Gallery

রেসিপিঃ চিকেন রোল ও পকেট শর্মা (ছোট সোনামানিদের জন্য)


আজ সকালে উন্মোচন ব্লগে লেখা একটা জীবনের গল্প দিয়ে শুরু করি। আমি যাকে ক্যাটাগরি করেছি, বাস্তব কৌতুক!

আমার ছেলের সাথে আমার খুব দহরম মহরম। ক্লাস থ্রিতে পড়ে। হিসাব মত ভাল এবং মেধাবী ছাত্র হবার কথা কিন্তু তার লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। আমিও এই বিষয়ে নির্বিকার। আমি ভাবি, চলুক না, চলছে তো! এই ভাবেই দিন যাচ্ছে এবং রাত আসছে। তবে আমার মনে হয় ক্লাস সিক্স সেভেন থেকে ও ওর লেখা পড়ায় কারিশমা দেখাতে শুরু করবে।

আমি যে কোন বিষয়ে চাপাচাপি করি না। নিজের জীবনে এবং অন্যের জীবনেও। আমি জানি চাপাপাপির ফলাফল তেমন একটা ভাল হয় না। চাপাচাপির ফল সাময়িক। জোর করে কাউকে দিয়ে কিছু করিয়ে ফেলা কঠিন নয় তবে আমি নিশ্চিন্ত সে কাজ কখনো ভাল কিছু বয়ে নিয়ে আসে না।

ছেলে বড় হচ্ছে আর আমার সাথে তার দূরত্বও বেড়ে যাচ্ছে। আমি জানি এটা এই পৃথিবীর একটা বড় সত্য। আজকাল সে চাইলেও আমি তার মত করে চলতে পারছি না। আমার আর শরীরে কুলায় না। সকালে অফিসে এসে রাতে ফিরে গিয়ে আমি আর কারো মতই হতে পারি না। তখন আমার চাই স্থিরতা। আমি এমনিতেই চুপচাপ, আজকাল যেন আরো চুপচাপ হয়ে যাই!

বয়স বাড়ার সাথে আমি খুব করে খেয়াল করছি, আমাদের চারি পাশের পরিবেশ মোটেই আমাদের অনুকূলে নয়। সবাই, সব কিছু যেন আমাদের/ আমাকে মেরে ফেলতে চায়! একটু ভেবে দেখুন – অফিসের নোংরা রাজনীতি, বাজারে ভেজাল, রোগ বালাই, ন্যায় বিচার না পাওয়া, রাস্তা ঘাটের দুর্ঘটনা আরো কত কি। কে একটু বেঁচে থাকতে সাহায্য করছে? মোটামুটি বলা যায়, কেহই না! প্রধানমন্ত্রী সহ ক্ষমতাসীনের প্রতিটা মুহুর্ত যেন, আমাদের মত সাধারন মানুষের বেঁচে থাকার বিপ্রতীপ! আমি/আমরা মরে গেলেই যেন ওদের গদি আজীবনের জন্য টিকে যাবে!

বাইরের জগতের সব ছাপ গিয়ে আজকাল পরিবারেই পড়ছে। নিজকে সামলানো বেশ মুস্কিল হয়ে যায়। কত কিছু বুঝি, কিন্তু কিছুই কাজে লাগাতে পারি না। আফসোস থেকে যাচ্ছেই। ভাবি, এই আফসোস নিয়েই কি এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাব একদিন। সোনার বাংলার সোনা না দেখেই কি পরপারে পাড়ি দিব!

রোজার আগে ছেলের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা হয়ে গেল। সকাল আটটা থেকে পরীক্ষা ছিল। ওকে স্কুলে দিয়ে আমাকেও সকাল নয়টার মধ্যে অফিসে পৌছাতে হবে। ব্যাপারটা কঠিন, লেট মাস্ট। উপরওয়ালা যা চান তাই হয়। যাক, সব ভেবেই আমরা সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়ি। সাড়ে সাতটার আগে বাসা থেকে বের হতেই হবে!

কিন্তু সকালের নাস্তায় ছেলে কি খেয়ে বের হবে। পরীক্ষার দিনে ডিম খেয়ে স্কুলে যাওয়া নাকি ঠিক নয় (আমি অবশ্য এমন কথায় বিশ্বাস করি না)। ছেলের মা ব্রেড দিয়ে কি যেন বানাচ্ছিলেন। এদিকে আমিও শেভ সহ নানা কাজে ব্যস্ত, খালি বলে যাচ্ছি – তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি! স্কুল ড্রেস পরাতে পরাতে মা ছেলের কথা হচ্ছিলো।

– আচ্ছা, মা, পরীক্ষার দিনে ডিম কেন দিচ্ছ না!
; পরীক্ষার দিনে ডিম খেয়ে গেলে ফলাফল ভাল হয় না। ‘ডিম’ মানে ‘শূন্য’ পেতে হয়।
– তা হলে একটা কলা আর দুটো ডিম খাইয়ে দাও। হান্ডেডে হান্ডেড পেয়ে যাব!

গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত। না তা কি করে হয়! নাস্তা না খেয়েই কি ছেলেটা স্কুলে যাবে।  আসলে ছেলে মেয়েদের নাস্তা নিয়ে মায়েদের ভাবনার অন্ত নেই। শিশুরা প্রতিদিন নুতন নুতন নাস্তা চায়। এক খাদ্য পর পর দুইদিন দিলে তাদের মুখের কালো রং দেখবেন! আহ।।

চলুন আজ এমনি একটা মজাদার বিকালের নাস্তার রেসিপি দেখি। খুব সহজ এবং সাধারন। আমি আশা করি আপনার শিশু এটা খেয়ে আবশ্যই আপনার তারিফ করবে। তবে এই ধরনের খাবার আমাদের দেশে এখনো পুরা মাত্রায় চালু হয় নাই (যদিও ঢাকায় বেশ কয়েকটা দোকান হয়ে গেছে)। এই ধরনের খাবার মিডল ইষ্টে বেশ জনপ্রিয় – চিকেন শর্মা। একই পোষ্টে দুই ধরনের শর্মা দেখুন – চিকেন রোল এবং পকেট শর্মা। পরিবেশনে আর একটু কড়া করলে, হোটেল ভুলে যাবেন।

প্রস্তুত প্রণালীঃ (তিন ধাপে, প্রথমে নান রুটি বানানো, চিকেন স্টাফ তৈরী এবং পরিবেশনা)

প্রথমে নান রুটি বানিয়ে নিন। নান রুটি বানানো কত সহজ তা আমি আগেই (প্রায় ৩ টা পোষ্ট) আপনাদের দেখিয়ে দিয়েছি, চতুরে ও আমার রান্নাঘরে এটা একটা সেরা রেসিপি পোষ্ট ছিল। বলা বাহুল্য যে, আমার নান রুটি বানানোর রেসিপি ইত্যিমধ্যে সারা দুনিয়ায় তুমল জনপ্রিয় হয়েছে। আমার নান রুটির রেসিপি হুবহু ফেবুতে একটা গ্রুপ তুলে দিয়ে দেখলাম প্রায় ৩০০ মত লাইক এবং অনেক কমেন্ট। অবশ্য পরে সেই গ্রুপ এর এডমিন তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। রেসিপি প্রিয় ব্লগার আমার রান্নাতো বোন সুরঞ্জনা আপা, হুদা ভাই, ডাঃ নিয়াজ ভাই ও বোন সায়মা আমার হয়ে অনেক লড়েছেন।  সে যাই হোক, আমি খালি গল্প করি! যারা এখনো নান রুটির রেসিপি দেখেন নাই তারা এখানে ক্লিক করে নান রুটি বানিয়ে নিতে পারেন – নান রুটি (সকাল/বিকালের নাস্তায়)। খুব সহজ, একবার বানিয়ে দেখুন।


বোনলেস কিছু চিকেন (এলোমেলো কাট) নিয়ে সামান্য হলুদ, মরিচ গুড়া, রসুন বাটা ও সামান্য লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। কড়াইতে তেল গরম করে চিকেন গুলো ভেজে উঠিয়ে নিন।


এর পর কিছু শসা ও পেঁয়াজ চিকন বা ফালি করে কাটুন। সাথে নিন টমেটো সস ও মেয়নেজ (বানান ঠিক কি না কে জানে)। শিশুদের জন্য যেহেতু কাঁচা মরিচ না দেয়াই ভাল, বড়দের জন্য হলে কয়েকটা কাঁচা মরিচ ফালি করে কেটে দেয়া যেত।


পরিমাণ আপনি নিজে নির্ধারন করতে পারেন। চিকেন একটু বেশি হলে ভাল।


ভাল করে মিশিয়ে নিন।


এবার ডাইরেক্ট রোল।


ব্যস হয়ে গেল চিকেন রোল শর্মা। ঢাকায় টিসু দিয়ে জায়গা ভেদে এমন একটা রোল শর্মা বিক্রি করে ৭০ থেকে ৯০ টাকায়! অথচ দেখুন কত সহজ এবং সাধারন।


বড়দের জন্য মরিচের একটা চাটনি বানানো যেতে পারে।


এবার পকেট শর্মা। রুটি কেটে দুই ভাগ করে নিন।


চিকেন স্টাফ ভিতরে দিন।


ব্যস হয়ে গেল চিকেন পকেট শর্মা। কি বলেন, শিশুরা পছন্দ করবে কি না!

