Gallery

খোলা চিতই পিঠা (আড্ডায় ভাল জমত)


লিখেছেনঃ সাহাদাত উদরাজী (তারিখঃ ২৭ জানুয়ারি ২০১২, ২:২৩ অপরাহ্ন)

আজ বিকালে চতুররের বন্ধুদের আড্ডা, ছবির হাটে। আড্ডার কথা শুনলে আমার মন ভীষন আনচান করে উঠে কারণ আমি আড্ডা প্রিয় মানুষ এবং বাল্যকাল থেকে আড্ডা মেরে মেরে বড় হয়েছি! আমার আড্ডার স্থান ও বন্ধুর সংখ্যা বললে অনেকে বিশ্বাস করবেন না, প্রচুর। এখনো আমার কোন বন্ধু আমাকে ভুল বুঝে নাই কিংবা খারাপ ঝগড়া বিবাদ হয় নাই। আমার ভুল হলে আমিই আগে ক্ষমা চাই এবং সবার কাছে বিশ্বস্ত থাকতে চাই, এবং সেটা আমৃত্যু চলবে বলে আমি মনে করি। কাজে কাজেই, আমার মায়ের আমার জন্য বিশেষ আদর ছিল। তিনি আমার আড্ডা তেমন কিছু মনে করতেন না, কারণ ছোট বেলা থেকে ‘ভাল ছেলে’র একটা লেভেল গায়ে প্রিন্ট মেরে রেখেছিলাম। আর যত যাই হত (সব খবর তিনি রাখতেন) তিনি আমার কাছ থেকে জানতেন, আমি আমার মায়ের কাছে সব বিষয়ে ফ্রী ছিলাম (আমার ইচ্ছার বিবাহেও তিনি বাঁধা দেন নাই, গায়ে জ্বর নিয়ে তিনি আমার বিবাহে উপস্থিত হয়েছিলেন)। তার পর, দিনের পর দিন বাসার বাইরে থেকেও কোন বিচার আচার বাসায় পৌঁছাতে দেই নাই, যাতে পিতামাতা রাগ করতে পারেন। হা হা হা।।। বিশেষ চেষ্টা চলছে সব সময়। আমার চরিত্রের বন্ধু এই দুনিয়াতে অনেক আছে! আমি একা নই!

সে যাই হোক, মুল গল্পে আসি। আমার মায়ের কাছে থেকে শিখা একটা পিঠার কথা আজ আপনাদের জানাব। এই পিঠা তিনি আমাদের এই জীবনে কতবার খাইয়েছেন তা আমি বলতে পারব না। রান্নাঘরের প্রতি আকর্ষন না থাকায় কোনদিন চেষ্টা করি নাই, কি করে এই পিঠা বানানো হয়! গত ২৫ তারিখে আমার আম্মা ইটালীতে চলে যাবার আগে কয়েকদিন আমার বাসায় ছিলেন। ২১ তারিখ রাতে (প্রায় ১টায়) আলাপের ফাঁকে হঠাত এই পিঠা কথা উঠে যায় (তিনিও জানেন আমি রেসিপি লিখি), আর দেরী না করে উনাকে নিয়ে রান্না ঘরে চলে যাই। এখানে বলা বাহুল্য, চালের ঘুরি (শব্দটা ঠিক কিনা বুঝতে পারছি না) ও একটা খোলা মাটির তাওয়া বাসায় এনে রেখেছিলেন আমার ব্যাটারী কারণ তিনিও এই পিঠা বানানো শিখতে চেয়েছিলেন অনেক আগে থেকে কিংবা পারতেন তবে কখনো সাহস করে বানান নাই। কাই বানানো দেখিয়ে, দুটো পিঠা বানিয়ে তিনি ড্রইং রুমে চলে এসেছিলেন। বাকি সব পিঠা আমি ও আমার ব্যাটারী বানিয়েছিলাম। রাত দুটায় সবাই মিলে খেজুরের রস (রাব) ও নারিকেল দিয়ে খেয়ে, চা পানের সবাই ঘুমাতে গিয়েছিলাম। আমার বুলেটও রাত জেগে থাকে। এটাও বিরাট আড্ডা! মা, ছেলে, স্ত্রী নিয়ে এমন জমজমাট সময় পাসকে আড্ডা না বলে উপায় নাই! তবে এই আড্ডার লাভ হচ্ছে, আমিও শিখে নিয়েছি একটা চমৎকার স্বাদের পিঠা বানানো। ২১ তারিখের পর আরো তিনদিন এই পিঠা বানানো হয়েছে এবং আরো চার কেজি চালের গুড়া কেনা হয়েছে!

