গ্যালারি

রেসিপিঃ কোরাল কাবাব (ইরাকী স্টাইল!)


বড় মাছ দেখলেই আমার কিনে ফেলতে ইচ্ছা হয়। কিন্তু সব সময় তা হয়ে উঠে না, টাকার জন্য! তবে মাসের বাজার করতে গেলে চেষ্টা করি একটা বড় মাছ কিনতে। আর দুই ঈদের আগের দিন মাছের বাজারে দাম নাগালের মধ্যে থাকে বলে, বড় মাছ কেনার একটা চেষ্টা চলে (এবার ঈদের আগের দিন একটা বড় কাতলা মাছ কিনেছি, পরে ছবি ও কিছু রেসিপি দেখাবো) ! অনেক অনেক বড় মাছ কেনার অভিজ্ঞতা আমার আছে, বড় মাছের কেজির দাম অনেক সময় সাধারণ মাঝারি ওজনের মাছের চেয়ে কম বলে আমার মনে হয় (আদতে কি তাই)! বড় মাছে বরকত বেশী, আমার ব্যাটারীর উক্তি!

যাই হোক, কিছুদিন আগে মোটামুটি একটা বড় কোরাল মাছ কেনা কিনে ছিলাম। আপনারা জানেন কোরালের অপর নাম ভেটকি মাছ। আর এই ভেটকি মাছের দাম বেশ! কোরাল মাছের এই দাম মেনে নেয়া যায় না! তবে কোরাল মাছ খেতে বসলে সব কিছু ভুলে যেতে হয়! এত মজার আর সুস্বাদু যে, শুধু খেতেই মন চায়!

যাই হোক, কোরাল মাছ কেনার কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের কোন একটা টিভি চ্যানেলে (দেশে এত চ্যানেল যে, নাম মনে রাখা মুস্কিল!) মাছের কাবার রান্নার একটা রেসিপি দেখছিলাম এবং তা নোট খাতায় টুকে রেখেছিলাম। হাতের কাছে কোরাল মাছ পেয়ে সেই মাছের কাবাব রান্নায় লেগে গেলাম আমরা। খুব সাধারন রেসিপি বলে আমার বুঝতে বেগ পেতে হয় নাই, আশা করি আপনাদেরও হবে না।

উপস্থাপিকা জানালে এটা ইরাক তথা আরবীয়দের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। প্রবাসে থাকার কারনে আমারো এই ধরনের রান্নার কথা চোখে ভেসে উঠেছিল। আরবীয়রা রান্নায় বেশী মশলা ব্যবহার করে না! চলুন, দেখে ফেলি – কোরালের কাবাব, ইরাকী স্টাইলে।

প্রণালীঃ
১
এই হচ্ছে আমার মাছ ও মডেল! যত বড় হচ্ছে এখন আর মাছের সাথে ছবি তুলতে চায় না! মুখের অবস্থা দেখেন!  মাছ দিয়ে আমি নাকি তাকে ব্ল্যাকমেইল করছি! সত্য কথা হচ্ছে, সে কিছুতেই ছবি তুলে না, তার ছোট বেলার ছবি গুলো রাখার ইচ্ছায় অনেক ছোট থেকেই আমি মাছ নিয়ে তার ছবি তুলতে থাকি। এখন এটা আমার একটা বিরাট সংগ্রহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হা হা হা…। একদিন সব ছবি গুলো আপনাদের দেখিয়ে দেব। ভাবতে ভাল লাগে, একদিন আমি যখন এই দুনিয়ায় থাকব না, তখন আমার ছেলে তার ছোটবেলার মাছ হাতের ছবি গুলো দেখে হাসবে! ভাববে, তার পিতা কত বড় পাগল ছিল! পাগলের পাগলামি!  একটা কথা এখানে বলে যাই, এই মাছ নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আমার ছেলের একটা বিরাট গুন হয়ে গেছে! সে এখন যে কোন প্রাণী ধরতে ভয় পায় না! যে কোন প্রাণীর প্রতি তার একটা আলাদা মায়া জন্মে গেছে। আমি শুনেছি, চাঁদপুরে তার খালার সাথে পিকনিকে গিয়ে সে অজগর সাপ ধরে দেখেছিল, সামান্য ভয় পায় নাই! সাপ ধরা নাকি সহজ কাজ! হা হা হা… রেসিপি লিখতে এসে কি সব বলছি! চলুন কোরাল মাছের কাবাবে যাই!

