গ্যালারি

ফুলকপি এবং আলু পাকোডা অথবা ভাজিয়া


লিখেছেনঃ সাহাদাত উদরাজী (তারিখঃ ২৭ নভেম্বর ২০১১, ১১:৩৬ অপরাহ্ন)

চতুরমার্ত্রিক এই সময়ে চরম জমে উঠেছে বলে আমার মনে হচ্ছে। এখন রাত সাড়ে এগারটা, অনলাইন অফ লাইন মিলিয়ে এত সংখ্যক (বর্তমানে ৪২ জন সদস্য এবং ১১০ জন অতিথি জেগে আছেন) ব্লগার জেগে আছেন দেখে মন খুশিতে ভরে উঠছে! আমি না হয় জেগে থাকব, আমার অফিস পাহারা দেয়ার কাজে কিন্তু এত ব্লগার কেন জেগে থাকবেন? জানতে ইচ্ছা হচ্ছে! ব্লগিং আসলেই একটা নেশার নাম! ছেলে বুড়ো যার মধ্যেই এই নেশা ধরবে তাকে আর ছাড়বে না। ব্লগিং থেকে সাময়িক বিরত থাকা যায় কিন্তু আবার ফিরে আসতেই হয়! এক ব্লগে না পারলে অন্য ব্লগে যেতে হয় (ভিক্ষা নেশাও বটে)! এই ব্লগারদের ভীড়ে টিকে থাকাও বেশ কঠিন কাজ! কিন্তু বেশ কিছু করেও টিকে থাকা যায়। শুধু কমেন্ট করেও স্টার ব্লগার বনে যাওয়া যায়! তবে আমি আছি চতুরে রেসিপি নিয়ে! চতুরে আসলেই একটা রেসিপি পোষ্ট দিতে ইচ্ছা হয়! কি করি।।।।।

এখন শীতের সময়। নানা শাক সব্জিতে বাজার ভরপুর। বাজারে গেলেই নানা শাক সবজি কিনতে ইচ্ছা হয়। এখন বাজারে ফুলকপি বেশ পাওয়া যেতে শুরু করছে। আজ আসুন ফুল কপির পাকোডা অথবা ভাজিয়া দেখি (সাথে আলুনীও আছে)। কত সহজে আমরা বিকালের নাস্তা হিসাবে পরিবারে কাছে লাগাতে পারি এই ফুলকপিকে। ছেলে বুড়ো সবাই পছন্দ করবে এই পাকোডা।


ছবিঃ নাজমুল হুদা ভাই (পারমিশন ছাড়া, পুস্পাহার থেকে)

উপকরনঃ
– ফুলকপি সিদ্ব/ চাক করে কাটা আলু সিদ্ব (আপনার ইচ্ছা)
– মরিচের গুড়া (বুঝে শুনে)
– হলুদের গুড়া (সামান্য)
– বেশন (হাফ কাপ)
– জিরা (সামান্য)
– লবন (পরিমান মত)
– গোল মরিচ (এক চিমটি)
– ডিম (একটা)
– পানি (কত টুকু গাঢ আপনি চান, বুঝে)
– তেল (ডুবা না ভাসা ভাজা, এটা আপনাকেই সিদ্বান্ত নিতে হবে)
(ডিম না থাকলে হাফ চামচ বেকিং পাঊডার দিতে পারেন)


প্রথমে ফুলকপি কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পোকা মাকড় থাকলে বের হয়ে আসবে। এর পর সিদ্ব করুন। বেশী সিদ্ব নয়। গলে ফেলবেন না।


মরিচের গুড়া (বুঝে শুনে), হলুদের গুড়া (সামান্য), বেশন (হাফ কাপ), জিরা (সামান্য), লবন (পরিমান মত), গোল মরিচ (এক চিমটি), ডিম (একটা), পানি (কত টুকু গাঢ আপনি চান, বুঝে) দিয়ে একটা পানীয় কাই বানিয়ে ফেলুন।


কাইতে সিদ্ব ফুলকপি ছেড়ে ভাল করে চুবিয়ে নিন (আলু কাটকেও)


চুবানো পিস গুলো তুলে তুলে ফ্রাই প্যানে গরম তেলে ভাজুন।


ব্যস হয়ে গেল ফুলকপি পাকোডা অথবা ভাজিয়া। আলু দিয়েও (দেখানো হয়েছে) এই পাকোডা বানানো যায়, আমার ছেলের আবার ফুলকপির চেয়ে আলুই পছন্দ। সে এই আলু পাকোড়া কে বলে ‘আলুনী’। বিকালের নাস্তায় আলুনী হলে আর কিছু চায় না! এই সব ছোট ছোট পাকোড়া, ভাজিয়া ভুজিয়া বানিয়ে খুব সহজে পবিবারের সবার আপন হয়ে যাওয়া যায়। খরচও খুব কম, স্বামী বানালে স্ত্রী খুশি না হয়ে পারবেন না!

Advertisements

[প্রিয় খাদ্যরসিক পাঠক/পাঠিকা, পোষ্ট দেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। নিম্মে আপনি আপনার মন্তব্য/বক্তব্য কিংবা পরামর্শ দিয়ে যেতে পারেন। আপনার একটি একটি মন্তব্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে কয়েক কোটি বার। আপনার মন্তব্যের জন্য শুভেচ্ছা থাকল। অনলাইনে ফিরলেই আপনার উত্তর দেয়া হবে।]

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s