কাজে কাজেই চতুরের এই আড্ডায় আমি যদি এই পিঠা নিয়ে হাজির হতে পারতাম তবে মনে বিরাট খুশি লাগত। সেটা পারব না, কারণ আমি যথাযত শুক্রবারের অফিসের ডিউটিতেই আছি! এই পিঠার নাম খোলা চিতই। চিতই পিঠা চিনেন না এমন বাঙ্গালী আছেন বলে আমার মনে হয় না! মাটির খোলায় এই পাতলা চিতই বানানো হয়, সহজ কাজ অনেকটা ‘জগ থেকে পানি ঢেলে পান করার মত ব্যাপার’! এই চিতই পিঠা নিয়ে ক্লাস থ্রীর বইতে একটা প্রবন্ধ আছে (সময় পেলে সেটা একদিন তুলে দিব, অসাধারণ লেখা)। আমাদের গ্রামে প্রতিদিন সকালেই এই পিঠা বানানো হয় এবং সবচেয়ে বড় যে বিষয়, তা হচ্ছে এই পিঠা যে কোন তরকারী দিয়ে খাওয়া যায়, যা আছে তা দিয়ে! কিছু না থাকলে চা দিয়ে চুবিয়েও খাওয়া যায়। বেশ মজার। এক বসাতে ১০/১২টা এই পিঠা খাওয়া কোন ব্যাপার নয়! চলুন দেখে ফেলি, আমার মায়ের হাতের তৈরী আর আমাদের শিখিয়ে দেয়ার ছবি গুলো!


এক কাপ চালের গুড়া নিন (আজজাল প্যাকেটে পাওয়া যায়)। এক চিমটি লবন দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে দিয়ে কাই করতে থাকুন।


একটা হাঁসের ডিম কিংবা দেশী মুরগীর ডিম দিন। হাঁসের ডিমে পিঠা বেশ ফুরফুরে হয়।


ভাল করে মিশিয়ে মিশিয়ে প্রয়োজনীয় কুসুম গরম পানি দিয়ে দিয়ে এমন তরলে পরিনত করুন যা বেশী ঘন নয় আবার বেশী তরলও নয়।


মাটির তাওয়া গরম করুন। এক চামচ তরল কাই একটা গরম তাওয়ায় দিন এবং দুই হাতে ঘুরিয়ে সে কাই গোল করে বিছিয়ে দিন। গোল করাটা সহজ মনে হলেও তত সহজ নয়। অভিজ্ঞতায় আপনি সেরা গোলকারী হতে পারবেন। এখানে একটা বিশেষ কথা বলে নেই। মাটির তাওয়া ভাল দেখে কিনতে হবে পানিতে ভিজিয়ে, রোদে শুকিয়ে তাওয়া তৈরী করতে হবে। নতুবা চুলায় দিলে গরমে ফেটে বা বাষ্ট হয়ে নুতন সমস্যা তৈরি হবে। সুতারাং সাবধান। আমরা দুটো মাটির তাওয়া ফাটিয়েছি পরে! অল্পের জন্য ফাটা গরম টুকরা গায়ে লাগে নাই। আশা করি বুঝে নিয়েছেন!