১
কোরালের সে কোন একটা পাশ ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে পরিমাণ মত একটা টুকরা করে নিন। ভাল করে পরিষ্কার করে লবণ ও লেবু রস মেখে ইলেকট্রিক ওভেনে  মিনিট বিশেকের জন্য ১৫০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেট তাপে রেখে দিন।

১
একটা কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করুন এবং তাতে হাফ কাপ পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। এক চামচ আদা, এক চামচ রসুন বাটা দিন। ভাল করে ভেজে এবার এক কাপ টমেটো পেষ্ট দিন। সামান্য হলুদ গুড়া এবং সামান্য মরিচ গুড়া দিন। সামান্য লবণ দিয়ে কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন। শেষে এক কাপ গরম পানি দিয়ে উপরের মত একটা চমৎকার ঝোল/ গ্রেভী (সসেস) বানিয়ে নিন।

১
ওভেন থেকে মাছ বের করে দেখুন, মাছ সিদ্ব হয়েছে কি না। এইভাবে ছুরি দিয়ে কয়েকটা দাগ দিয়ে নিন, মশলা লাগবে ভাল।

১
এবার রান্না করা টমেটোর সসেস গুলো  মাছের উপর দিয়ে দিন।

১
ভাল করে সসেস গুলো মাখিয়ে দিন মাছে।

১
কিছু ধনিয়া পাতা ছিটিয়ে দিতে পারেন।

১
পুনরায় ওভেনে মিনিট ১০ এর জন্য ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে রেখে দিন।

১
ঠিক এমন চোহারা দাঁড়িয়ে যাবে!

১
এই তো হয়ে গেল, কোরাল মাছের কাবাব। পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

১
রুটি বা পোলাউএর সাথে বেশ লাগবে।

১
আপনাদের আরো লোভ লাগানোর চেষ্টা! হা হা হা…।

১
মাছ নিয়ে কাড়াকাড়ি! শেষটা আমার, আমি খাব!

রেসিপি প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারাই বলুন, এটা আসলেই সহজ একটা মজাদার রান্না নয় কি! আরবীয়রা আবার বেশী কষ্ট করে রান্না করবে! এটা ভাবেন কি করে!

কুল্লু আরাব মুখমাফি! আরব দেশের সবাই বেকুফ।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

Advertisements

32 responses to “রেসিপিঃ কোরাল কাবাব (ইরাকী স্টাইল!)

  1. অতি সহজ! আমিও পারবো!!
    ভাবছেন রান্নার কথা বলছি? না, আসলে তা নয়!! আমি বলছি যে, আমি অতি সহজেই এই কাবাব খেতে পারবো!

    কুল্লু আরাব মুখমাফি! আর বাংলাদেশের???

    Like

    • হা হা হা…। ধন্যবাদ হুদা ভাই। আপনার কমেন্ট পাথেয় হয়ে থাকবে। দেখে কেমন হল বলুন। যতদূর শুনেছি কোরাল বা ভেটকি মাছ নাকি খুলনায় বেশ সস্তা! ইস যদি খুলনা থাকতাম!

      নিজ জাতি ভাই নিয়ে কিছু বলতে নেই! লোকে মন্দ বলবে!