বলতে ভুলে যাচ্ছি, রোজায় যারা ইফতারিতে ভাজিভুজি খেতে চান না তাদের জন্য এই ধরনের খাবার মন্দ হবে না।

শুভেচ্ছা সবাইকে।

কৃতজ্ঞতাঃ মানসুরা হোসেন

(PhotoBucket to Google)

Advertisements

25 responses to “রেসিপিঃ চিকেন রোল ও পকেট শর্মা (ছোট সোনামানিদের জন্য)

  1. গল্পে গল্পে শুরু পোস্ট। ভাল লাগছিলো পিতা-পুত্রের মধ্যকার সম্পর্ক, মাতা-পুত্রের কথাগুলো, দেশের অবস্থার বিচারে একজন স্বামী বা বাবার মনের অজানা কথন। আর বোনাস হিসেবে চমৎকার এক রেসিপির পোস্ট তো আছেই।

    এই চিকেন শর্মা বা পকেট শর্মা ছোট সোনামনিরা কেন, আমি নিজেই তো গিলি গোগ্রাসে।
    ধন্যবাদ জানবেন প্রিয় সাহাদাত ভাই।

    Like

    • হা হা হা…। আসলে দুই দিনের দুনিয়া।
      দাইফ ভাই, বাসায় নান রুটিটা বানানো শিখিয়ে দিন। নান রুটি দিয়ে কত কি করা যায়। শুধু নান সব্জী তরকারী দিয়েও আমি ইফতারে খেয়ে বেশ আরাম বোধ করি।

      শুভেচ্ছা।

      Like

      • নান রুটিটা আগে বানাতো বাসার মা-বোনরা। আর এখন তো আপনার থেকে শিখে নিলাম। চেষ্টা অবশ্যই থাকবে। আর ইফতারে ভাজাভুজি থেকে যত বিরত থাকা যায় ততই আরাম।

        শুভকামনা !

        Like

  2. গুড়ের শর্মা খেয়েছি কত সেই ছোটবেলায়!!!
    কিন্তু এর নাম শর্মা কেন? আর দামই বা এত বেশী হবার কী যুক্তি??
    চাকরি জীবনের শেষ সাত বছর একেকদিন একেক শর্মা খেয়ে দুপুর কেটেছে। তখন জানতাম না যে এই জিনিষকে শর্মা বলে! শর্মা নামটা আমার কাছে খুবই নতুন, একেবারেই নতুন বলা যায়! যে কোন মিষ্টি বা তরকারি দিয়ে রুটি পেচিয়ে খেলেই তো তাকে শর্মা বলা যাবে, না কি?
    এই রেসিপি পোস্টের গল্পাংশ অতি চমৎকার! জীবনের নিত্যদিনের হুবহু চিত্র উঠে এসেছে। লেখককে ধন্যবাদ।

    Like

    • ধন্যবাদ হুদা ভাই, রুটিতে ঘি ও চিনি লাগিয়ে রোল করে আমরাও কত খেয়েছি। আমার ছেলে এখনো এমন খেতে পছন্দ করে! তবে আমাদের ছোট বেলার অনেক খাবার এখন হারিয়ে যাচ্ছে।

      হা, শর্মা। মিডল ইষ্টে এটা একটা জনপ্রিয় খাবার। একটা শর্মা এবং একটা ঠাণ্ডা পানীয় খেয়েই অনেকে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে।

      মিষ্টি বা তরকারী পেঁচিয়ে দিলে তাকে শর্মা বলা যাবে কি না বুঝতে পারছি না, তবে খাবার বলা যাবেই, শুধু একটা নাম! আর নামে কি আসে যায়।

      তবে এই ধরনের খাবার গুলোকে আমার মনে হয় আরো সহজ ও মানুষের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া দরকার। কম টাকায় পেট পুরে ভাল খাবার হতে পারে এমন খাবার গুলো।

      আমাদের হোটেল ব্যবসাহীরা শুধু টাকাই চিনলো। মানুষের প্রতি কোন মায়া দয়াই দেখাতে পারল না।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  3. রোল অনেক দিনের পরিচিত খাবার কিন্তু পকেট শর্মার কনসেপ্টটা এক্কেবারে নতুন এবং দারুন লাগলো, করে দেখতে হবে

    Like

  4. আর, দাদা, আপনার ছেলের জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইলো, পরীক্ষা খুব ভালো হবে। 🙂

