গ্যালারি

রেসিপিঃ ঠাণ্ডা দুধের শরবত


আজ কাল যে গরম পড়ছে! এই গরমে বাহির থেকে ভিতরে গেলেই শরবতের প্রয়োজন আছে। শরীর থেকে যে হারে ঘাম বেরিয়ে যাচ্ছে তা পুরাতে শরবতের বিকল্প নেই। জীবনে অনেক পদের শরবত পান করেছি। ছোট বেলা থেকে শরবত দেখে আসছি। কলকাতার নিঊ মার্কেটের (স্যার স্টুয়াড হগ মার্কেট) প্রবেশের মুখে ডান পাশের মোহাম্মদ সাব্বির ভাইয়ের শরবতের দোকান আমার প্রিয় শরবত কারখানা। এই বিষয়ে আরো জানতে এই পোষ্ট দেখতে পারেন – শরবত পান করবেন জনাব। কলকাতা গেলে আমি তার বিশেষভাবে বানানো শরবত পান করিই। আমার দেখা দেখি আমার সকল বন্ধুর কাছেও মোহাম্মদ সাব্বির ভাইয়ের শরবত দারুণ জনপ্রিয়।


আমি না গেলেও আমার কথা সাব্বির ভাই আমার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করেন, আমি কেমন আছি? দুনিয়াতে এর চেয়ে আনন্দ আর কি হতে পারে। কলকাতার এই শরবত ব্যাপারীর সাথে আমার পরিচয় ১৯৯১ সালে। তার হাতের শরবত আসলেও চমৎকার… তবে এক ধরনের শরবত তিনি বানান তা হচ্ছে ‘লেবু শরবত’, সাধারণ এবং বিশেষ। প্রচণ্ড গরমে তার বিশেষ শরবত মনকে বিশেষ করে তুলে। গেলে আপনারাও পান করে আসবেন…

যাই হোক আমার আজকের শরবত হচ্ছে একদম সিম্পল এবং ডিলাইটেড। আমি যাকে বলি ঠাণ্ডা দুধের শরবত।

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
– ১ গ্লাস পরিমাণ মত ঠাণ্ডা দুধ (গরম করে ঠাণ্ডা)
– ১ গ্লাস বরফ কুচি
– ১ চা চামচ পুদিনা পাতা রস (বাটা/চেচা), যারা পুদিনা ভালবাসেন তারা আরো বেশিও দিতে পারেন।
– পরিমাণ মত চিনি।

প্রণালীঃ

উপকরণ গুলো দিয়ে ভাল করে গুলিয়ে নিন। হেভি ঠাণ্ডা…


গ্লাসে ঢেলে পরিবেশনের জন্য রেডি করুন।


শিশুরাও পান করতে পারে।


কত সহজ এবং সাধারণ দেখেছেন! আপনার প্রিয়জনরা গরম থেকে এলে এমন এক গ্লাস শরবত বানিয়ে দিন, দেখুন সে কেমন আনন্দ লাভ করে, কি শান্তি লাগবে তার মনে! শরবত খেয়ে কি সুন্দর কথাই না বলবেন!

প্রিয়জনদের কাছে থাকুন, শরবত ভালবাসুন।

Advertisements

16 responses to “রেসিপিঃ ঠাণ্ডা দুধের শরবত

  1. বাহ! এমন দিনে তো এমন রেসিপিই দরকার। আমারও পছন্দের পানীয়। আর বুঝতেই পারছেন ঢাকার মানুষ আমি, অর্থাৎ ঢাকাইয়্যা। তাই শরবতের প্রতি অন্যরকম আকর্ষণ। সেদিনও চকবাজার গিয়েছিলাম ঘুরতে। টানা দু’গ্লাস নূরাণীর লেবুর শরবত খেলাম, শরীর মন একদম ঠান্ডা। আর বিউটির শরবত/লাচ্ছিও অসাধারণ।

    আশা করি ভবিষ্যতে পুরোনো ঢাকার খাবার দাবার নিয়ে কিছু থাকবে।
    অসংখ্য ধন্যবাদ রইল প্রিয় সাহাদাত ভাই।

