Gallery

রেসিপিঃ তেলাপিয়া মাছ রান্না (সাথে ডাঃ ফয়সাল ভাইয়ের কৌতুক ফ্রী)


গতকাল রাতের রান্না – আমাদের সাধারন পরিবার গুলোতে তেলাপিয়া মাছ যে ভাবে রান্না করা হয়। লাল শাক রান্নার পাশাপাশি কয়েকটা তেলাপিয়ার টুকরা রান্না করা হয়েছিল। বলা যেতে পারে, মাছ রান্না মাত্র। এর পূর্বের পোষ্টে অনেক গল্প করা হয়েছে! আসলে রাতে রান্না এখন আমার কাছে ভালই লাগে। রান্নাঘরে নানান গল্প করে সময় পার করাও বেশ লাগে!

ছেলেরা যদি রান্নাঘরে যায় তবে তাদের স্ত্রী (যদি থাকে) যাবেই! কথাটা ভুল বলি নাই, আমি মাঝে মাঝে বলি, তুমি রান্নাঘরে এসো না! কিন্তু তিনি আসবেই। আর তিনি যখন আসেন তখন কিছু না কিছু করেই থাকেন। তবে মজার ব্যাপার হল, এই সময়ে নানান গল্প চলতে থাকে। একজন আর একজনের মনের কথা বলেই যান! হা হা হা। এতে কিন্তু একটা আন্তরিকতা গড়ে উঠে, আলাদাভাবে। মন্দ কি!

রান্নাঘরে নানান পারিবারিক কথা থেকে নানান কৌতুকও করা হয়। নেটে দেখা কোন কৌতুক কিংবা অফিসে শোনা কোন ঘটনা মজা করে বলি। তিনিও কিছু ঘটলে বেশ আনন্দের সাথে বলেন। ইদানিং আমি সাধারনত আমাদের ডাঃ ফায়সল ভাইয়ের ব্লগ শব্দপুঞ্জ থেকে সহজ ও সাধারন কিছু কৌতুক মুখস্ত করে বাসায় যাই। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরাই! আজ মুখস্ত করে নিচ্ছি এটা – না এখানে সেটা বলা যাবে না! ১৮+! যারা মাইন্ড করতে জানেন না, শুধু হাসতে জানেন তারা শব্দপুঞ্জে যেতে পারেন। ডাক্তার সাহেব এমন সংগ্রহ কেমনে করলেন! ভেবে কুল পাচ্ছি না!

চলুন দেখে ফেলি, সাধারন মাছ রান্না। কৌতুক বলতে থাকলে রাত পার হয়ে যাবে! রান্না আর হবে না!

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
– কয়েক টুকরা তেলাপিয়া মাছ
– হাফ কাপ পেঁয়াজ কুচি
– এক চামচ রসুন বাটা
– সামান্য আদা বাটা (না দিলেও চলে)
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– হাফ চামচ মরিচ গুড়া (দেখে বুঝে)
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ
– এক চিমটি জিরা গুড়া (মাছ চুলা থেকে নামানোর আগে ব্যবহার করা হবে)
– পরিমান মত লবন
– দুই চামচ তেল
– দেড় কাপ পানি

প্রণালীঃ

কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে তাতে লবন এবং রসুন বাটা এবং সামান্য আদা বাটা দিয়ে ভাল করে কষাতে থাকুন।


কষানো হয়ে গেলে হাফ কাপ পানি দিতে হবে। এবার হলুদ গুড়া ও মরিচ গুড়া দিতে হবে।


কয়েকটা কাঁচা মরিচ হলে ভাল হবে। ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিতে হবে। এই কষানোর উপরই নির্ভর করবে কেমন স্বাদ হবে। মশলার ঘ্রান উঠে আসবে।


এবার মাছ গুলো দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন। আরো একাপ পানি দিন।


এবার ডাকনা দিয়ে মিনিট ১৫ ভাল তাপে চুলা জ্বালিয়ে দিন।


ফাইন্যাল লবণ দেখুন। লাগলে দিন। এক চিমটি জিরা গুড়া মাছের উপর ছিটিয়ে দিন।


তেলাপিয়া মাছ বেশীক্ষন চুলায় রাখতে হয় না, ঝোল কেমন রাখবেন!


ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে একটা আলাদা বাহার আনতে পারেন।


তেলাপিয়া মাছ সাধারন রান্না।

ডাঃ ফয়সাল ভাইয়ের কৌতুক পড়াতে যারা চলে গেছেন তারা ফিরে আসুন। এত কৌতুক একদিনে পড়ে শেষ করলে বাকীদিন আর কি পড়বেন? কি করে হাসবেন।

Advertisements

11 responses to “রেসিপিঃ তেলাপিয়া মাছ রান্না (সাথে ডাঃ ফয়সাল ভাইয়ের কৌতুক ফ্রী)

  1. তেলাপিয়া দামে সস্তা (আমার সামর্থের তুলনায় মোটেও সস্তা নয় যদিও), কিন্তু কেমন যেন একটা গন্ধ লাগে বলে খেতে পারি না। ভাঁজি করলে কিছুটা খাই, তা না হলে আর কিছু যা থাকে সেটাকেই প্রধান তরকারি হিসেবে মেনে নিয়ে খাওয়া শেষ করি। এই পোস্টের নির্দেশনা অনু্যায়ী রান্না করলে হয়তো গন্ধ নাও লাগতে পারে। দেখতে হবে পরীক্ষা করে।

    Like

    • হুদা ভাই, তেলাপিয়া মাছ ও এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের থেকে চলে যাচ্ছে! কেজি কিনলাম ১৪০ টাকা দরে। আমি বড় তেলাপিয়া বেশি পছন্দ করি। তেলাপিয়া মাছে মাঝে মাঝে গন্ধ লাগে, আমি লেবু ও লবন যোগে সব সময় ধুয়ে নিয়ে থাকি।

      আগে সয়ামিট চেষ্টা করে দেখুন। হা হা হা…।

      Like

  2. আন্তরিক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা – আমার সংগ্রহ আপনার আর আপনার শুভাকাঙ্খী বন্ধুদের কিছুটা হলেও যদি আনন্দ দেয়, তাতেই আমি খুশী।
    রান্না পোস্টের পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মামা কাহিনীও চলুক। ওই সিরিজের আমি কিন্তু ভক্ত!

    Like

    • শব্দ ভাই, শুভেচ্ছা। আপনি একেবারে ফাটিয়ে কৌতুক সংগ্রহ করেছেন। যারা একবার পড়তে যাবে তারা আর বের হতে পারবে না। তবে এই সংগ্রহ আরো চলতে থাকুক। আমি কিন্তু অনেক গুলো মুখস্ত করে ফেলেছি।

      রেসিপি ছাড়াও আমি নানান ব্লগে বেশ সত্রিয় আছি, চতুর ছাড়া! হা হা হা…

      উন্মোচনে দেখতে পারেন আমাকে
      http://www.unmochon.net/blog/1107

      শব্দনীড়ে তো আছি অনেক অনেক দিন
      http://www.shobdoneer.com/udraji

      উক্ত দুটি ব্লগে আপনিও লিখুন। নিজকে প্রচার করুন, প্রচারে প্রসার! হা হা হা… তবে ডাক্তার-ই বিদ্যা ছেড়ে নয়! অসহায় মানুষ আপনাদের দিকে চেয়ে আছে।

      শুভেচ্ছা কমেন্ট করার জন্য।

      Like

    • ফয়সাল ভাই, আপনার ব্যানারের জন্য কি বলে কি করব বুঝতে পারছি না। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ব্যানারের কোনায় আপনার নাম লিখে দিলে খুশি হব। আর ব্যানার বিষয়ক একটা নূতন পেইজ খুলেছি। আশা করি দেখে আসবেন।

      http://wp.me/P1KRVz-rM

      আবারো শুভেচ্ছা।

      Like

  3. হা হা হা, চমৎকার কৌতুক!!

    আর চমৎকার পোস্ট!
    তেলাপিয়া মাছের ঝোল দিয়েই তো এক প্লেট ভাত এমনিতে সাবাড় করা যায়।

    Like

    • ধন্যবাদ দাইফ ভাই।
      কৌতুক গুলো পড়ে হাসতে হাসতে দিন যায়। ডাঃ ফয়সাল ভাই আমাদের পরিচিত একজন ভেরী ভেরী জেন্টেলম্যান। আমি উনার ভক্ত। ইতিমধ্যে তিনি একটা বই লিখে ফেলেছেন – পারভার্ট নামের এই বইটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। লেখালেখিতে তিনি আরো নাম কামাবেন বলে আমি মনে করি।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  4. তেলাপিয়া মাছটা নিশ্চয় অনেক মজার হয়েছিল !!

    Like

  5. খাইতে মন চায়। কিন্তু বউতো বাড়িত নাই। কি করি ?

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s