মিনিট দুয়েকের জন্য ঢেকে দিন, যাতে পিঠার পুরু অংশেও তাপ লাগে।


পাতলা খুন্তি দিয়ে খুঁচিয়ে চারপাশ থেকে তুলে জমা করতে থাকুন।


অসাধারন। দেখতে কত সুন্দর তা বলে বুঝাতে পারব না।


বাসায় খেজুরের রসের তরল গুড় (রাব) ছিল, নারিকেল ছিল। আমরা খেতে বসে পড়লাম।


সত্যি অসাধারন, সেরা স্বাদ। আমার মায়ের হাতে। আমি নিশ্চিত, আপনারাও আপনাদের মায়ের হাতের এই পিঠা ছোট বেলায় অনেক খেয়েছেন কারণ এটা আমাদের দেশের একটা সাধারন পিঠা।

[শীতের এই সন্ধ্যার আজকের আড্ডায় আমি বাসা থেকে খুব সহজেই বানিয়ে নিয়ে আসতে পারতাম। কিন্তু সময়াভাবে পারলাম না। তবে কথা দিচ্ছি, বই মেলার এক আড্ডায় (আমি আমার ব্যাটারী, বুলেট সমেত যে দিন আসব) আপনাদের যারা থাকবেন তাদের জন্য নিয়ে আসব। হাতে আমার আগামী পুরা ফেব্রুয়ারী মাস আছে!]

অফটঃ গতকালের জন্মদিনে যারা আমার কথা মনে রেখেছেন সবার জন্য ভালবাসা থাকল। আমি একটা পিকনিকে যাবার দরুন সময় মত উক্ত পোষ্ট গুলোতে হাজির হতে পারি নাই বলে আমারো মনে কষ্ট জমে আছে। শুভেচ্ছা নিন। তবে জন্মদিন এলে ভয়ে ভয়ে থাকি, এই বুঝি আর একটা ধাপ মৃত্যুর কাছাকাছি চলে গেলাম।

Advertisements

28 responses to “খোলা চিতই পিঠা (আড্ডায় ভাল জমত)

  1. আমি কোনদিন খাই নি এই পিঠে, আসলে পিঠে তে ডিম মেশানোটা একটু অন্যরকম লাগলো। নেক্সট বাড়ি গেলে চেষ্টা করব। আমাদের এখানে পিঠেতে ডিম মেশানো হয় না কক্ষনো। শুধু চালের গুঁড়োতে জল মিশিয়ে লেই বানিয়ে (ডিম না দিয়ে) এই পিঠে মা বানান, সেটাকে সরুচাকলি বলি। আপনি হয়ত অবশ্যি জানেন। সরুচাকলি খেজুর গুড় বা যেকোন সবজির তরকারি দিয়েও খাওয়া যায়।

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। হা, ডিম না মিশালেও চলবে বলে আমি মনে করি। তবে ডিম মিশালে খোলায় লেগে যাবার সম্ভবনা থাকে না এবং পিঠা বেশ ফুরফুরে হবে। একবার বানিয়ে দেখতে পারেন, আশা করি ভাল লাগবে।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  2. Bhia eta ei Friday te chesta korbo, matir tawa pachi na..mdpur er kothay paoa jay, r bhubjbo ki kore j tawa ready..ar porimap gula bole den

    Like

  3. শীতের পিঠা। খেজুরের গুড় দিয়ে। আহা! কী মজাদার!!