    Like

    • হা দাইফ ভাই, আমাদের পুরানো ঢাকায় এখনো অনেক কিছু আছে। আমিও বেশ কিছু দোকানপাঠ দেখি আমার ভাল লাগে…। পুরান ঢাকার শরবতের কথা শুনেছি কিছু কোথায় কোথায় পাওয়া যায় তা বুঝতে পারছি না। কোপালে থাকলে ঠেকাবে কে? নারিন্দার অনেক গুলো খাবারের দোকানের খাবার আমি খেয়েছি আমার ভাল লেগেছে…

      বিশেষ করে নান, কাবাব, চা, বিরিয়ানী…। আমি এই বিষয়ে লিখবো…।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  2. আচ্ছা, প্রয়োজনীয় উপকরনগুলোর সাথে সামান্য বিট লবণ কিংবা মরিচ দিলে কেমন হয়?

    Like

  3. @চাটিকিয়াং রুমান,

    রুমান ভাই, দুধের শরবতে বিট লবণ দিলে ভাল লাগবে তবে মরিচ বোধহয় কাঁচামরিচ না দিয়ে সাদা গুড়ো গোল মরিচ একটু দিলে ভাল লাগবে।

    Like

  4. সাহাদাত ভাই,
    নূরাণীর শরবত হলো চকবাজারে। সেখানে গেলে যে কাউকে বললেই দেখিয়ে দেবে।
    আর বিউটি হলো নাজিমউদ্দিন রোডে। অর্থাৎ বঙ্গবাজার হতে যে রাস্তাটি হাজির বিরিয়ানীর দিকে গিয়েছে সেদিকে রাস্তার পাশেই। বিউটি বোর্ডিং-এর নাম তো শুনেছেন বাংলাবাজারের? সেটারই শাখা এখানে। বিউটি হোটেলের এর খাবারও দারুন। বিশেষ করে ইলিশ মাছ। এসব আবার কিন্তু নাজিমুদ্দিন রোডের শাখায় পাবেননা। আর সেখানে গেলে ফালুদা না খেয়ে আসবেননা।

    Like

  5. সত্যি! এই গরমে শরবতের তুলনা হয়না।
    কলকাতা গেলে আমিও খাই নিম্বু-পানি!

    Like

  6. সাহাদাত ভাই, অনেক দিন থেকেই আপনার ব্লগটি বুক মার্ক করা ছিল আর চুপি চুপি দেখে যেতাম। আজ মনে হল একটু লিখেই ধন্যবাদ জানাই। দারুন রেসিপি দিয়েছেন এই গরমের জন্য। ধন্যবাদ আবারও।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। আপনার কমেন্ট পড়ে আমার ব্যাটারী/স্ত্রী হাসছিলেন। সাথে ছিল আমার বড় ভাই ও ভাবী। তারাও আমাকে আপনার জন্য অনেক অনেক এপ্রিসিয়েট করলেন।

      আশা করি মাঝে মাঝে এসে দেখে যাবেন। মেইল দিয়ে যাবেন, এতে সব রেসিপি মেইলেই পেয়ে যাবেন। সাথে থাকার জন্য প্রান ঢালা শুভেচ্ছা।

      Like

  7. এটা এক্ষুনি করে দেখলাম দাদা, দারুন লাগল। পরের বার কোলকাতায় এলে কলেজস্ট্রীটের প্যারামাউন্ট দোকানের শরবত অবশ্যি টেস্ট করবেন দাদা। বিশেষত তাদের বানানো ডাবের জলের শরবত, যার রেসিপি তারা কক্ষনো শেয়ার করেনা, কারণ সে রেসিপি স্বয়ং আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় দিয়েছিলেন তাদের।

    Like

  8. ঠান্ডা দুধের শরবতে কি পানি দিতে হবে না। শুধুমাত্র দুধ আর বরফ কুছি পুদিনা পাতা লবন…

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s