুলো অনেক বার আলোচনা হয়েছে। আশা করি দেখেছেন।


ভাল করে কষিয়ে নিন। ঠিক এমন একটা অবস্থায় এসে যাবে।


হাফ কাপ পানি দিন এবং সাথে কয়েকটা কাঁচা মরিচ। ব্যস, মাছের ঝোল হয়ে গেল। এই ঝোল যত দেখতে ভাল এবং খেতে স্বাদ হবে ততই আপনি বুঝবেন আপনি রান্নাবিদ হয়ে যাচ্ছেন।


এবার মাছ দিয়ে দিন।


প্রয়োজনে আরো পানি দিতে পারেন। এবার হালকা আঁচে ঢাকনা দিয়ে মিনিট বিশেক রেখে দিন।


মাঝে মাঝে মাছ উলটা পালটা করে যেতে পারেন। ঝোল গা গা হলে ফাইন্যাল লবন দেখুন। চামচে করে ঝোল খেয়ে দেখুন লবন ঠিক আছে কি না!


ব্যস, স্বরপুটির সাধারন রান্না প্রস্তুত। গরম ভাত নিয়ে বসে পড়ুন।

অনেক হয়ত স্বরপুটি মাছ আগে একটু ভেজে নিতে চাইবেন। হা, তা পারেন। তবে আমি মনে করি রান্না করার পূর্বে মাছ ভাজলে মাছের স্বাদ ও ঘ্রান কমে যায়। এবার আপনার ইচ্ছা। তবে হোটেলে এই ধরনের মাছ রান্নার আগে অবশ্যই ভেজে নেয়, যাতে মাছ না ভেঙ্গে যায়, কর্মাশিয়াল বুদ্দি! বাসায় এই বুদ্দি প্রয়োগ না করাই ভাল!

7 responses to “রেসিপিঃ স্বরপুটি মাছ রান্না (সাধারন মাছ রান্না)

  1. আমি খুঁজি সস্তা। সরপুঁটি সেদিক দিয়ে আমার জন্য ভালো। দামে সস্তা, স্বাদেও বেশ ভালো।
    রান্না করার পূর্বে মাছ ভাজলে মাছের স্বাদ ও ঘ্রান কমে যায়। এ কথার সাথে পুরোপুরি একমত হতে পারছি না। কোন কোন মাছ (যেমন, তেলাপিয়া) না ভেজে রান্না করলে গন্ধের কারণে খাওয়া কষ্টকর হয়। আবার কোন কোন মাছ ভেজে রান্না করলেই স্বাদ বাড়ে।

    Like

  2. আহ! শেষ ছবিটি দেখে ইচ্ছে হচ্ছে এখনই গরম ভাত, আপনার রেসিপি আর ধনেপাতা ভর্তা নিয়ে বসে পড়ি।

    চমৎকার পোস্ট সাহাদাত ভাই।

    Like

  3. ঢাকায় এসে অনেক দিন পর স্বরপুটির ভুনা খেলাম।
    সিলেটে এ মাছকে বলে পুটা। পুটির বড় ভাই বোধহয়! :p

    আসলে ভাবী বাসায় না থাকায় মাছটা না ভেজেই রান্না করতে পেরেছেন। ভাবী তো আবার না ভেজে রান্না করেন না।

    আদা, রসুন, জিরা দেয়ার সময় হলুদ, মরিচ দিলে কি হতো?

    Like

  4. আমি অবশ্য একমাত্র ইলিশ মাছ ছাড়া আর সব মাছ ভেজে রান্না করি। না হয় গন্ধ লাগে আমাদের কাছে। মজাদার রান্না পুটা মাছের ঝোল।

    Like

  5. পিংব্যাকঃ এক নজরে সব পোষ্ট (https://udrajirannaghor.wordpress.com) | BD GOOD FOOD

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s