    Like

  4. [চতুরের প্রকাশিত পোষ্ট ছিল এটা। যার লিঙ্ক দেয়া হয়েছে।]

    পুরানো পোষ্ট আজ স্টিকি করে দিলাম। নুতন রেসিপি লিখার সময় পাচ্ছি না, এদিকে হাতে অনেক রেসিপি জমে আছে। এখন দেশে যে শীত পড়ছে, তাতে আসলে খোলা চিতই পিঠার তুলনা হবে না। এই শীতের সকালে এমন পিঠা হলে আর কি লাগে। কতদিন এই চিতই পিঠা খাই না! আহ…।

    Like

    • হয বোন, প্রবাসীরা এই পিঠা বানাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে ইংল্যান্ডে নাকি মাটির খোলা পাওয়া যায়। দেশের সব কিছুই যখন পেয়ে যান সেখানে দোকান গুলোতে দেখতে পারেন। পেলেও পেয়ে যেতে পারেন। তবে সাবধানে চুলায় চড়াবেন, মাটির খোলা অনেক সময় শব্দ করে ফেটে যায়।

      শুভেচ্ছা। দেশে এলে খেতে ভুলবেন না।

      Like

  5. ’এখনো আমার কোন বন্ধু আমাকে ভুল বুঝে নাই কিংবা খারাপ ঝগড়া বিবাদ হয় নাই।’
    তুমি খুব ভাগ্যবান বন্ধু। তোমার বন্ধু ভাগ্যকে ঈর্ষা হয়। চমৎকার চিতই পিঠা ! সঙ্গে রাব। জিভে রীতিমতো জল চলে এলো। জন্মদিনের বিলম্বিত শুভেচ্ছা। 🙂

    Like

  6. To day first in my life l make chitoy pitha….traditional one . half my husband eat with grated coconut n powder milk(don’t ask any thing pls) and other half l cook with liquide milk,coconut,sugar (duth chitoy)……..so proud of my self …..ALLAH SHUKUR…VAIA l eat ur pitha at my aunty’s house….as a morning break fast………so yammy……salam to u all….anjuman

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। সেইম এই কাইতে শুধু ডিম না দিয়ে গোল চিতই পিঠা মোটা করে বানিয়ে দুধ চিনি বা গুড় দিয়ে রান্না করলেই দুধ চিতই। হা, বেশ মজাদার। কয়েকদিন আগে অফিসের পিকনিকে গিয়ে এই চিতই পিঠা সরিষার ভর্তা দিয়ে খেয়েছিলাম। অসাধারন। সকালের নাস্তায় এই পিঠার জুড়ি নাই।

      প্রবাসে বসেও আপনি দেশের আমেজে আছেন জেনে ভাল লাগে। এটাও ভাগ্য, আপনার জন্য দোয়া করি।

      আমরা ভাল আছি, আপনারাও ভাল থাকুন।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  7. Thank;s for ur pray vaia…we try to eat in traditional way at home ..serve Bangladeshi food to my all friend here is part of a trick too…..now they all know our foody culture ……anjuman

    Like

    • ধন্যবাদ বোন। আমি প্রবাসে থাকার সময় রান্না জানতাম না এবং রান্নাঘরে প্রবেশের চেষ্টাও করতাম না। আমার পাশের এক রুমমেট ছিল সে মোটামুটি বেশ ভাল রান্না করতে পারত। মাঝে মাঝে আমি ওকে দিয়ে রান্না করিয়ে নিতাম (আরো বন্ধুরা থাকত)। যেদিন রান্না হত সেদিন আমরা হাতের কাছে যাকে পেতাম তাকেই দাওয়াত দিয়ে ধরে আনতাম, এভাবে অনেক ভিনদেশী কে আমরা আমাদের রান্না খাওয়াতাম।

      মাঝে মাঝে ওরা রান্না পছন্দ করত, আর মাঝে মাঝে বলত – হট, টু হট! এই বলে বের হয়ে যেত।। হা হা হা, সে দিন গুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

      ফাহাদ আল মাওইদ নামের এক ভিনদেশী যুবকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল। বেশ দুঃখী ছিল সে, মাঝে মাঝেই আমার সাথে খেত। সে আমাদের খাওয়া বেশ পছন্দ করত। খেতে বসে আমাদের অনেক মজার মজার জোক্স শুনাত…