      Like

      • খুলনায় কোরাল প্রচুর পাওয়া না গেলেও মোটামুটি পাওয়া যায়। তবে দাম কম বলে মনে হয় না আমার কাছে। চার-পাঁচ কেজি ওজনের কোরালের দাম পড়বে প্রায় চার/পাঁচ হাজার টাকা! একে কী কম বলা যায়? আজ সকালে বাজারে দেখেছি আধা কেজি ওজনের ভেটকি (যাকে বলে পাতাড়ি), প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা। বুঝতেই পারছেন, খুলনায় থাকলেও সস্তায় ভেটকি (কোরাল) খাবার সুযোগ আপনার হতো না, যেমন আমাদের হয় না!! দুঃখ করার কিছু নেই!

        Like

  2. background er rongta sada hole onek subidha hoi porte,asole mar cokher ektu somossa ache,vebe dekben.

    Like

    • অজ্ঞাত ভাই, আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। অনেকদিন ধরে একই ব্যাক গ্রাউন্ড থাকাতে আমি পরিবর্তন করতে চাইছিলাম। কিন্তু কোন ভাল রং পাচ্ছিলাম না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে এই রঙটা কিছু দিনের জন্য রাখতে চাইছিলাম। বর্তমানে যে রং (আকাশী মনে হয়) আছে, তাতে কি সমস্যা হচ্ছে। আমার কম্পিউটার এ বেশ ভাল দেখাচ্ছে বলে এই রঙটা রাখতে চাইছিলাম যদিও সাদার উপরে কোন কথা নাই।

      এবার আর একবার দেখুন যদি ভাল না লাগে তবে পরিবর্তন করে দেব। এই বিষয়ে আমি আপনার মতামতকে প্রধান্য দেব, আপনি যে রং চাইবেন সেটাই করব।

      অজ্ঞাত ভাই, আপনার কমেন্ট পেয়ে অনেক অনেক খুশি হয়েছি। প্লিজ আবার দেখে লিখুন।

      শুভেচ্ছা ও আন্তরিক ধন্যবাদ।

      Like

  3. খাবার দেখলে খিদা লাগে

    Like

  4. আপ্নার রেসিপির অ্যাড দিতে চাইলে আমাদের সাথে যুগাযুগ করেন

    Like

    • আমিতো আপনাদের লিস্টে আছিই! হা হা হা… পারলে বিনামূল্যে একটা সাইজ করেন! হা হা হা…

      রান্নাবান্নাতো আপনারা সবাই জানেন বলে আমি মনে করি তার পরো যদি কোনদিন মন চায়, দেখে যাবেন, এই আর কি!

      আপনাদের শুভেচ্ছা। চলুক।

      Like

  5. ami vi na bon hobo,r apnar eceiper onek vokto,ranna banna srrokom parina chesta kori r ki,asole background sada hole okkhor choto holeu pora ji,r onno rong onek sundor dekhai tobe font boro kore pora lage,eta amar khetre hoi bakider kotha janina. jehetu amar ektu cok
    he somosa ti bolechilam r apni setar mullaion korechen onek onek dhonnobad apnake r vabi ke.

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। আপনাকে শুভেচ্ছা। আপনারা আমার রেসিপি গুলো পড়েন বলেই আমি রেসিপি লিখতে সাহস পাই। আপনাদের কথা শুনবো না কেন? আপনাদের পছন্দকে আমি সন্মান করবো না কেন?

      আপনার চোখের সমস্যার কথা জেনে মন খারাপ হয়ে গেল। দুনিয়াতে উপরওয়ালা মানুষ বানাইয়া কত কি রোগবালাই দিয়েছেন! আমিও নানা অসুখ বিসুখে ভুগছি, কোন দিন দুস করে ওইপারে চলে যাই কে জানে! যাই হোক, শরীরের প্রতি যত্ন নিবেন। সময় থাকতে সামান্য চেষ্টায় অনেক ভাল ফল পাওয়া যায়।