    Like

  5. হুম, রোজায় ইফতারির জন্য আইটেমটা ভালো হবে। 🙂

    Like

  6. আবার গল্প এবং রেসিপি! দুটোই জবরদস্ত!
    এই শর্মা এখানে চিকেন ডোনার কাবাব বলে বিক্রি করে, আমার মনে হয় চিকেন না-ভেজে এরা হয়ত রোস্ট করে নেন, কিন্তু বাকিটা একই প্রসেস। বেশ লাগে!
    “মেয়নেইস” হোলে বানানটাও জবরদস্ত হবে! 🙂

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      শর্মা মূলত মিডল ইষ্টেই বেশ জনপ্রিয় খাবার। চিকেন প্রসেসে তারা আর একটু ভিন্নতা আছে। তবে ফরমুলা মোটামুটি একই। সহজ এবং সাধারন বলে এটা সবাই পছন্দ করে, সাথে থাকে একটা কোক বা যে কোন পানীয়। বেলা পার করে দেয় সহজেই।

      ডোনার কাবার নিয়ে ভাবছি…।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  7. খুব ভালো হয়েছে পক্রট শর্মা!! আমি ও করি ইফতারিতে, আসলেই বাচ্চাদের জন্যে খুব উপাদেয় আর খুব পছন্দ ও করে ওরা । বিকালের নাস্তায় একটা শর্মা খাইয়ে দিতে পারলে সাস্থ্য নিয়ে আর চিন্তা নেই। ভাইয়া আপনিতো বেশ ভালো রান্না করেন। নান দিয়ে রোল না করে পাতলা রুটির রোলের কিভাবে করা যায় জানাবেন। ময়দার ময়ান ফিয়ে আমি করেছি কিন্তু সেটা ভালো হয় না, ফ্যলে ওঠে যেটা আমি চাই না, বডি প্লেইন থাকে ভাজার পর ও এমন একটা রোলের রেসিপি জানান।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন।
      ১। আপনি ঠিক বলেছেন, শিশুদের শরীরের দিকে নজর দিয়ে রান্না করতে হয়। শিশুরাও এক খাবার বার বার খেতে চায় না। এদিক ভেবে অনেক ধরনের খাবার রান্না করতে হয়।
      ২। আমি এখনো শিখছি, ছাত্র মাত্র! কিছু কিছু রান্নায় হাত বেশ খুলে ফেলেছি। বিশেষ করে সবজি রান্না এবং মাছ রান্নায়। খুব কম মশলাপাতি দিয়ে আমি এগুলো চমৎকার রান্না করা শিখে গেছি। আমার স্ত্রী মানে যাকে আমি ব্যাটারী বলি, তিনি এই কাজে আমাকে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। আমার অত্যাচার নিরিবে মেনে নেন (আমাকে রান্না ঘরে দেখতে তিনি পছন্দ করেন, আই মিন আমাদের আজকাল আড্ডা হয় রান্নাঘরেই)।
      ৩। পাতলা বা কিছুটা মোটা একধরনের রুটি আমরা রোজার দিনে বানাই, সেটা দেখি আজ কালের মধ্যে পোষ্ট করব।
      ৪। ইষ্ট না দিয়ে দেখতে পারেন।
      ৫। প্লেইন রুটি দেখাচ্ছি…… এটা সহজ… আপনার জন্যই থাকবে।
      আশা করি সাথে থাকবেন। আপনার পরামর্শ আমাদের আনন্দ দেবে।

      Like

  8. পকেটটা চমতকার হয়েছে! খুব ভালো একটা রেসিপি দিয়েছেন! 🙂

    Like

    • ধন্যবাদ ব্রাদার।
      হা, এটা আমাদের সেরা রেসিপি গুলোর একটা। আমি মনে করি ঘরে এই ধরনের খাবার বানিয়ে শিশুদের খাওয়ানো উচিত। ঘরে এই খাবার খেলে দোকানে যেতে চাইবে না।
      শুভেচ্ছা আপনাদের।

      Like

  9. ভাইয়া, ইফতারের রেসিপি তো পেলাম একটা, সেইরকম ইয়াম্মি রেসিপি!!
    আশা করি আরও কিছু নতুন রেসিপি পাবো 😀

    Like

  10. ইফতারিতে ভাজিভুজির চাইতে এই ধরনের আইটেমগুলো অনেক স্বাস্থ্য সম্মত।
    ধন্যবাদ।

    Like

  11. পিংব্যাকঃ রেসিপিঃ লেবানিজ শেফ আবদু’র শর্মা | রান্নাঘর (গল্প ও রান্না)

  12. Goggle a Sharma recepie like search dile main ingredient gulu paben..

    Liked by 1 person

  13. ঘরে মেয়নেজ বানাতে আমাদের এই রেসিপিটা দেখে নিতে পারেন। খুব সহজ এবং সাধারনভাবে ঘরেই মেয়নেজ বানাতে পারেন। http://wp.me/p1KRVz-XE

    Like

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s