      এই তো দুইদিনের দুনিয়া।

      বেশ হচ্ছে, ভিনদেশীদের দেশী বানাবার এই প্রচেষ্টাকে আমি সমর্থন করলাম! হা হা হা…।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  8. শীতের সময় আম্মা তৈরি করেন এই পিঠা । বিকালের চা এর সাথে টা হিসাবে ভালোই জমে । তবে এই পিঠা তৈরিতে ডিম দেয়া হয় না ।

    Like

  9. Rumpa Syeda Tiger Zaman (ভাইয়া আমি আপনার রান্নার একজন বিশাল ভক্ত। এই রেসিপিতে আটা গুলানোর জন্য কতটুকু পানি দিবো? ফুটনোট: আমার আইডিয়া এসব ব্যাপারে একটু কম। কারণ রান্নার কিছুই পারতাম না। আপনার ব্লগ দেখে রোজই কিছু না কিছু বানাই।)

    বোন ফেসবুকে আমি কেন জানি উত্তর দিতে পারছি না। মেসেজ ব্লক দেখাচ্ছে। তাই আপনার উত্তরটা এখানে দিয়ে দিলাম। আশা করি দেখে নেবেন।

    ধন্যবাদ বোন। এটা একটা গ্রামীন পিঠা তবে এই পিঠা যে কোন তরকারী দিয়েই খাওয়া যায়। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গুড়ি নাড়াতে থাকুন এবং যতক্ষন পর্যন্ত ঘনত্ব এমন একটা পর্যায়ে না আসে, যখন হাতের আঙ্গুল দিয়ে পড়ে যাবে কিন্তু আবার লেগেও থাকবে, এমন ঘনত্ব। মানে মাঝা মাঝি তরল। এটা আপনি বানাতে থাকলেই বুঝতে পারবেন। আর যদি ঘনত্ব বেশী থেকে যায় তবে আরো পানি দিন, আর বেশি তরল হয়ে গেলে আরো সামান্য গুড়ি দিন। ব্যস। হাতই আপনাকে বলে দিবে। প্রথম বার চেষ্টা করুন, আশা করছি হবে যাবে। শুভেচ্ছা।

    Like

  10. Citoi pita bananor jonno je lohar korai pai ate hobe

    Like

    • না বোন, এই পিঠা মাটির খোলায় ই ভাল হয়, লোহা বা অন্য কোন কড়াইতে এখনো বানাতে দেখি নাই। কারন মাটির খোলায় পিঠার পিছনের দিকটা ভাল হয়। তবে এই পিঠা বানাতে সব সময়েই সাবধান। অনেক সময় মাটির খোলা ভিজা বা কম পোড়া হলে ফুটে উঠে। তাই সাবধানে চেষ্টা করবেন।

      একবার পেরে উঠলেই হল। তাই চেষ্টা চলুক।

      শুভেচ্ছা।

      Like

  11. Ami onek cesta kore prinai ai pitha banate gol ta hoina

    Like

    • ধন্যবাদ বোন, গোল করাটা নির্ভর করে আপনার হাতের ঢেউ এর উপর। হা হা হা। যত সুন্দর করে ঢেউ তুলবেন ততই ভাল গোল হবে।

      তবে আগে একটা খোলা নিয়ে তাতে প্যাক্টিস করে নিতে পারেন, পানি দিয়ে। খোলা তে কিছু পানি দিন এবং তার পর খোলা হাতের নিয়ে পানি ঘুরিয়ে দেখুন গোল করতে পারছেন কি না। এভাবেই হয়ে যাবে।

      শুভেচ্ছা নিন বোন।

      Like

  12. এই পিঠা আমাদের চিটাগাংএ খোলাঝারি পিঠা বলে।গ্রামে কোরবানির ঈদের দিন গরুর মাংসের সাথে খাওয়ার জন্য অবশ্যই বানানো হয়।ধন্যবাদ ভাই রেসিপির জন্য, তবে ইউকে তে মাটির খোলা কই পাই !!! নরমাল প্যানে করার চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ 😊

    Liked by 1 person

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s