      আশা করি মাঝে মাঝেই কমেন্ট লিখবেন এতে আমাদের মনের জোর বেড়ে যায় কয়েক গুন।

      আপনার কম্পিউটার এ ব্রাউজার ফায়ারফক্স নামিয়ে নিন। এতেই বাংলা ভাল দেখায়, আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি। বাংলা লিখাও বেশ সহজ কাজ। আপনি যা লিখছেন তাই টাইপ করবেন বাংলা হয়ে যাবে…। অভ্র নামিয়ে নিন। আমার এই লিঙ্কটা একটু পড়ে দেখলেই আশা করি বুঝতে পারবেন। একবার সব সেট করে নিলে আর কোন সমস্যাই থাকবে না…।

      http://wp.me/P1KRVz-ep

      কম্পিউটার এর যে কোন সমস্যা হলে লিখতে পারেন। আমি না পারলেও আমাদের বন্ধুরা আছে, আপনাকে হেল্প করে দেবে।

      শুভেচ্ছা আবারো। আশা করি সব সময় সাথে থাকবেন।

      Like

      • ageu try korecho bangla likbar jonno ekhon abar korlam hoy na,mac er jonno somossa hote pare,sathe thakbo dua korben

        Like

        • হা হা হা…। একবার না পারিলে দেখ শতবার…।

          ধন্যবাদ বোন। অভ্র এবং সেলায়মান ফন্ট নামিয়ে নিন। এই লিঙ্কটা পড়ে দেখুন, বাংলা লিখা খুবই সহজ।
          https://udrajirannaghor.wordpress.com/bangla-problem/

          শুভেচ্ছা।

          Like

          • হা পারলাম সেশে তবে বাংলা বানান ভুল হয়
            ,
            সব কেমন জানি গুলে ফেল্ছি
            ,অনেক অনেক ধন্নবাদ

            Like

            • ধন্যবাদ বোন। প্রথম প্রথম এমন মনে হবে। তবে একবার টাইপ শিখে গেলেই দেখবেন বাংলা লিখার কেমন নেশা।
              যদি কোন সমস্যা হয় তবে জানাবেন, চেষ্টা করব দেখিয়ে দিতে।
              শুভেচ্ছা। আশা করি বাংলা লেখা শিখে আমাকে ভুলে যাবেন না। হা হা হা…
              (বাংলা টাইপ শেখার পর আর এখন আর বিদেশী ভাষা লিখি না!)

              Like

              • আমি
                কিন্তু এখানে সদসস হবার চেশটা
                করেচি পারিনা
                ,কিভাবে হব?
                নিজের কি ব্লগ থাকা লাগে?
                অত বিজ্ঞ ত হয়নি

                help করবেন আশা
                করি

                Like

                • হা, বোন। ওয়ার্ড প্রেস অনেকটা নিজের ব্যক্তিগত মোবাইলের মত। আপনি একটা ছোট ও সাধারন ব্লগ খুলে ফেলতে পারেন। এখানে একাউন্ট খুলে ফেলার পরই আপনি ওয়ার্ড প্রেস এর মেম্বার হয়ে যাবেন। আপনার নিজস্ব ব্লগে নিজের লেখা বাখবেন এবং অন্যের ব্লগে কমেন্ট করবেন। ওয়ার্ড প্রেস ব্লগের মজা একবার পেয়ে গেলে দুনিয়ার আর কিছুই ভাল লাগবে না। সোজা নিন্মের লিঙ্ক লিখুন এবং যে যে ইনফরমেশন চায় তা দিয়ে একের পর এক এগিয়ে যান। খুব সহজ এবং সাধারন। আপনি অবশ্যই পারবেন।
                  http://www.wordpress.com
                  নুতন একাউন্ট খুলুন। আর না পারলে আমাকে আপনার ইমেইল নং (সেটা এই পারপাসেই ব্যবহার করবেন) দিন। আমি একটা ব্লগ বানিয়ে আপনাকে সব কিছু জানিয়ে দেব।
                  শুভেচ্ছা।

                  Like

  6. রেসিপিটা আমি পারবো বলে মনে হচ্ছে। 🙂

    Like

  7. দুর্দান্ত পোস্ট।
    এই কাবাবই আমি তৈরি করেছিলাম রুই এবং কাতল মাছ দিয়ে। আপনার মতো করেই।
    ওভেন ছাড়াও বেশ ক’বার তৈরি করেছি কয়লার চুলোতে ফয়েল পেপারে মুড়ে। কেমন স্বাদ সেটা যে একবার খেয়েছে সেই জানবে। চমৎকার এক রেসিপি দিয়েছেন সাহাদাত ভাই।

    Like

    • সত্য দাইফ ভাই। এমন সহজে এমন ভাল মাছের কাবাব আর হয় না। বানাতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে, কাটা কম এমন যে কোন মাছেই বেশ জমবে।

      দাইফ ভাই, আমার আম্মা আসছেন আগামী ২০ তারিখে। তিনি ইতালি থেকে আমার জন্য বেশ কিছু মশলাপাতি নিয়ে আসছেন। ইতালীয় বেশ কয়েকটা রেসিপি নিয়ে কাজ করতে পারব।

      ফয়েল পেপারে মুড়ে খাবার দাবার ইউরোপিয়নরাই বেশী রান্না করে।

      শুভেচ্ছা আপনাকেও।

      Like

  8. Machta kibhabe katlen ektu bojale amio ektu sahos kortam, :)..

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।

      গোটা মাছকে (কেজি তিনেকের মাছ ছিল সেটা) তিন টুকরা করে নিন, মাথা, লেজ ও মাঝ। মাঝের টুকরার মধ্য কাটার এক পাশে ধারালো ছুরি দিয়ে ফালি করে কেটে নিন। কাটা কমিয়ে নেয়াই ভাল। তবে সব কাটা বের করতে গেলে মাছ থেতলে যাবে। পেটের বড় কাটা গুলো থাক।

      মাছের কাবাবে কম কাঁটার মাছ ব্যবহার হয়ে থাকে। কোরাল হাতের কাছে না পেলে বড় তেলাপিয়া দিয়ে প্রথম এই চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তেলাপিয়াও বেশ স্বাদ হয়ে থাকে।

      আশা করি আপনার চেষ্টা আপনার পরিবারের সবাইকে মুগ্ধ করবে এবং তারা আপনার প্রসংশা করবে।

      রান্নার যে কোন কাজে সতর্ক থাকবেন। হাত এবং শরীর চুলা/ওভেন থেকে দূরে রাখবেন। যে কোন গরম কিছু ধরতে সাবধান।

      রান্না করার সময় যদি পারেন রেসিপির একটা প্রিন্ট নিয়ে রান্নাঘরে যাবেন। পরিমান এদিক সেদিন হলেও প্রসেস ঠিক রাখবেন, মজা না হয়ে যাবে কোথায়।

      আমাদের শুভেচ্ছা আপনার সাথে আছে। চিন্তার কি! যে কোন সমস্যায় আমরা আছি। লিখে জানাতে ভুলবেন না।

      আবারো ধন্যবাদ।

      Like

  9. এটা আমার কাছে খুব সহজ মনে হল।

    Like

  10. আমার অসম্ভব প্রিয় খাবার একজন আন্টি বানান আর আমার জন্যেই আলাদা করে একবার করেছেন!! কিন্তু এইটা এত সহজ রেসিপি জেনে খুব ভাল লাগলো! ট্রাই করব দেখি!!

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      আপনার কমেন্ট পেয়ে খুশি হলাম। কোরাল মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু। আমি কোরালের যে কোন রান্নাই পছন্দ করি।

      আপনার কাজে লাগবে জেনে আরো আরো খুশি হলাম।

      শুভেচ্ছা।
      (দেরীতে উত্তর দেয়ার জন্য দুঃখিত, সরি)

      Like

  11. ভাইয়া, ছবিগুলো দেখতে পাচ্ছি না।এক্টু ঠিক করে দেবেন প্লিজ?

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s